A. Nayanㅤ
A. Nayan
10 Oct 2026 (3 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৯ – অর্থনৈতিক রসায়ন, রসায়ন, রসায়ন ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই রসায়ন📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ রসায়ন🧩 অধ্যায় ৫ম অধ্যায় — অর্থনৈতিক রসায়ন🔢 সৃজনশীল নং ১৩🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০১৯⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৫

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বিয়ার ল্যাম্বার্টের সূত্রটি হলো- কোনো দ্রবণে আপতিত রশ্মির নির্গত অংশের তীব্রতা হ্রাসের হার শোষক মাধ্যমের পুরুত্ব এবং দ্রবণের ঘনমাত্রার সমানুপাতিক। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

রেসিমিক মিশ্রণ হচ্ছে দুটি এনানশিওমারের সমমোলার মিশ্রণ যাতে d ও 1 যৌগসমূহ যেমন ল্যাকটিক এসিডের ক্ষেত্রে d-ল্যাকটিক এসিড ও 1-ল্যাকটিক এসিড সমপরিমাণে মিশ্রিত থাকে। যার ফলে এক সমতলীয় আলোর ক্ষেত্রে এদের একটি আলোর তলকে যে পরিমাণে ঘুরায়, অন্যটি একই পরিমাণে বিপরীত দিকে ঘুরায়। এতে ঘূর্ণাবর্তন এর মান শূন্য হয়ে যায়। তাই এনানশিওমারদ্বয়ের সমআণবিক মিশ্রণের কোনো আলোক সক্রিয়তা থাকে না।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত ৩নং শিল্পের উপাদান হলো পুরানো জাহাজের স্ক্র্যাপ। যা থেকে পরবর্তীতে লোহা রিসাইকেল করা যায়। প্রধানত ৩টি ধাপে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়। এই তিনটি ধাপ হচ্ছে-
ক. শিপ ব্রেকিং
খ. পৃথকীকরণ এবং ক্ষুদ্রাংশকরণ
গ. গাঁট বাঁধা ও গলন

নিম্নে এসব ধাপগুলোর বর্ণনা করা হলো:
i. শিপ ব্রেকিং: শিপ ব্রেকিং শিপ ইয়ার্ডে সম্পন্ন করা হয়। শক্তিশালী চেইন ক্যাবল ব্যবহার করে জাহাজ শিপ ইয়ার্ডে আনা হয়। প্রথমে জাহাজ থেকে তেল ও বিভিন্ন ক্ষতিকারক কেমিক্যাল দূর করা হয়।

তারপর জাহাজটিকে বিভিন্ন যান্ত্রিক উপায়ে ছোট ছোট টুকরায় পরিণত করা হয়।
ii. পৃথকীকরণ এবং ক্ষুদ্রাংশকরণ: সংগৃহীত ধাতুর টুকরাসমূহ থেকে
মাটি, কাদা মরিচা অপসারণের পর এদের পৃথকীকরণ সম্পন্ন করা হয়। পৃথকীকরণ প্রক্রিয়ায় লোহা, স্টিল ও লৌহজাত বস্তুকে অন্যান্য ধাতু বা বস্তু থেকে আলাদা করা হয়। এক্ষেত্রে চুম্বকের ব্যবহার করে লোহা এবং স্টিলজাত বস্তুকে অ্যালুমিনিয়াম থেকে পৃথক করা হয়। অধিকাংশ পুনঃচক্রায়ন কেন্দ্রে বিপুল পরিমাণ স্ক্র্যাপকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে পরিণত করে আয়তন হ্রাস করা হয়। এ
প্রক্রিয়াকে ক্ষুদ্রাংশকরণ বলা হয়।
iii. গাঁট বাঁধা ও গলন: লৌহজাত পদার্থগুলোকে এ ধাপে গাঁট বাঁধা
প্রক্রিয়ায় আনায়ন করা হয়। গাঁট বাঁধনের ফলে পদার্থসমূহের পরিবহন সহজতর হয়। গাঁট বাধাইকৃত ব্লকসমূহকে চুল্লিতে ফেলে 1537°C তাপমাত্রায় গলিত লোহাকে ছাঁচে ঢালাই করে ইনগটে রূপান্তর করা হয়।

ধাতুর ইনগটগুলো ঠাণ্ডা হলে কঠিন রূপ ধারণ করে। এগুলো নতুন লৌহ বস্তু হিসেবে বিভিন্ন উপকরণ নির্মাণে ব্যবহার করা হয়। এদের মধ্যে রয়েছে, গাড়ির চেসিস, ধাতুর পাইপ, টিনের ক্যান, আসবাবপত্র, নির্মাণ সামগ্রী প্রভৃতি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত (১) নং শিল্পটি হলো ইউরিয়া শিল্প ও (২) নং শিল্পটি হল চামড়া শিল্প।
ইউরিয়া শিল্পের উৎপন্ন উপজাত ও বর্জ্য বিভিন্নভাবে পরিবেশের ক্ষতি করে।
ইউরিয়া উৎপাদনে পরিবেশগত সমস্যাগুলো নিম্নরূপ-

i. বিপুল পরিমাণ তরল বর্জ্যের সৃষ্টি: ইউরিয়া উৎপাদনের ক্ষেত্রে
প্রতিদিন প্রায় 200,000 m3  পানি ব্যবহৃত হয়। বর্জ্য পানির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো উচ্চ ঘনমাত্রার অ্যামোনিয়ার উপস্থিতি। অ্যামোনিয়া উৎপাদন প্ল্যান্ট থেকে উদ্ভুত বর্জ্য পানি অত্যন্ত ক্ষারকীয় হয়ে থাকে। পানিতে ইউরিয়ার বর্জ্য সরাসরি নিক্ষিপ্ত হলে সেটা-জলীয় পরিবেশ ইউট্রোফিকেশন বা অনাকাঙ্ক্ষিত শৈবালের উৎপত্তি ঘটায়। এসব শৈবালের জীবভাঙনে পানির দ্রবীভূত অক্সিজেন (DO) ব্যবহৃত হয়। ফলে, জলজ পরিবেশের দ্রবীভূত অক্সিজেন (DO) ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়।

ii. গ্যাসীয় দূষক: ইউরিয়া শিল্পে গ্যাসীয় দূষকসমূহের মধ্যে মিথেন, SO2,NO2,CO2  বস্তুকণা ও অ্যামোনিয়া অন্যতম।

অপরদিকে চামড়া শিল্পের দুষক সমূহ চামড়া প্রক্রিয়াজাত করণের সময় নির্গত হয়। ট্যানারি বর্জ্য সমূহ চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের বিভিন্ন ধাপে উৎপন্ন হয়।

অবিশোধিত ট্যানারি বর্জ্য জলীয় পরিবেশে নিম্নোক্ত প্রভাবসমূহ সৃষ্টি করে।

i. ট্যানারি সৃষ্ট তরল বর্জ্যে অতিরিক্ত মাত্রায় জৈব বস্তু যেমন, প্রোটিন, ফ্যাট সহ বিভিন্ন জৈব যৌগের উপস্থিতি রয়েছে। অণুজীব কর্তৃক এসব জৈব বস্তু ভাঙনে পানির দ্রবীভূত অক্সিজেন ব্যবহৃত হয়। ফলে, পানির দ্রবীভূত অক্সিজেন (DO) ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়।
ii. ট্যানারি বর্জ্যের উপাদানের মধ্যে পচনযোগ্য দ্রবীভূত পদার্থ (প্রোটিন, ফ্যাট প্রভৃতি) থাকে। এগুলোর ভাঙনে দুর্গন্ধযুক্ত পদার্থের সৃষ্টি করে।
iii. বর্জ্যের অম্লীয় প্রবাহ কংক্রিট ও ধাতু নির্মিত পাইপের ক্ষয়সাধন করে।
iv. বর্জ্য পদার্থে NaCl এর পরিমাণ এত বেশি থাকে, যা গ্রহণকারী জলাশয়ের পানিকে ব্যবহারের অনুপযোগী করে তোলে।
V. ট্যানারি বর্জ্যে প্যাথোজেনিক ব্যাকটেরিয়া থাকে। যা জলীয় পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
vi. বর্জ্যে দ্রবীভূত ক্রোমিয়াম জলজ প্রাণীর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই ক্রোমিয়াম জীবভাঙনযোগ্য নয় বলে এটি জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদের

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৯ – অর্থনৈতিক রসায়ন, রসায়ন, রসায়ন ২য় পত্র (এইচএসসি)”