A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ ২০২৫ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — পরিপাক ও শোষণ🔢 সৃজনশীল নং ৬৯🏢 প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কার্বোহাইড্রেট ছাড়া অন্যান্য পদার্থ (অ্যামিনো এসিড, পাইরুভিক এসিড ইত্যাদি) থেকে গ্লুকোজ কিংবা গ্লাইকোজেন সংশ্লেষিত হওয়ার পদ্ধতিকে বলা হয় গ্লুকোনিওজেনেসিস।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বড় ধরনের অস্ত্রোপচার না করে হৃৎপিণ্ডের সংকীর্ণ লুমেনযুক্ত বা রুদ্ধ হয়ে যাওয়া করোনারি ধমনি পুনরায় প্রশস্ত লুমেনমুক্ত বা উন্মুক্ত করার পদ্ধতিই হলো এনজিওপ্লাস্টি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে M-এর সকালের নাস্তা হলো রুটি, মাখন এবং ডিম যা শর্করা, চর্বি এবং আমিষ জাতীয় খাদ্য। নিচে শর্করা, চর্বি এবং আমিয জাতীয় খাদ্যের শোষণ পদ্ধতি বর্ণনা করা হলো-
১. শর্করা শোষণ : গ্লুকোজ ও গ্যালাকটোজ ক্ষুদ্রান্ত্রের মিউকাস ঝিল্লির কাইনেজ নামক এনজাইমের সহায়তায় অতি দ্রুত ফসফরাস যুক্ত হয়ে সক্রিয় শোষণের মাধ্যমে শোষিত হয়ে পোর্টাল শিরা-র রক্তে প্রবেশ করে। ফ্রুক্টোজ, সুক্রোজ ও ল্যাকটোজ ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শোষিত হয়। পোর্টাল শিরা দ্বারা শোষিত খাদ্যসার যকৃতে মুক্ত করে।
২. আমিষ শোষণ : আমিষের পরিপাকজাত অ্যামিনো এসিডগুলো শোষিত হয়ে পোর্টাল শিরার রক্তে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকে যকৃতে পৌঁছে। সাধারণত এল-অ্যামিনো এসিডগুলো সক্রিয় পদ্ধতিতে এবং ডি-অ্যামিনো এসিডগুলো ব্যাপনের মাধ্যমে শোষিত হয়। অ্যামিনো এসিড ব্যতীত কিছু প্রোটিওজ, পেপটোন ও পলিপেপটাইড অণু অপরিবর্তিত অবস্থায় সামান্য পরিমাণে শোষিত হয়।

৩. চর্বি বা লিপিড শোষণ: চর্বির পরিপাকজাত ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারল ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ভিলাইয়ের স্তম্ভাকার এপিথেলিয়াম কোষে প্রবেশ করে এবং পুনরায় লিপিডে পরিণত হয়। এপিথেলিয়াল কোষে যে প্রোটিন থাকে তা লিপিড অণুকে আবৃত করে লিপোপ্রোটিন কণা গঠন করে, এগুলো এক্সোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় এপিথেলিয়াল কোষ ত্যাগ করে এবং ভিলাইয়ের লসিকা বাহিকায় প্রবেশ করে। কাইলোমাইক্রনগুলো লসিকার মাধ্যমে লসিকাতন্ত্রের ভেতর দিয়ে হৃৎপিণ্ডের কাছে শিরারক্তের প্লাজমায় প্রবেশ করে। প্লাজমায় একটি এনজাইম লিপিডকে বিশ্লিষ্ট করে আবার কোষের গ্রহণ উপযোগী ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারল সৃষ্টি করে। এগুলো শ্বসনে ব্যবহৃত হয় কিংবা স্নেহ পদার্থ হিসেবে যকৃতে সঞ্চিত থাকে।

 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে M-এর দুপুরের খাবার হলো ভাত এবং গরুর মাংস যা শর্করা এবং আমিষ জাতীয় খাদ্য। নিচে শর্করা এবং আমিষ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হলো-
শর্করা পরিপাক: শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রথমে মখবিবরে পরিপাক হয়। মুখবিবরে খাদ্য চিবানোর সময় লালাগ্রন্থি নিঃসৃত লালারস টায়ালিন ও মল্টেজ নামক এনজাইম যথাক্রমে মল্টোজ ও গ্লুকোজে পরিণত হয়।
শর্করা জাতীয় খাদ্য পাকস্থলি থেকে ক্ষুদ্রান্ত্রে এলে তা অগ্ন্যাশয় রস ও আন্ত্রিক রসের ক্রিয়ায় পরিপাক হতে থাকে। অগ্ন্যাশয় রসের পরিপাক, অগ্ন্যাশয়িক অ্যামাইলেজ ক্লোরাইড ও মল্টেজ নামক এনজাইমের সহায়তায় সংঘটিত হয়। উৎপন্ন মল্টোজ মল্টেজ এনজাইমের সাহায্যে গ্লুকোজে পরিণত হয়। আবার আন্ত্রিক রসে শর্করা পরিপাককারী এনজাইম যথা: আন্ত্রিক অ্যামাইলেজ, আইসোমল্টেজ, মল্টেজ, সুক্রেজ, ল্যাকটেজ ইত্যাদি থাকে এবং স্টার্চ, ডেক্সট্রিন, আইসোমল্টোজ, মল্টোজ, সুক্রোজ, ল্যাকটোজকে ভেঙে মল্টোজ, মলটোট্রায়োজ, গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও গ্যালাক্টোজ অণুতে পরিণত করে। এভাবে প্রস্তুত মনোস্যাকারাইড ও খাদ্যের বিভিন্ন মনোস্যাকারাইড শোষিত হয়।

আমিষ পরিপাক: আমিষ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক পাকস্থলিতে শুরু হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে শেষ হয়। খাদ্য চিবানোর সময় লালারস মিশে খাদ্যকে পিচ্ছিল ও নরম করে। পাকস্থলিতে পাচকরসের পেপসিনোজেন নামক নিষ্ক্রিয় প্রোটিওলাইটিক জাইমোজেন HCI-এর উদ্দীপনায় সক্রিয় হয়ে পেপসিন নামক সক্রিয় উৎসেচকে পরিণত হয়। পেপসিন অম্লীয় মাধ্যমে জটিল আমিষকে আর্দ্র বিশ্লেষণ করে প্রোটিওজ ও পেপটোনে পরিণত করে। এ অপরিপাককৃত খাদ্য অম্লীয় কাইমে পরিণত হয় এবং ধীরে ধীরে ডিওডেনামে প্রবেশ করে। ডিওডেনামের ক্ষারীয় মাধ্যমে এন্টারোকাইনেজ নামক উৎসেচকের প্রভাবে আন্ত্রিক রস ও অগ্ন্যাশয় রসের নিষ্ক্রিয় প্রোটিওলাইটিক জাইমোজেন ট্রিপসিনোজেন, সক্রিয় এনজাইম ট্রিপসিনে পরিণত হয়। ট্রিপসিন প্রোটিওজ ও পেপটোন নামক আমিষকে ভেঙে অ্যামাইনো অ্যাসিড ও ডাইপেপটাইডে পরিণত করে। এরপর ইলিয়ামে প্রায় পরিপাককৃত খাবার পৌঁছালে এন্টেরোক্রিনিন নামক হরমোনের প্রভাবে ইলিয়ামের প্রাচীর থেকে নিঃসৃত ইরেপসিন নামক সক্রিয় প্রোটিওলাইটিক উৎসেচক ডাইপেপটাইড সমূহকে ভেঙে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে। ইলিয়ামের ভিলাইসমূহ কর্তৃক অ্যামিনো অ্যাসিড শোষিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ ২০২৫ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”