A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘ড. তৌফিক ‘M’…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১১তম অধ্যায় — জীবপ্রযুক্তি🔢 সৃজনশীল নং ৪৭🏫 বোর্ড চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

ড. তৌফিক ‘M’ ও ‘N’ দু’ধরনের জৈব প্রযুক্তি সম্পর্কে আলোচনা করলেন। প্রযুক্তি ‘M’ এর মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট জিন এক জীবকোষ হতে অন্য জীবকোষে স্থানান্তর করা হয়। প্রযুক্তি ‘N’ এর মাধ্যমে স্বল্প সময়ে ব্যাপক সংখ্যক ও হুবহু মাতৃগুণসম্পন্ন অণুচারা উৎপাদন করা যায়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্ভিদের যেকোনো বিভাজনক্ষম সজীব কোষ বা টিস্যু থেকে পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদ তৈরি হওয়ার ক্ষমতাই হচ্ছে টটিপটেন্সি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অসংখ্য নিউক্লিওটাইড বিভিন্ন বিন্যাসে সজ্জিত হয়ে DNA অণু গঠন করে। DNA অণুর অনুদৈর্ঘ্যে ATGC বেসগুলো কোন অনুক্রমে সজ্জিত থাকে তাহলো জিনোম সিকোয়েন্স। আর এ সিকোয়েন্সটি (সাজানী পদ্ধতিটি) উদঘাটন করাই হলো জিনোম সিকোয়েন্সিং। লম্বা DNA অণুটি একসাথে সিকোয়েন্সিং করা সম্ভব হয় না। তাই DNA অণুকে উপযুক্ত দূরত্বে কেটে নেওয়া হয় এবং খণ্ডগুলোর সিকোয়েন্সিং করে একসাথে মিলিয়ে পূর্ণ দৈর্ঘ্যের সিকোয়েন্সিং উপস্থাপন করা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের "M" প্রযুক্তিটি দ্বারা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিকে বুঝানো হয়েছে। নিচে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির ধাপসমূহ সংক্ষেপে বর্ণনা করা হলো-

১. কাঙ্ক্ষিত DNA (টারগেট DNA) নির্বাচন।
২. একটি বাহক নির্বাচন, যার মধ্যে কাঙ্ক্ষিত DNA খন্ডটি প্রতিস্থাপন করা যাবে। এক্ষেত্রে প্লাসমিড DNA কে ব্যবহার করা হয়।
৩. টার্গেট এবং বাহকের DNA অণুর নির্দিষ্ট স্থানে (specific site) ছেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় রেস্ট্রিকশন এনজাইম নির্বাচন। উভয় ক্ষেত্রে একই এনজাইম ব্যবহার করা হয়।
৪. ছেদনকৃত DNA খন্ডসমূহ (কাঙ্ক্ষিত DNA ও বাহক) DNA লাইগেজ এনজাইম দ্বারা সংযুক্ত করা হয়।
৫. কাঙ্ক্ষিত DNA সহ বাহক DNA-এর অনুলিপনের জন্য একটি পোষক (host) নির্বাচন (যেমন- E. coli)।
৬. কাঙ্ক্ষিত DNA খন্ড সমন্বয়ে প্রস্তুতকৃত রিকম্বিনেন্ট DNA-এর বহিঃপ্রকাশ মূল্যায়ন।
৭. রিকম্বিনেন্ট DNA তৈরির সময় বাহক হিসেবে Ti প্লাসমিড ব্যবহার করা হয়ে থাকে, রিকম্বিনেন্ট DNA কে Agrobacterium-এ স্থানান্তর করানো।
৮. কাঙ্ক্ষিত উদ্ভিদ কোষে কাঙ্ক্ষিত জিনকে Agrobacterium দ্বারা স্থানান্তর করানো।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে নির্দেশিত "N" প্রযুক্তিটি হলো টিস্যু কালচার প্রযুক্তি। নিচে টিস্যু কালচার প্রযুক্তির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো-

১. হুবহু মাতৃ-গুণাগুণসম্পন্ন চারা তৈরি: কোনো উদ্ভিদের ফুল, ফল বা শস্য গুণে ও মানে উন্নত বলে মনে হলে সেসব উদ্ভিদের অংশ টিস্যু কালচার প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহার করে হুবহু মাতৃ-গুণাগুণসম্পন্ন অসংখ্য চারা তৈরি করা যায়।

২. হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদ উৎপাদন: পরাগরেণু বা পরাগধানী কালচার করে হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদ উৎপাদন করা যায়। Graminae, Solanaceae ও Cruciferae গোত্রসহ এ যাবৎ ৫০টি প্রজাতির হ্যাপ্লয়েড লাইন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে।

৩. বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ সংরক্ষণ: যে সমস্ত উদ্ভিদ প্রজাতি পৃথিবীতে বিলুপ্তির পথে টিস্যু কালচার প্রযুক্তির মাইক্রোপ্রোপাগেশন পদ্ধতি দ্বারা ঐ সকল উদ্ভিদকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

৪. রোগমুক্ত উদ্ভিদ তৈরি: উদ্ভিদের শীর্ষমুকুলের অগ্রভাগের টিস্যুকে মেরিস্টেম বলে। এ মেরিস্টেম সর্বদা রোগমুক্ত থাকে। টিস্যু কালচার প্রযুক্তিতে মেরিস্টেম কালচার করে রোগমুক্ত চারাগাছ তৈরি করা যায়।

৫. সংকর উদ্ভিদ উৎপাদন: দুটি উদ্ভিদের প্রোটোপ্লাস্ট পাশাপাশি রেখে তাদের মধ্যে মিলন ঘটিয়ে টিস্যু কালচার প্রযুক্তি প্রয়োগ করে নতুন সংকর উদ্ভিদ তৈরি করা যায়।

৬. ভ্রূণ উদ্ধার: দুটি ভিন্ন প্রজাতির সংকরায়নে সৃষ্ট F1 অপত্য প্রায়শই বন্ধ্যা হয়। এমন বন্ধ্যা উদ্ভিদে ভ্রূণ গঠিত হলেও তা মারা যায় ও তা থেকে কোনো বীজ উৎপন্ন হয় না। এমন সংকর উদ্ভিদ থেকে ভূর্ণ উদ্ধার করে পুষ্টি মাধ্যমে তাদের বাঁচিয়ে কাজে লাগানো যায়।

৭. ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ উৎপাদন: রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিতে নানা ধরনের অণুজীব, উদ্ভিদ ও প্রাণী হতে সংগৃহীত জিন আবাদকৃত ভ্রূণ বা কোষে প্রবেশ করিয়ে চাহিদামতো জিনোম তৈরি করা সম্ভব। টিস্যু কালচার প্রযুক্তিতে এ ধরনের কোষ বা ভ্রূণ হতে পূর্ণাঙ্গ ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ সৃষ্টি করা যায়।

৮. কৃত্রিম বীজ উৎপাদন: টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে উৎপন্ন সোমাটিক ভ্রূণকে পুষ্টি পদার্থসহ জেল আবরণীতে আবদ্ধ করে কৃত্রিম বীজ তৈরি করা যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘ড. তৌফিক ‘M’…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”