A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — প্রাণীর পরিচিতি🔢 সৃজনশীল নং ৫৯🏫 বোর্ড কুমিল্লা বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

CO2 সমৃদ্ধ রক্ত বহনকারী হৃৎপিন্ডকে ভেনাস হার্ট বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পটকার সাহায্যে মাছ পানিতে ভাসতে পারে। পটকা গ্যাসের উৎপাদন এবং পুনঃশোষণ দ্বারা দেহ তরলের ও পানির আপেক্ষিক গুরুত্ব নিয়ন্ত্রণ করে বলে একে উদস্থিতির অঙ্গ বা হাইড্রোস্ট্যাটিক অঙ্গ বলা হয়। এটি মাছের আপেক্ষিক গুরুত্ব নিয়ন্ত্রণ করে মাছকে পানির নিচে বিভিন্ন গভীরতায় স্থিরভাবে অবস্থান করতে সাহায্য করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়াটি হলো ঘাসফড়িং-এর রেচন পদ্ধতি। নিচে ঘাসফড়িং-এর রেচন পদ্ধতি ব্যাখ্যা করা হলো: 

আমিষজাতীয় খাদ্য বিপাকে সৃষ্ট নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনের প্রক্রিয়াকে রেচন বলে। ঘাসফড়িং এর প্রধান রেচন অঙ্গ হল ম্যালপিজিয়ান নালিকা। এছাড়াও কিছু অতিরিক্ত রেচন অঙ্গ রয়েছে। এগুলো হলো ইউরেট কোষ, ইউরিকোজ গ্রন্থি, নেফ্রোসাইট ও কিউটিকল। 

ম্যালপিজিয়ান নালিকা মেসেন্টেরন ও ইলিয়ামের সংযোগস্থলে হিমোসিলে অবস্থিত। এটি ২৫ mm লম্বা, ১mm ব্যাসযুক্ত। এর মধ্যে লুমেন,এপিথেলিয়াল কোষ, মাইক্রোভিলাই,ব্রাশ বর্ডার ইত্যাদি বিদ্যমান। প্রতিটি ম্যালপিজিয়ান নালিকার গোড়ার অংশ নিঃসরণের (বা ক্ষরনের) জন্য এবং প্রান্তিয় অংশ শোষনের জন্য অভিযোজিত। এ নালিকার মুক্ত,বদ্ধ প্রান্ত হিমোলিম্ফে ভাসমান থেকে পানি, পটাশিয়াম ইউরেট আয়ন, CO2 ইত্যাদি শোষন করে।এগুলো নালিকার ভিতরে নির্দিষ্ট এনজাইমের প্রভাবে পটাসিয়াম বাইকার্বনেট, পানীয ও ইউরিক এসিডে পরিণত হয়। গোড়ার অংশ দ্বারা কিছু পানি ও বাইকার্বনেট সমূহ পুণঃশোষিত হয়ে পুনরায় হিমলিম্ফে ফিরে আসে। রেচন বর্জ্যরুপে ইউরিক অ্যাসিড বাকি পানির সাথে পৌষ্টিকনালীর গহবরে প্রবেশ করে।মলাশয়ে অধিকাংশ পানি পুনঃশোষিত হয়। ইউরিক অ্যাসিড কঠিন মলের সাথে বর্জ্য পদার্থ রূপে পায়ু পথে দেহ ত্যাগ করে। এভাবে ঘাসফড়িংয়ে রেচনকার্য সম্পন্ন হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের ঘাসফড়িং এর দর্শন কৌশলের কথা বলা হয়েছে। ঘাসফড়িং-এর দর্শন অঙ্গটি দিনের উজ্জ্বল আলো ও দিনের শেষে মৃদু আলোতে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করে এদের দৃষ্টিশক্তি কার্যকর করে। মৃদু আলোয় সুপার পজিশন এবং উজ্জ্বল আলোয় অ্যাপোজিশন প্রতিবিম্ব গঠন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

১. সুপার পজিশন প্রতিবিম্ব: মৃদু আলোয় রেটিনাল সিথের রঞ্জক কণিকা সংকুচিত হয়ে কর্নিয়ার দিকে ঘনীভূত হয় এবং ক্রিস্টালাইন কোণের অধিকাংশ অনাবৃত হয়ে পড়ে। উলম্ব আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়ার ভেতর প্রবেশ করে তার র‍্যাবডোমে পৌঁছালেও তির্যক আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের ক্রিস্টালাইন কোণের অনাবৃত অংশের মধ্য দিয়ে পাশের ওমাটিডিয়ামের র‍্যাবডোমে পৌঁছায়। অর্থাৎ একটি ওমাটিডিয়াম তার নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত আলোক রশ্মি ছাড়াও পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়া থেকে আগত রশ্মিও পেয়ে থাকে। পুঞ্জাক্ষির উপর কোনো বস্তুর বিভিন্ন অংশের প্রতিবিম্বগুলো একে অপরের উপর পড়ায় সম্পূর্ণ বস্তুটির অস্পষ্ট প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়। 

২. অ্যাপজিশন বা মোজাইক প্রতিবিম্ব: উজ্জ্বল আলোয় প্রতিটি ওমাটিডিয়াম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। উজ্জ্বল আলোতে রেটিনাল সিথের কোষের রঞ্জক পদার্থ ক্রিস্টালাইন কোণের নিচের দিকে এমনভাবে ছড়িয়ে যায় যাতে তার চারদিকে একটি কালো পর্দার সৃষ্টি হয়। ফলে একটি ওমাটিডিয়াম কেবলমাত্র নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত লম্বভাবে প্রতিফলিত রশ্মিই গ্রহণ করতে পারে। তির্যকভাবে আগত পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের আলোকরশ্মি আইরিসের রঞ্জক পদার্থে শোষিত হয়। এ অবস্থায় একটি ওমাটিডিয়াম দিয়ে গঠিত প্রতিবিম্ব অনেকটা মোজাইক করা মেঝের পাথরের মতো মনে হয় বলে একে মোজাইক প্রতিবিম্ব বলা হয় । 

সুতরাং আলোর তারতম্যের ভিত্তিতে ঘাসফড়িং ভিন্ন ধরনের প্রতিবিম্ব গঠন করে ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”