A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৭ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — পরিপাক ও শোষণ🔢 সৃজনশীল নং ৬🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রাণিদেহে ভক্ষনকৃত জটিল অদ্রবণীয় ও কঠিন খাদ্যবস্তু সরল, দ্রবণীয় ও তরল খাদ্যসারে পরিণত হয়ে শোষণ ও আত্তীকরণের উপযোগী উপাদানে পরিণত হয় তাই হলো পরিপাক।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে গ্রন্থি একই সাথে বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে তাকে মিশ্রগ্রন্থি বলে। যেমন: অগ্ন্যাশয়। এটা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামক কোষগুচ্ছ থেকে বিভিন্ন হরমোন যেমন- ইনসুলিন, গ্লুকাগন ক্ষরণ করে। আবার বহিঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে বিভিন্ন পরিপাককারী এনজাইম (যেমন- ট্রিপসিন, লাইপেজ ইত্যাদি) ক্ষরণ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের D হলো ক্ষুদ্রান্ত্র। পরিপাক ক্রিয়ায় D বা ক্ষুদ্রান্ত্র দুইভাবে কাজ করে। যথা: পরিপাক এনজাইম নিঃসরণ ও পরিপাক সম্পন্ন করা এবং শোষণ সম্পন্ন করা।

ক্ষুদ্রান্ত্র হতে শর্করা, লিপিড ও প্রোটিনজাতীয় খাদ্যের পরিপাকের এনজাইম ক্ষরিত হয়। শর্করা পরিপাকের প্রধান এনজাইম হলো অ্যামাইলেজ, মল্টেজ ও সুক্রেজ। এগুলো জটিল শর্করাকে সরল শর্করায় পরিণত করে। লিপিড পরিপাকের এনজাইম হলো লাইপেজ, ফসফোলাইপেজ ইত্যাদি। এরা লিপিডকে ভেঙ্গে ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে। প্রোটিন পরিপাকের এনজাইম হলো অ্যামিনোট্রিপসিন, ট্রাইপেপটাইডেজ, ডাইপেপটাইডেজ ইত্যাদি। এরা পেপটোনকে ভেঙ্গে অ্যামিনো এসিড মুক্ত করে।

ক্ষুদ্রান্ত্রের অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো পরিপাককৃত খাদ্যের শোষণ। ভিলাইয়ে অবস্থিত ল্যাকটিয়াল ও কৈশিক জালিকা সরল শর্করা, স্নেহ ও অ্যামিনো এসিড শোষণ করে রক্তের মাধ্যমে যকৃতে প্রেরণ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে A হলো পাকস্থলি যেখানে গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি অবস্থিত, B হলো পিত্তথলি এবং C হলো অগ্ন্যাশয়। পাকস্থলির গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি নিঃসৃত রসে HC1, রেনিন এবং পেপসিনোজেন এনজাইম থাকে। HC1 এর ক্রিয়ায় সৃষ্ট অম্লীয় পরিবেশে উক্ত এনজাইম ক্রিয়াশীল হয়। ফলে পাকস্থলিতে আগত খাদ্যবস্তু ক্ষুদ্র অংশে বিশ্লিষ্ট হয়। পাকস্থলি হতে পরিপাক বা অর্ধপরিপাককৃত খাদ্য পাইলোরিক স্ফিংকটার দিয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবেশ করে। ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে অগ্ন্যাশয় নিঃসৃত সিক্রেটিন বা প্যানক্রিয়-জাইমেজ এনজাইম পাইলোরিক স্ফিংটার পেশীর সংকোচন নিয়ন্ত্রন করে এবং পিত্তরস ক্ষরণে যকৃতকে উদ্দীপনা জোগায়। পিত্তরসের প্রভাবে ক্ষারীয় পরিবেশে অগ্ন্যাশয় ও আন্ত্রিক গ্রন্থি নিঃসৃত এনজাইমসমূহ ক্রিয়াশীল হয়। কাজেই দেখা যাচ্ছে পরিপাক একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া যা পাকস্থলি, যকৃত ও অগ্ন্যাশয়ের সমন্বিত প্রভাবে সম্পন্ন হয়। যেকোনো একটির অভাবে অন্যটির কাজ ব্যাঘাত ঘটে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৭ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”