A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘দেশের বিভিন্ন প্রান্ত…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৪ – লালসালু, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — লালসালু🔢 সৃজনশীল নং ৫৭🏫 বোর্ড বরিশাল বোর্ড📅 সাল ২০২৪⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন ঢাকা শহরে শত শত মানুষ আসে। কখনো ট্রেনের ছাদে চড়ে, কখনো, বাসে ঝুলতে ঝুলতে, কখনো লঞ্চে আসতে গিয়ে লঞ্চ ডুবে যায়, এভাবেই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রান্তিক জীবনধারার মানুষ আসে। উত্তর বঙ্গে মঙ্গার সময় মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে, দক্ষিণ বঙ্গে বন্যা, নদীভাঙ্গন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে পিঁপড়ার সারির মতো মানুষ আসে। সকলেরই উদ্দেশ্য একটু খেয়ে-পরে বাঁচবার। দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী এসব মানুষের চোখে-মুখে দুর্ভিক্ষের ভয়াল ছাপ। সবারই ধারণা, রাজধানী ঢাকাতে যেতে পারলে অন্তত না খেয়ে মরব না। সে জন্যই তারা ঢাকায় আসে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মতলুব খাঁর গ্রামের নাম আওয়ালপুর।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

“শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি।"- উক্তিটিতে বোঝানো হয়েছে যে, খাদ্য না থাকলেও লোক দেখানো ধর্মচর্চায় কেউ কার্পণ্য করে না।
'লালসালু' উপন্যাসে লেখক যে এলাকার বর্ণনা দিয়েছেন সেখানকার মানুষ প্রচণ্ড অভাবী। এই অভাবের মধ্যেও তারা ধর্মচর্চা করে। ঘরে খাদ্য না থাকলেও সেই অঞ্চলের মানুষের মধ্যেও ধর্মচর্চায় কোনো কার্পণ্য নেই। তাদের মধ্যে সবাই যে খোদার ভয়ে ধর্মচর্চা করে ব্যাপারটা এমন নয়। কেউ কেউ ধর্মের নামে প্রতারণা ও ভন্ডামি করে। এই প্রতারকরাই ধর্মের আগাছা। এই দিকটি বোঝাতেই লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের মানুষগুলোর অবস্থা 'লালসালু' উপন্যাসের শস্যহীন জনবহুল অঞ্চল থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ার দিকটিকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
মানুষ তার অস্তিত্ব রক্ষার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করে। ফলে এর জন্য সে নিজের দেশ ত্যাগ করে অন্য দেশে পাড়ি জমাতেও প্রস্তুত থাকে। উদ্দেশ্য একটাই- পৃথিবীর বুকে যেকোনো মূল্যে নিজের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখা।
উদ্দীপকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন ঢাকা শহরে শত শত মানুষের আসার কথা বলা হয়েছে। যারা কখনো ট্রেনে করে, কখনো বাসে ঝুলে, আবার লঞ্চে আসতে গিয়ে কখনো ডুবেও মরে। এভাবে উত্তরবঙ্গ থেকে খরার সময় আর দক্ষিণ বঙ্গ থেকে বন্যা, নদীভাঙন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রভৃতি কারণে মানুষগুলো খেয়ে-পরে বাঁচতে ঢাকায় পাড়ি জমায়। 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের শস্যহীন জনবহুল অঞ্চল থেকেও এভাবেই মানুষ জীবিকা কিংবা অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদে ঝিমধরা রেলগাড়ি দিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। কেননা এখানে মানুষের তুলনায় শস্য খুবই স্বল্প। ফলে তারা দেশ ত্যাগ করে কেউ জাহাজের খালাসি, কেউ কারখানার শ্রমিক, আবার কেউবা মসজিদের ইমাম হয়। এদিক থেকে উদ্দীপকের মানুষের অবস্থা যেন 'লালসালু' উপন্যাসের এই মানুষগুলোর ছোটাছুটিকেই নির্দেশ করছে। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"যুগোপযোগী কর্মমুখী শিক্ষার অভাবেই প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষদের এই ছোটাছুটি।”- মন্তব্যটি যথার্থ।
আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষ পরনির্ভরতা কাটিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই আত্মনির্ভরশীল হতে পারে। কেননা যুগোপযোগী কর্মমুখী শিক্ষা তাকে জীবিকার অসংখ্য পথ তৈরি করে দেয়। আর যারা কর্মমুখী শিক্ষা অর্জনে পিছিয়ে থাকে তারা হয়ে পড়ে দিশেহারা এবং অস্তিত্ব রক্ষায় উদ্বিগ্ন।
উদ্দীপকে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের অসংখ্য মানুষের অন্তত একটু খেয়ে-পরে বেঁচে থাকার তাগিদে ঢাকা শহরের দিকে পিঁপড়ার মতো ছোটাছুটির কথা বলা হয়েছে। দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী এসব মানুষের চোখে-মুখে দুর্ভিক্ষের ভয়াল ছাপ। তাদের মতো একই অবস্থা আমরা 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের শস্যহীন জনবহুল অঞ্চলের মানুষদের মধ্যেও দেখি। সেখানে শস্যের চেয়ে টুপি বেশি আর ধর্মের আগাছা বেশি। ধর্মের শিক্ষাটাকে তারা অল্প বয়স থেকে গ্রহণ করলেও যুগোপযোগী কর্মমুখী শিক্ষার অভাবে আধুনিক যুগে তারা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামে অনেকটাই পিছিয়ে পড়ে। ফলে বাধ্য হয়ে তারা নিজ এলাকা ত্যাগ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জীবিকার তাগিদে ছড়িয়ে পড়ে, যা উদ্দীপকের মানুষগুলোর মধ্যেও দেখা যায়।
'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের অঞ্চলের মানুষগুলো পেটে ক্ষুধা নিয়েও খোদার প্রতি প্রগাঢ় বিশ্বাস থেকে বাল্যকাল থেকেই আমপাড়া মুখস্থ করে, কেউবা হাফেজ হয়। খোদার এলেমে তাদের পেট ভরে না, 'কারণ তাদের পেট শূন্য। আধুনিক কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ না করায় তারা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে জীবিকা অর্জনে ব্যর্থ হয়। আর সেই জন্যই প্রান্তিক অঞ্চলের এই মানুষগুলোর ছোটাছুটি, যা উদ্দীপকের মানুষগুলোর কর্মকাণ্ডেও ফুটে ওঠে। এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘দেশের বিভিন্ন প্রান্ত…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৪ – লালসালু, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”