A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ ২০২৫ – শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৫ম অধ্যায় — শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া🔢 সৃজনশীল নং ৪৩🏢 প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৫

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অ্যানজাইনা হলো এক প্রকার হৃৎপিণ্ডজনিত বুক ব্যথা। হৃদপেশি যখন O2 সমৃদ্ধ পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ পায় না তখন এ ব্যথা অনুভূত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অস্থিসন্ধির স্থানচ্যুতি প্রধানত-চার প্রকার। যথা-
i. জন্মগত চ্যুতি
ii. আঘাতজনিত চ্যুতি
iii. রোগজনিত চ্যুতি
iv. বাতজনিত চ্যুতি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে C হলো মস্তিষ্ক এবং প্রক্রিয়াটি দ্বারা শ্বাস-প্রশ্বাস কার্যক্রমকে বুঝানো হয়েছে। এই কার্যক্রমকে মস্তিষ্ক স্নায়ুবিক ও রাসায়নিক এই দুই ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। নিচে তা উপস্থাপন করা হলো-

১. স্নায়ুবিক নিয়ন্ত্রণ: পশ্চাৎ মস্তিষ্কের মেডুলা অবলাংগাটা আমাদের বক্ষ অঞ্চলের প্রশ্বাস নিঃশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এটিকে বলা হয় শ্বসন নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র। এই শ্বসন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের রয়েছে দুটি অংশ যথা নিঃশ্বাস নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ও প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র। স্নায়ুবিক শ্বসন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের স্নায়ুগুলো করোটিক স্নায়ুর মাধ্যমে ডায়াফ্রাম ও বক্ষপিঞ্জরের সাথে যুক্ত থাকে। আমাদের প্রশ্বাস-নিঃশ্বাস স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। আমাদের কর্ম উদ্দীপনা বৃদ্ধির সাথে সাথে শ্বাস-প্রশ্বাসের গতিও বৃদ্ধি পায়। আর শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি বৃদ্ধি পেলে অক্সিজেন শোষণ ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের বর্জনের হারও বাড়ে। আমরা যখন বিশ্রামে নেই তখন দেহে অক্সিজেনের চাহিদাও কমে যায়। অর্থাৎ চাহিদা ও যোগানের এই ভারসাম্য ছন্দবদ্ধভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় (প্রতিবর্ত ক্রিয়া) ফিডব্যাক মেকানিজমের মাধ্যমে।

২. রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণ : মস্তিষ্কের মেডুলা রক্তের অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের ঘনত্বের প্রতি সংবেদনশীল। রক্তে কার্বন ডাইঅক্সাইডের ঘনত্ব বেড়ে গেলে মেডুলার সাথে সংশ্লিষ্ট স্নায়ু বক্ষ পিঞ্জর ও ডায়াফ্রামের পেশিতে সংকেত পাঠায়। ফলে শ্বাস-প্রশ্বাসের হার বাড়ে এবং রক্তে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ কমে ও অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ে। এইভাবে রাসায়নিক উদ্দীপনার মাধ্যমেও আমাদের দেহের প্রশ্বাস-নিঃশ্বাস নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের B হলো ফুসফুস এবং C হলো মস্তিষ্ক। ফুসফুস ও মস্তিষ্কের মধ্যে O2ও CO2 পরিবহন কৌশল নিচে বর্ণনা করা হলো-

O2 পরিবহন : ফুসফুস হতে রক্তে দু'ভাবে পরিবাহিত হয়, যথা-ভৌত দ্রবণরূপে ও রাসায়নিক যৌগরূপে।
i. ভৌত দ্রবণরূপে : প্রতি ১০০ মি.লি. রক্তে ০.৩ মি.লি. O2 ভৌত দ্রবণরূপে পরিবাহিত হয়।
ii. রাসায়নিক যৌগরূপে: O2 রক্তে প্রবেশের পর লোহিত কণিকায় অবস্থিত হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সি-হিমোগ্লোবিন গঠন করে। অক্সি-হিমোগ্লোবিন যৌগ হিসেবে অক্সিজেন দেহকোষে পরিবাহিত হয়।

Hb4+4O2⇌4HbO2[Hb= হিমোগ্লোবিন]

CO2 পরিবহন : দেহকোষে উৎপন্ন CO2 তিনটি ভিন্ন পদ্ধতিতে রক্তে পরিবাহিত হয়ে ফুসফুসে পৌঁছায়।

i. ভৌত দ্রবণরূপে: কিছু পরিমাণ (৫%) CO2-এর সাথে রক্তের প্লাজমার পানির বিক্রিয়ায় কার্বনিক এসিড উৎপন্ন হয়ে রক্তে পরিবাহিত হয়।

H2O+CO2⟶H2CO3

ii. কার্বামিনো যৌগরূপে : CO2 লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিনের গ্লোবিন অংশের অ্যামিনো গ্রুপের সাথে CO2 যুক্ত করে কার্বামিনো হিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে। CO2 এর একাংশ প্লাজমা প্রোটিনের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে, কার্বামিনো প্রোটিন গঠন করে। মোট CO2-এর শতকরা ২৭ ভাগ কার্বামিনো যৌগরূপে পরিবাহিত হয়।

iii. বাইকার্বনেট যৌগরূপে: CO2-এর বেশির ভাগই (৬৫%) রক্তে বাইকার্বনেটরূপে পরিবাহিত হয়। এটি NaHCO3 রূপে প্লাজমার মাধ্যমে এবং KHCO3 রূপে লোহিত কণিকার মাধ্যমে পরিবাহিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ ২০২৫ – শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”