A. Nayan
A. Nayan
1 Jun 2026 (2 days ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা জিলা স্কুল ২০২৬ – আলোর প্রতিফলন, পদার্থবিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: পদার্থবিজ্ঞান📘 ৭ম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নম্বর: ২৩🏢 স্কুল/কলেজ: কুমিল্লা জিলা স্কুল📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ⭐⭐⭐⭐⭐

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

গোলীয় দর্পণের প্রতিফলক পৃষ্ঠের মধ্যবিন্দুকে দর্পণের মেরু বলে। এই মেরু অবতল দর্পণের ক্ষেত্রে প্রতিফলক পৃষ্ঠের সবচেয়ে নিচু বিন্দুটি এবং উত্তল দর্পণের ক্ষেত্রে প্রতিফলক পৃষ্ঠের সবচেয়ে উঁচু বিন্দুটি হয়ে থাকে।

উত্তর:

দৃশ্যমান আলোর সাতটি বর্ণের মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে বায়ুমণ্ডলের মধ্যদিয়ে যাওয়ার সময় অন্যান্য বর্ণের তুলনায় এর বিক্ষেপণ কম হয়। এ কারণে লাল আলো বায়ুমণ্ডলে অনেকদূর পর্যন্ত বিস্তার লাভ করতে পারে। ফলে বিপজ্জনক স্থানে আসার অনেক আগে থেকেই লাল আলো দেখতে পেয়ে বিপদ সম্পর্কে সতর্ক হওয়া যায়। এজন্য বিপদ সংকেতে লাল আলো ব্যবহার করা হয়।

উত্তর:

এখানে, ফোকাস দূরত্ব; f=CP2=60 cm2=30 cm
[উত্তল দর্পণের ক্ষেত্রে ফোকাস দূরত্ব ঋনাত্মক]
লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব, u=PB=15 cm
বিম্বের দূরত্ব, v= ?
বিবর্ধন, m= ?
আমরা জানি, 1u+1v=1f
বা, v=(1f1u)1=(130115)1=10 cm
আবার, বিবর্ধন, m=yu=1015=23
অতএব, লক্ষ্যবস্তু AB-এর বিবর্ধন 23.

উত্তর:

উদ্দীপকের দর্পণটি হলো উত্তল দর্পণ। উত্তল দর্পণে গঠিত রশ্মি চিত্র এঁকে নিরাপদ ড্রইভিং এ কীভাবে ভূমিকা রাখে তা নিচে বিশ্লেষণকরা হলো-

MPM' একটি উত্তল দর্পণ। PC এর প্রধান অক্ষ, C বক্রতার কেন্দ্র, F প্রধান ফোকাস এবং P দর্পণের মেরু। একটি বিস্তৃত লক্ষ্যবস্তু AB (গাড়ি) দর্পণের সামনে প্রধান অক্ষের উপর লম্বভাবে থাকলে A বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মি প্রধান অক্ষের সমান্তরাল হয়ে M বিন্দুতে আপতিত হলে প্রতিফলনের পর রশ্মিটি দর্পণের প্রধান ফোকাস F থেকে আসছে বলে মনে হয়। দর্পণে বক্রতার কেন্দ্রমুখী অপর একটি রশ্মি AD লম্বভাবে দর্পণে আপতিত হওয়ায় একই পথে প্রতিফলিত হয়।

এখন এই অপসারী প্রতিফলিত রশ্মিদ্বয়কে পিছনের দিকে বাড়িয়ে দিলে এরা । বিন্দু থেকে আসছে বলে মনে হবে। সুতরাং। বিন্দুই হবে A বিন্দুর অসদ বিম্ব। এখন। থেকে অক্ষের উপর IB লম্ব টানলে IB ই হবে AB লক্ষ্যবস্তুর অসদ বিম্ব। AB এর যেকোনো অবস্থানের জন্যই অনুরূপ বিম্ব পাওয়া যাবে।

চিত্র হতে দেখা যায় যে, উত্তল দর্পণে সর্বদা অবাস্তব, সোজা এবং খর্বিত বিম্ব পাওয়া যায়। যানবাহনে ব্যাক মিরর হিসেবে উত্তল দর্পণ ব্যবহার করলে, যানবাহনের পিছনের অনেক বড় অংশের চিত্র অবাস্তব, সোজা অথচ খর্বিত দেখা যায়। ফলে খুব সহজে পেছনের অবস্থা বুঝে, সাবধানে গাড়ি চালানো যায়।

3 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা জিলা স্কুল ২০২৬ – আলোর প্রতিফলন, পদার্থবিজ্ঞান (এসএসসি)”