A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১১তম অধ্যায় — জীবপ্রযুক্তি🔢 সৃজনশীল নং ৩৩🏫 বোর্ড কুমিল্লা বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কোনো জীবের জননকোষে বা গ্যামেটে (Gamete) অবস্থিত একপ্রস্থ (হ্যাপ্লয়েড বা n) ক্রোমোজোমে বিদ্যমান জিনের সম্পূর্ণ সমষ্টিকে জিনম বা Genome বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে উৎপন্ন চারা রোগমুক্ত হওয়ার প্রধান কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:

  • মেরিস্টেমের ব্যবহার: টিস্যু কালচারে সাধারণত উদ্ভিদের শীর্ষ মুকুল বা মেরিস্টেম (Meristem) টিস্যুকে এক্সপ্লান্ট (Explant) হিসেবে ব্যবহার করা হয়। মেরিস্টেম টিস্যুর কোষগুলো অত্যন্ত দ্রুত বিভাজিত হয়, ফলে সেখানে ভাইরাস বা অন্যান্য প্যাথোজেন বংশবৃদ্ধি করার সুযোগ পায় না।

  • জীবাণুমুক্ত পরিবেশ: পুরো টিস্যু কালচার প্রক্রিয়াটি একটি সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত বা স্টেরিলাইজড (Sterilized) পরিবেশে, কালচার মিডিয়াম বা আবাদ মাধ্যম ব্যবহার করে সম্পন্ন করা হয়। তাই বাহ্যিক কোনো রোগজীবাণু সেখানে আক্রমণ করতে পারে না।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের 'B' চিত্রটি একটি প্লাজমিড (Plasmid) অণু নির্দেশ করছে, যা রিকম্বিন্যান্ট DNA প্রযুক্তির প্রধান বাহক। অর্থাৎ, 'B' প্রক্রিয়াটি হলো রিকম্বিন্যান্ট DNA প্রযুক্তি বা Recombinant DNA Technology।

নিচে রেখাচিত্রের (ফ্লোচার্ট) সাহায্যে প্রক্রিয়াটির ধাপসমূহ উপস্থাপন করা হলো:

১. কাঙ্ক্ষিত জিনসহ DNA এবং বাহক হিসেবে ব্যাকটেরিয়ার প্লাজমিড DNA পৃথকীকরণ।

↓

২. নির্দিষ্ট রেস্ট্রিকশন এনজাইম (Restriction enzyme) ব্যবহার করে কাঙ্ক্ষিত DNA এবং প্লাজমিড DNA কর্তন।

↓

৩. লাইগেজ (Ligase) এনজাইমের সাহায্যে কর্তিত কাঙ্ক্ষিত DNA খণ্ডকে প্লাজমিড DNA-এর সাথে সংযুক্ত করে রিকম্বিন্যান্ট DNA বা কাইমেরিক DNA (Chimeric DNA) তৈরি।

↓

৪. রিকম্বিন্যান্ট DNA-কে উপযুক্ত পোষক কোষে (যেমন- E. coli) প্রবেশ করানো, যাকে ট্রান্সফরমেশন (Transformation) বলে।

↓

৫. ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাবৃদ্ধির সাথে সাথে রিকম্বিন্যান্ট DNA-এর কপিসংখ্যা বৃদ্ধি বা জিন ক্লোনিং (Gene cloning)।

চিত্রঃ রিকম্বিনেট DNA সৃষ্টি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের 'A' প্রক্রিয়াটি হলো টিস্যু কালচার (Tissue culture) প্রযুক্তি (যেহেতু টেস্টটিউবে পুষ্টি মাধ্যমের ওপর চারা উৎপাদন দেখানো হয়েছে)। উদ্ভিদ প্রজনন ও উন্নত জাত উদ্ভাবনে এই প্রযুক্তির গুরুত্ব নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

১. রোগমুক্ত চারা উৎপাদন: মেরিস্টেম কালচারের মাধ্যমে সম্পূর্ণ রোগমুক্ত (বিশেষ করে ভাইরাসমুক্ত) চারা উৎপাদন করা যায়। কারণ মেরিস্টেম টিস্যুতে কোনো রোগজীবাণু থাকে না।

২. অল্প সময়ে দ্রুত বংশবৃদ্ধি: যেসব উদ্ভিদের বীজ উৎপাদন সম্ভব হয় না (যেমন- সাগর কলা, আনারস) বা বীজের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ধীরগতি সম্পন্ন, মাইক্রোপ্রোপাগেশন (Micropropagation) পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের অল্প সময়ে অসংখ্য চারা উৎপাদন করা যায়।

৩. হ্যাপ্লয়েড লাইন প্রতিষ্ঠা: পরাগধানী বা অ্যান্থার (Anther) কালচারের মাধ্যমে হ্যাপ্লয়েড (n) উদ্ভিদ সৃষ্টি করে সহজেই কাঙ্ক্ষিত হোমোজাইগাস বিশুদ্ধ সারি (Pure line) তৈরি করা সম্ভব, যা প্রজননের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৪. ভ্রূণ কালচার (Embryo culture): আন্তঃপ্রজাতিক সংকরায়ণের ক্ষেত্রে অনেক সময় ভ্রূণ পূর্ণতা লাভের আগেই ঝরে যায়। এসব ক্ষেত্রে ভ্রূণ কালচার করে ভ্রূণকে রক্ষা করা যায় এবং কাঙ্ক্ষিত সংকর উদ্ভিদ পাওয়া যায়।

৫. সোমাটিক হাইব্রিডাইজেশন (Somatic hybridization): দুটি ভিন্ন প্রজাতির প্রোটোপ্লাস্টের মিলনের মাধ্যমে সাইব্রিড (Cybrid) তৈরি করা যায়। যেমন- আলু ও টমেটোর প্রোটোপ্লাস্ট ফিউশন করে 'পোমাটো' (Pomato) নামক নতুন জাত সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছে।

৬. বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ সংরক্ষণ: যেসব উদ্ভিদের বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, টিস্যু কালচার প্রযুক্তির মাধ্যমে চারা উৎপাদন করে তাদের বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব।

উপরোক্ত বিশ্লেষণ থেকে বলা যায়, কৃষিক্ষেত্রে ও উদ্ভিদ প্রজননে টিস্যু কালচার প্রযুক্তি অভাবনীয় সাফল্য এনেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”