গোলীয় দর্পণ যে গোলকের অংশ, সেই গোলকের ব্যাসার্ধকে ঐ দর্পণের বক্রতার ব্যাসার্ধ বলে।
এক্সরের তরঙ্গদৈর্ঘ্য আমাদের দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সীমার বাইরে বলে আমরা এক্সরে দেখতে পাই না।
আলো হলো তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ। এর বিশাল তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ছোট একটা অংশ আমরা দেখতে পাই, এ দৃশ্যমান আলোর সীমা 400 mm থেকে 700 mm পর্যন্ত। তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সীমা এর চেয়ে বড় বা ছোট হলে আমরা দেখতে পাই না। যেহেতু এক্স-রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্য থেকেও অনেক ছোট, এজন্য এক্স-রে খালি চোখে দেখা যায় না।
এখানে, বস্তুর দৈর্ঘ্য,
ফোকাস দূরত্ব,
বস্তুর দূরত্ব,
বিম্বের দৈর্ঘ্য, ?
বিম্বের দূরত্ব, ?
আমরা জানি,
বা,
বা,
বা,
বা,
আবার, বিবর্তন, এবং
সুতরাং
বা,
(Ans.)
উদ্দীপকের লক্ষ্যবস্তুকে প্রধান ফোকাস এবং মেরুর মধ্যে রাখা হলে সৃষ্ট প্রতিবিম্বের অবস্থান, প্রকৃতি ও আকৃতি রশ্মিচিত্রের সাহায্যে বিশ্লেষণ করা হলো-
থেকে প্রধান অক্ষের সমান্তরাল একটি আলোকরশ্মি প্রতিফলনের পর প্রধান ফোকাস দিয়ে যায় এবং থেকে বক্রতার ব্যাসার্ধ বরাবর অপর একটি আলোকরশ্মি দর্পণে লম্বভাবে আপতিত হয়ে একই পথে প্রতিফলিত হয়। এ রশ্মি দুটিকে পেছনে বর্ধিত করলে এরা বিন্দু থেকে আসছে বলে মনে হয়। অর্থাৎ হবে বিন্দুর অবাস্তব প্রতিবিম্ব। সুতরাং থেকে প্রধান অক্ষের উপর অঙ্কিত লম্ব হবে OA লক্ষ্যবস্তুর অবাস্তব প্রতিবিম্ব।
চিত্রানুযায়ী দেখা যায়,
প্রতিবিম্বের অবস্থান: দর্পনের পিছনে। অর্থাৎ OA লক্ষ্যবস্তু দপর্ণের যে পাশে অবস্থিত তার বিপরীত পাশে।
প্রকৃতি: অবাস্তব ও সোজা।
আকৃতি : বিবর্ধিত।
