A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৮ – ভূমিরুপ পরিবর্তন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — ভূমিরুপ পরিবর্তন🔢 সৃজনশীল নং ৬🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০১৮⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ উত্তপ্ত ও গলিত অবস্থায় রয়েছে। এ সকল উত্তপ্ত বস্তুর মধ্যে তাপ ও চাপের পার্থক্য হলে ভূত্বকে যে আলোড়ন ঘটে তাকে ভূআলোড়ন বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উত্তাপের তারতম্য যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবনের অন্যতম কারণ।
দিনরাত্রির উষ্ণতা ও ঋতুভেদে উষ্ণতায় যে তারতম্য হয় তার কারণে শিলাসমূহ অসমভাবে প্রসারিত ও সংকুচিত হয়। শিলার এ সংকোচন প্রসারণের ফলে শিলাসমূহ চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়। এভাবে উত্তাপের পার্থক্যের যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন সংঘটিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলটি হলো পার্বত্য অঞ্চল যেখানে যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিচূর্ণীভবন সংঘটিত হয়।
বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক শক্তিসমূহের দ্বারা শিলাস্তর ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ হওয়াকে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন বলে।
পার্বত্য অঞ্চলে তুষার, বরফ, বৃষ্টিপাত, শিলাস্তরের চাপ প্রভৃতি কার্যের ফলে কখনো কখনো শিলাসমূহ ফেটে খন্ডবিখন্ড হয়। উচ্চ পর্বতগাত্র হতে শিলাখন্ড ভেঙে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে নিচে পড়ার সময় সেই খণ্ডিত শিলার সংঘর্ষে পর্বতগাত্রের অন্যান্য শিলাখন্ড ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়। আবার মরু অঞ্চলে বছরের বিভিন্ন ঋতুতে এবং দিনরাত্রির বিভিন্ন সময়ে তাপের যথেষ্ট পার্থক্য ঘটে। এ পার্থক্যের কারণে শিলাস্তরের সংকোচন ও সম্প্রসারণের ফলে শিলাসমূহ ভেঙে খণ্ডবিখণ্ড হয়। এভাবে পার্বত্য অঞ্চলে যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিচূর্ণীভবন সংঘটিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো পার্বত্য অঞ্চল এবং 'খ' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো মালভূমি অঞ্চল। এ দুটি অঞ্চলের গঠনগত ভিন্নতার পাশাপাশি জলবায়ুগত তারতম্যও পরিলক্ষিত হয়।
প্রাকৃতিকভাবে গঠিত প্রকৃতির প্রতিটি উপাদান সংশ্লিষ্ট অঞ্চলেই ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ু বিরাজ করে। পার্বত্য অঞ্চলে যে জলবায়ু' বিরাজ করে মালভূমি অঞ্চলে সে একই জলবায়ু বিরাজ করে না। পর্বতের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে পার্বত্য অঞ্চলের জলবায়ু গঠিত হয়। পর্বত বায়ুর গতি, তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত নিয়ন্ত্রণ করে। যেমন- পর্বতময় অঞ্চলে বেশিরভাগ শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ার বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয়। মধ্য এশিয়ায় শীতল বায়ু শীতকালে হিমালয় পর্বতে বাধা পায় বলে বাংলাদেশ ও ভারতে বৃষ্টিপাত প্রবল হতে পারে না। আবার পার্বত্য অঞ্চলের উপরিভাগে বায়ু খুব হালকা, ধূলি ও পানিযুক্ত হয়। এমন অবস্থায় তাপ দ্রুত বিকিরণ হয় তাই পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা কম থাকে। ভূমির বন্ধুরতা এবং জলবায়ুর প্রতিকূল অবস্থার কারণে এখানে মানুষের বসতি কম।
অন্যদিকে মালভূমি অঞ্চলে ভিন্ন প্রকৃতির জলবায়ু বিরাজ করে। মালভূমির জলবায়ু সাধারণত নাতিশীলতোষ্ণ বা শীতল হয়ে থাকে। তবে পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমির মধ্যে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু প্রবেশ করতে পারে না। তাই সে অঞ্চলে বেশি বৃষ্টিপাত হয় না। ফলে কৃষিকাজ ব্যাহত হয় এবং কম জনবসতি লক্ষ করা যায়।
তাই বলা যায়, পার্বত্য অঞ্চল ও মালভূমি অঞ্চলের অর্থাৎ ক ও খ অঞ্চলের জলবায়ুগত তারতম্য বিদ্যমান।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৮ – ভূমিরুপ পরিবর্তন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”