A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ ২০২৫ – চলন ও অঙগচালনা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৭ম অধ্যায় — চলন ও অঙগচালনা🔢 সৃজনশীল নং ৪১🏢 প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৭

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যেসব জিন জীবের মৃত্যু ঘটায় সেসব জিনই হলো লিথাল জিন বা মারণ জিন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

এশিয়ার বৃহত্তম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র চট্টগ্রামের হালদা নদী। হালদা নদী থেকে রুই জাতীয় মাছের ডিম সরাসরি সংগ্রহ করা হয়। গত পঞ্চাশের দশকে দেশের মোট মৎস্য চাহিদার 70% পূরণ করতো হালদা নদীর পোনা। এজন্য হালদা নদীকে কার্প জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক-জিন ব্যাংক বা প্রাকৃতিক মৎস্য খনি বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের B দ্বারা ঐচ্ছিক পেশিকে বুঝানো হয়েছে। নিচে ঐচ্ছিক পেশির সূক্ষ্ম গঠন বর্ণনা করা হলো-

ঐচ্ছিক পেশির কোষগুলো বা পেশিতন্তুগুলো গুচ্ছ আকারে অবস্থান করে। পেশিতন্তুর এ ধরনের প্রতিটি গুচ্ছকে ফ্যাসিকুলাস বলা হয়। এসব গুচ্ছ যোজক কলা নির্মিত পেরিমাইসিয়াম নামক আবরণে আবৃত থাকে। কতগুলো ফ্যাসিকুলি মিলিত হয়ে একটি বৃহৎ গুচ্ছ গঠন করে। যোজক কলা নির্মিত এপিমাইসিয়াম দ্বারা এসব গুচ্ছ আবৃত থাকে। প্রতিটি পেশিতন্তু নলাকার, অশাখান্বিত ও আড়াআড়ি ডোরাযুক্ত। পেশিতন্তুর বা পেশি কোষের আবরণকে সারকোলেমা এবং সাইটোপ্লাজমকে সারকোপ্লাজম বলে। সারকোপ্লাজমে একাধিক গোলাকার বা ডিম্বাকার নিউক্লিয়াসসহ প্রায় সকল কোষীয় অঙ্গাণুই উপস্থিত থাকে। এছাড়া সারকোপ্লাজমে মায়োফাইব্রিল নামক অসংখ্য অনুসূত্রক সমান্তরালভাবে সজ্জিত থাকে। প্রতিটি মায়োফাইব্রিল প্রধানত অ্যাকটিন ও মায়োসিন নামক প্রোটিন ফিলামেন্ট দ্বারা গঠিত। অ্যাকটিন ফিলামেন্টে ট্রপোমায়োসিন ও ট্রপোনিন নামক দুটি প্রোটিন অণু যুক্ত হয়ে অ্যাকটিন ফিলামেন্ট কমপ্লেক্স গঠন করে। মায়োফাইব্রিলে অনুপ্রস্থ ও একান্তরভাবে সজ্জিত কতগুলো স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ বা গাঢ় দাগ দেখা যায়। স্বচ্ছ দাগগুলো I ব্যান্ড ও অস্বচ্ছ দাগগুলোকে "A" ব্যান্ড নামে চিহ্নিত করা হয়। অ্যাকটিন ও মায়োসিনের বিন্যাসের কারণেই মায়োফাইব্রিলে স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ ডোরা সৃষ্টি হয়। এসব ডোরা বা দাগের কারণেই ঐচ্ছিক পেশিকে অমসৃণ বা রৈখিক পেশি বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে A এবং C দ্বারা যথাক্রমে তৃতীয় ও দ্বিতীয় শ্রেণির লিভারকে বুঝানো হয়েছে। এই দুটি লিভার চলাচলের জন্য আরামদায়ক হলেও C তথা দ্বিতীয় শ্রেণির লিভার তুলনামূলক বেশি আরামদায়ক। নিচে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হলো-

এখানে C দ্বারা দ্বিতীয় শ্রেণির লিভারকে দেখানো হয়েছে। পায়ের আঙ্গুলের ডগায় এরূপ লিভার সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে ভার, ফ্যালক্রাম ও বলের মাঝে অবস্থান করে। এ ধরনের লিভারের সাহায্যে সামান্য প্রচেষ্টায় বেশি ওজনকে উপরে তুলে ধরা সহজ হয়। এ লিভারের কারণে আমরা দ্রুত দৌড়াতে পারি। অপরদিকে A তথা তৃতীয় শ্রেণির লিভারে বল, ফ্যালক্রাম ও ভারের মাঝে অবস্থান করে। কনুই, হাঁটু ইত্যাদিতে এরূপ লিভার সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে ফ্যালক্রাম ও ভারের মাঝে বল অবস্থান করলেও ফ্যালক্রাম ও বল খুব কাছাকাছি অবস্থান করে। বলের চেয়ে ভার বেশি হওয়ায় এক্ষেত্রে কোনো যান্ত্রিক সুবিধা পাওয়া যায় না। তবে বাইসেপস, পেশির সামান্য সংকোচনে সম্মুখ বাহুতে বৃহত্তর সঞ্চালনের সৃষ্টি হয় বলে যান্ত্রিক অসুবিধাটুকু পূরণ হয়ে যায়। অর্থাৎ দ্রুতগতির সঞ্চালন সুবিধা পাওয়া যায়। এ ধরনের লিভারের কারণে আমরা অল্প শক্তি ব্যয় করে অধিক ভার উত্তোলন করতে পারি। তাই তৃতীয় শ্রেণির লিভার থেকে অধিক সুবিধা ভোগ করলেও চলাচলের জন্য দ্বিতীয় শ্রেণির লিভার তুলনামূলক বেশি আরামদায়ক।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ ২০২৫ – চলন ও অঙগচালনা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”