A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৭ – জীবমণ্ডল, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ৯ম অধ্যায় — জীবমণ্ডল🔢 সৃজনশীল নং ১৯🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৯

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বৃহৎ এলাকাব্যাপী গড়ে ওঠা ইকোসিস্টেমই বায়োম। যেমন- তুন্দ্রা বায়োম।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পৃথিবীর সর্বত্র জীবমণ্ডলীয় পরিবেশ একই রকম হয় না। কারণ জীবেরা কোথাও সমুদ্রে, কোথাও নদী, হ্রদ বা পুকুরে বসবাস করছে, আবার কখনও কখনও বায়ুমণ্ডলে, বৃষ্টিবহুল গভীর বনাঞ্চলে বা মরুভূমিতে বাস করছে। কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় সকল সজীব উপাদানসমূহের এবং তার সাথে সেই স্থানের পরিবেশের সকল অজীব উপাদানসমূহের পারস্পরিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়াকে একত্রে ইকোসিস্টেম বা বাস্তুতন্ত্র বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

চিত্রের 'খ' অঞ্চলটি স্রোতজ বনভূমি। বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাংশে সমুদ্র উপকূলের লবণাক্ত ও জোয়ার-ভাটাপূর্ণ, শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক (Physiologically dry) নিবাসের উদ্ভিজ্জকে স্রোতজ বনভূমি বলে। এ বনভূমি সুন্দরবন নামেও পরিচিত।
এ অঞ্চলে প্রতিবছর বর্ষাকালে নতুন পলি পড়ে, ফলে কিছু এলাকার লবণাক্ততা হ্রাস পায় এবং স্থান বিশেষে লবণাক্ততা কম বেশি হয়। এ কারণে বিভিন্ন প্রকার গাছের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। জৈব সারের পরিমাণ বেশি হওয়ার কারণেও এখানে বিভিন্ন ধরনের বৃক্ষ জন্মে থাকে। প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার জন্য এখানকার গাছগুলোর কিছু অভিযোজনিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত, পরিমিত তাপমাত্রা, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লবণাক্ত পানির প্রভাব স্রোতজ বনভূমি গড়ে ওঠার প্রধান কারণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

চিত্রে প্রদর্শিত 'ক' ও 'খ' অঞ্চল যথাক্রমে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সুন্দরবন। অঞ্চল দুটির বনভূমির পরিবেশগত পার্থক্য নিচে তুলে ধরা হলো- পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল বেলেপাথর ও কর্দম দ্বারা গঠিত। এখানে ৩৪০ সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ৩০০ সেন্টিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিযুক্ত অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ যেমন: গর্জন, মেহগনি ইত্যাদি এবং কম বৃষ্টিযুক্ত অঞ্চলে পতনশীল পত্রযুক্ত যেমন: সেগুন, অর্জুন, গামারি ইত্যাদি বৃক্ষের বনভূমি পরিলক্ষিত হয়। এই অঞ্চলের মাটিতে হিউমাস-এর পরিমাণ অধিক থাকে।

অপরদিকে, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে সমুদ্র উপকূলের লবণাক্ত ও জোয়ার ভাটাপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক (Physiologically dry) নিবাসের উদ্ভিজ্জকে স্রোতজ বনভূমি বলে। এটি সুন্দরবন নামে পরিচিত। এ বনভূমিতে সমুদ্রের জোয়ার ভাটা ও লবণাক্ত পানির প্রভাব, পরিমিত তাপমাত্রা, প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত (২০০-৩০০ সেন্টিমিটার) পরিলক্ষিত হয়। সুন্দরবনে সুন্দরী, গরান, ধুন্দল, গেওয়া, গোলপাতা, কেওড়া ইত্যাদি বৃক্ষ জন্মে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৭ – জীবমণ্ডল, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”