A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘দানব মরে না…’ a – সুচেতনা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ১২তম অধ্যায় — সুচেতনা🔢 সৃজনশীল নং ৩🏢 প্রতিষ্ঠান a⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

দানব মরে না যদি, আমিও প্রস্তুত

আমার রক্তেও আছে আরো অভিযান;

…………………………………………………………

দুঃশাসনের আমি মৃত্যুদূত

যত দিন লেলিহান বিশাল শৃঙ্খল

আমার মুক্তির তৃষ্ণা তুফান উত্তল।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'নির্জন' শব্দের অর্থ জনহীন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ 'সে অনেক শতাব্দীর মনীষীর কাজ' বলতে কবি বোঝাতে চেয়েছেন- পৃথিবীর ক্রমমুক্তি একক দিনে সম্ভব নয়। সেটি বহু যুগের সাধনা ও পরিশ্রমের কাজ।

➤ যুগে যুগে মহামানবরা এ পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে রেখে যাওয়ার জন্য সাধনা ও পরিশ্রম করে গেছেন। এমনকি পৃথিবীর মঙ্গল কামনা করে জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। তাদের মেধা, মনন ও ভালোবাসা দিয়ে তিল তিল করে গড়ে তুলেছেন এ পৃথিবীকে। এজন্যই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। 

সারকথা: প্রশ্নোক্ত চরণে কবি পৃথিবীকে সুন্দর করে গড়ার পেছনে মহামানবদের যুগযুগান্তরের সাধনার কথা বুঝিয়েছেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ উদ্দীপকটি 'সুচেতনা' কবিতায় প্রকাশিত পৃথিবীর বৈরী অবস্থার বিরুদ্ধে সংগ্রামের দিকটি নির্দেশ করে।

➤ স্বার্থপরতার কারণে পৃথিবীতে আজ অশান্তি বিরাজ করছে। এর মাঝে রয়েছে সামাজিক বৈষম্য, শোষণ ও পীড়ন। একসময় প্রাণৈশ্বর্যে পূর্ণ পৃথিবী আজ ধূসর-উষর ধু-ধু মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। মানবিকতা এখানে লুণ্ঠিত, মনুষ্যত্ব তিরোহিত। মানবিক বোধের উন্মেষ ঘটানো ছাড়া এটি থেকে পরিত্রাণের পথ নেই।

➤ উদ্দীপকে সব অন্যায়, দুঃশাসন, দানবিকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। সমস্ত বিশৃঙ্খলা থেকে কবি এ পৃথিবীকে মুক্ত করতে চান। যার জন্য কবি অভিযান চালাতে প্রস্তুত। এ দিকটি 'সুচেতনা' কবিতায়ও উঠে এসেছে। কবি বর্তমান যুদ্ধবিদ্ধস্ত পৃথিবীর অস্থিরতা, হিংসা, হত্যা, ঘৃণা এবং ধ্বংসযজ্ঞের ব্যাপকতা দেখে আহত হয়েছেন। পৃথিবীকে এই গভীরতর অসুখ থেকে তিনি মুক্ত করতে চান। এজন্য তিনি মানবিক হতে চেয়েছেন। কারণ তিন জানেন এ পৃথিবীর কাছে আমরা সবাই ঋণী। এ পৃথিবীকে যেকোনো মূল্যে বাঁচাতে হবে। এজন্য তিনি মানবিকতার নতুন ভোরের আশা করেছেন। আর তা তখনই সম্ভব হবে যখন মানুষের মাঝে সুচেতনা জাগ্রত হবে। 

সারকথা: 'সুচেতনা' কবিতায় যুদ্ধবিধ্বস্ত পৃথিবীতে মানবিকতার ভোরের যে প্রত্যাশা করা হয়েছে উদ্দীপকটি সেই দিকটি নির্দেশ করেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ উদ্দীপকটি 'সুচেতনা' কবিতার সম্পূর্ণ ভাবের প্রকাশক হয়ে উঠতে পারেনি- মন্তব্যটি যথার্থ।

➤ আমরা সবাই চাই সুখী-সমৃদ্ধ এক মানবিক বিশ্ব। কিন্তু কিছু স্বার্থবাদী মানুষ হীন উদ্দেশ্যে পৃথিবীকে অস্থির করে তুলেছে, ঠেলে দিচ্ছে ধ্বংসের দিকে। আমাদের সম্মিলিত চেষ্টা ও মানবিক চেতনার বিকাশই পারে পৃথিবীকে রক্ষা করতে।

➤ উদ্দীপকে পৃথিবীর সব অসংগতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কথা বলা হয়েছে। কবি যত দানবিকতা, দুঃশাসন, বৈষম্য, বিশৃঙ্খলা সবকিছু থেকে এই বিশ্বকে মুক্ত করতে চান, 'সুচেতনা' কবিতায়ও এই দিকটি প্রকাশিত হয়েছে। 'সুচেতনা' কবিতায় কবি সুচেতনাকে বলেছেন এক দূরতর নির্জন দ্বীপ। যেখানে পড়ে রয়েছে কবির মন। কবি সমকালীন যুদ্ধবিগ্রহ, হানাহানি, রক্তপাতসহ পৃথিবীর নানা অসংগতি দেখে সেটিকে গভীরতর অসুখ বলে আখ্যায়িত করেছেন। কবি জানেন, এটি থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হলো মনীষীদের মতো সাধনা, যা তাঁরা শতাব্দীর পর শতাব্দী করে গেছেন। তবে এটি আলোচ্য কবিতার একটি দিকের প্রকাশমাত্র। এছাড়াও আলোচ্য কবিতায় অন্যান্য বিষয় ও ভাবের অবতারণা ঘটেছে।

➤ উদ্দীপকটি শুধু অসংগতির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার কথা বলে, যা 'সুচেতনা' কবিতার একটি অংশ। এছাড়াও আলোচ্য কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে অমানবিকতা, মনুষ্যত্বহীনতা, পীড়নকারী বা হত্যাকারীর চরিত্র, পৃথিবীর কাছে মানুষের ঋণ, মহামানবদের সাধনা, সর্বোপরি নতুন ভোরের প্রত্যাশা। এসব বিষয় উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। 

সারকথা: উদ্দীপকে পৃথিবীর নানা অসংগতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কথা বলা হয়েছে যা 'সুচেতনা' কবিতার একটি দিক মাত্র। কবিতার অন্যান্য বিষয় ও ভাব উদ্দীপকে অনুপস্থিত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘দানব মরে না…’ a – সুচেতনা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”