A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৯ – মানব জীবনের ধারাবাহিকতা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৯ম অধ্যায় — মানব জীবনের ধারাবাহিকতা🔢 সৃজনশীল নং ১২🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০১৯⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৯

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জোনা পেলুসিডাকে বেষ্টন করে বিকীর্ণ রশ্মির মত ফলিকুলার কোষের স্তর থাকে। ফলিকুলার কোষ নির্মিত এই আবরণ কে করোনা রেডিয়েটা বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ভ্রন ও মাতৃ দেহে বিভিন্ন বস্তু বিনিময়ের নিমিত্তে ভ্রুণকলা ও মাতৃকলা মিলে যে বিশেষ অঙ্গ গঠন করে তাকে অমরা বা প্লাসেন্টা বলে। 

আমরা হল একটি ফিটোমেটারনাল (foeto-maternal)অঙ্গ। অমরার মাধ্যমে ফিটাস ও মাতৃ দেহের মধ্যে বিভিন্ন বস্তুর আদান-প্রদান ঘটে। যেমন -  মাতা থেকে ফিটাসে অক্সিজেন, গ্লুকোজ, এমিনোএসিড, লিপিড,  গ্লিসারোল, ভিটামিন, বিভিন্ন ধরনের আয়ন, অ্যালকোহল, নিকোটিন, ভাইরা,  এন্টিবডি ইত্যাদি প্রবাহিত হয়। আবার ফিটাস থেকে মাতাতে কার্বন ডাই অক্সাইড ইউরিয়া ও অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ আদান-প্রদান হয়।  এ সকল কারণে অমরাকের জৈব সেতু বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

 চিত্র "Y" হল মানব শুক্রাণু।  নিম্নে এর গঠন ব্যাখ্যা করা হলো -

 মানবদেহের সবচেয়ে ছোট কোষ হল শুক্রাণু। 

মানুষের শুক্রাণুর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০-৭০ মাইক্রোমিটার এবং ব্যাস ২.৫ মাইক্রোমিটার। 

শুক্রাণুর দেহ চারটে অংশ নিয়ে গঠিত - 

১)মাথা: মাথা হচ্ছে শুক্রানুর সামনের অংশ যা দেখতে স্ফিতাকার, কোনাকার বা লেন্সের মত। এর মাথা  একটি পাতলা সাইটোপ্লাজমের স্তরে আবৃত থাকে যার অধিকাংশ জুড়ে থাকে একটি ডিম্বাকার নিউক্লিয়াস। নিউক্লিয়াস কে ঢেকে থাকে এক্রোসোম। 

২)গ্রীবা: গ্রীবা হচ্ছে শুক্রানুর মাথার ঠিক পেছনে মাথা ও মধ্যখন্ডের মাঝখানে অবস্থিত একটি সংকীর্ণ স্বচ্ছ সংযোগস্থল। এখানে পরস্পরের সাথে সমকোণে দুটি সেন্ট্রিওল থাকে। 

৩)মধ্যা খন্ড: সাইটোপ্লাজ,  মাইটোকন্ড্রিয়া ও অক্ষিও সূত্রে গঠিত অংশটি হচ্ছে শুক্রানুর মধ্যখন্ড।  এর মধ্যে মাইটোকন্ড্রিয়ার অংশই বেশি। এটি ফ্লাজলাম সঞ্চালনের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান দেয়। 

৪)লেজ বা ফ্ল্যাজেলাম : এটি শুক্রানুর দীর্ঘতম অং।  এতে অক্ষীয় সূত্রের একাংশ স্থুল  আবরণে আবৃত থাকে বাকি অংশ থাকে অনাবৃত। এদের যথাক্রমে মূলখণ্ড ও শেষ খন্ড বলা হয়। ফ্ল্যাজেলাম শুক্রানুকে গতিশীল করে নিষেকের উদ্দেশ্যে ডিম্বাণুর কাছে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  

এভাবে একটি শুক্রাণু গঠিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জীবজগতে 'X' ও 'Y' এর মিলন প্রক্রিয়াটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকের "X" ও "Y"এর মিলন প্রক্রিয়াটি হল নিষেক,জীবজগতে যার গুরুত্ব অপরিসীম । 

পরিণত শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন প্রক্রিয়াকে নিষেক বলে। এই প্রক্রিয়ায় শুক্রাণু ও ডিম্বাণু মিলিত হয়ে তাদের হ্যাপ্লয়েড(n) ক্রোমোজোমবাহী নিউক্লিয়াসের মিলন ঘটিয়ে ডিপ্লয়েড (2n) ক্রোমোজোমবাহী জাইগোট  গঠন করে। মানুষের নিষেক অন্তঃনিষেক ধরনের এবং তা সাধারণত ফেলোপিয়ান নালি বা ডিম্বনালির উর্ধাংশে সংঘটিত হয়। 

ডিম্বাণু ও শুক্রাণু নিউক্লিয়াসকে যথাক্রমে পুরুষ ও স্ত্রী প্রো-নিউক্লিয়াই বলে। নিম্নে নিষেকের গুরুত্ব বা তাৎপর্য তুলে ধরা হলো -

১) নিষেক পিতা মাতার বৈশিষ্ট্যকে সমন্বিত করে। 

২) নিষেক জীবের বংশ রক্ষার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে। 

৩) নিষেকের ফলে জাইগোটে জিনের নতুন সমন্বয় এবং এতে প্রকরণের সূচনা ঘটে। 

৪) নিষেকের ফলে ডিম্বাণু পরবর্তী পর্যায়ে বৃদ্ধির জন্য প্রস্তুত হয়।  

৫) নিষেকের ফলে ডিপ্লয়েড সংখ্যা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। 

৬) নিষেধ ডিম্বাণুর বিপাক হার ও প্রোটিন সংশ্লেষণ হার বৃদ্ধি করে।  

ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিষেক দ্বারা সম্পন্ন হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৯ – মানব জীবনের ধারাবাহিকতা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”