A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘ড. ‘X’ গবেষণাগারে…’ সিলেট বোর্ড ২০১৯ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১১তম অধ্যায় — জীবপ্রযুক্তি🔢 সৃজনশীল নং ১০🏫 বোর্ড সিলেট বোর্ড📅 সাল ২০১৯⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

ড. ‘X’ গবেষণাগারে বীজ ছাড়াই A উদ্ভিদের অসংখ্য চারা তৈরি করেন এবং ড. ‘Y’ B উদ্ভিদে বিটা ক্যারোটিন এবং আয়রন তৈরির জিন সংযুক্ত করে নতুন জাত তৈরি করেন।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্ভিদের যেকোনো বিভাজনক্ষম অঙ্গ থেকে পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদ তৈরি হওয়ার ক্ষমতাই হলো টটিপোটেন্সি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ব্যাক্টেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে মূল ক্রোমোসোম ছাড়াও যে বৃত্তাকার দ্বিসূত্রক DNA অণু থাকে তাকে প্লাসমিড বলে।জিন প্রকৌশলে কাঙ্ক্ষিত DNA-এর প্রয়োজনীয় অংশ বহন করার জন্য একটি বাহক ভেক্টর নির্বাচন করা হয়।সাধারণত প্লাজমিডকে এ কাজে ব্যবহার করা হয়। এজন্য প্লাজমিডকে ভেক্টর বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে বর্ণিত A উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি হলো টিস্যু কালচার প্রযুক্তি। কৃষির উন্নয়নে টিস্যু কালচার প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপক।

উদ্ভিদের যেকোনো বিভাজনক্ষম অঙ্গ থেকে  বিচ্ছিন্ন করা কোনো টিস্যু সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত  অবস্থায় উপযুক্ত পুষ্টি মাধ্যমে বৃদ্ধিকরণ  করাকে টিস্যু কালচার বলে।  টিস্যু কালচার এর মাধ্যমে একটি উদ্ভিদ বা উদ্ভিদাংশ হতে স্বল্প সময়ের মধ্যে একই বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন বহু চারা সৃষ্টি করা যায়। সহজে রোগমুক্ত, বিশেষ করে ভাইরাসমুক্ত চারা উৎপাদন করা সম্ভব।  ঋতুভিত্তিক চারা উৎপাদনের বাধ্যবাধকতা হতে মুক্ত হওয়া যায় । ফলে সারা বছর ইচ্ছেমত ফসল উৎপাদন করা যাচ্ছে।  সঠিক বীজ সংগ্রহ ও মজুত করার সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা যায়।নীরোগ ও সুস্থ বীজ থাকার  কারণে ফলন ভালো হয়।  কলমে অক্ষম উদ্ভিদের চারা উৎপাদন করা যায় ।অল্প পরিসরে অধিক চারা উৎপাদন।উদ্ভিদের যে কোনো টিস্যু থেকে চারা উৎপাদন। অতি সস্তায় বাণিজ্যিকভাবে চারা উৎপাদন। বিদেশী জাতের উদ্ভিদ থেকে দেশী আবহাওয়া উপযোগী জাত সৃষ্টি করা।ফলে উদ্ভিদের মধ্যে বৈচিত্র্যের সৃষ্টই হয়।  যে সমস্ত উদ্ভিদ বীজের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে না সেগুলোর চারা প্রাপ্তি ও স্বল্প খরচে দ্রুত সতেজ অবস্থায় স্থানান্তর করা যায়।বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ পুনঃউৎপাদন ও সংরক্ষণ করতে টিস্যু কালচার নির্ভরযোগ্য প্রযুক্তি সুতরাং বলা যায়, কৃষিক্ষেত্রে টিস্যু কালচার এর অবদান অনস্বীকার্য ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

B উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি হলো রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি যা বর্তমানে চিকিৎসা ক্ষেত্রে এবং অপরাধ দমনে ব্যাপকভাবে।

কোনো জীবকোষ থেকে সুনির্দিষ্ট জিন নিয়ে অন্যকোনো জীবকোষে স্থাপন ও কর্মক্ষম করা বা নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টির জন্য কোনো জীবের DNA-তে পরিবর্তন ঘটানোকে রিকম্বিনেন্ট DNA বা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলা হয়।

চিকিৎসাক্ষেত্রে এর ভূমিকা নিচে উল্লেখ করা হলো -

১)এ প্রযুক্তি দ্বারা ইন্টারফেরনস তৈরি করা যায়। ২)এর মাধ্যমে ইনসুলিন তৈরি করা যায়। 

৩) টিস্যু প্লাসমিনোজেন অ্যাকটিভেটর তৈরি করা যায়। ৪) ইরিথ্রোপোইটিন তৈরি করা যায়।

৫)জিন থেরাপি করা যায়। ৬) এটি দ্বারা ভাইরাস-এর অ্যান্টিজেন তৈরি জিন TMV-এর মাধ্যমে তামাক গাছে প্রবেশ করিয়ে তামাককে হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন উপযোগী করা হয়েছে। 

৭)  এর মাধ্যমে ভূট্টাতে ওরাল ভ্যাকসিন উৎপাদন করা হচ্ছে।

৮) এ প্রযুক্তির মাতৃগর্ভের কোনো শিশু অস্বাভাবিকতা নিয়ে জন্মাচ্ছে কিনা তা নিরূপণ করা যায়।আবার, রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলো DNA সিকুয়েন্সিং বা জিনোম সিকুয়েন্সিং। এ পদ্ধতি অপরাধী খুঁজতে ও শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অপরাধ সংঘটনের স্থান থেকে কোনো জীবজ নমুনা পেলে জিনোম সিকুয়েন্সিং করে সন্দেহভাজন ব্যক্তির জিনোম সিকুয়েন্সিং এর সাথে তুলনা করে প্রকৃত অপরাধীকে শনাক্ত করা হয়। 

সুতরাং বলা যায় , চিকিৎসাক্ষেত্রে এবং অপরাধ দমনে রিকম্বিনেন্ট DNA এর ব্যবহার অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘ড. ‘X’ গবেষণাগারে…’ সিলেট বোর্ড ২০১৯ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”