| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৯ – উদ্ভিদ প্রজনন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১০
ইন্টারফেরন হলো ভাইরাস প্রতিরােধকারী, প্রােটিন জাতীয়, উচ্চ আনবিক ওজন সম্পন্ন রাসায়নিক পদার্থ ।
ডিম্বাণু ব্যতীত ভ্রূণথলির অন্য যে কোনো কোষ থেকে ভ্রৃণসৃষ্টির মাধ্যমে কার্যক্ষম বীজ উৎপন্ন হলে তাকে অ্যাপোগ্যামি বলে।এক্ষেত্রে নিষেক ছাড়াই ভ্রূণ সৃষ্টি হয়। Allium-এ এরূপ লক্ষ্য করা যায়।
উদ্দীপকে A হলো কর্মক্ষম স্ত্রীরেণু এবং B হলো ডিম্বাণু। কর্মক্ষম স্ত্রীরেণু থেকে ডিম্বাণু তৈরির প্রক্রিয়া হলো স্ত্রীগ্যামিটোফাইট। নিচে এটি ব্যাখা করা হলো-এক্ষেত্রে ডিপ্লয়েড স্ত্রীরেণু মাতৃকোষ হতে মায়োসিস প্রক্রিয়ায় চারটি হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু গঠিত হয়। যার মধ্যে উপরের তিনটি নষ্ট হয়ে যায় এবং নিচেরটি কার্যকরী থাকে। কার্যকরী স্ত্রীরেণু নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস বিভাজনের মাধ্যমে দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। নিউক্লিয়াস দুটি স্ত্রীরেণু কোষের দুই মেরুতে অবস্থান করে। প্রতিটি মেরুর নিউক্লিয়াস পরপর দুবার বিভাজিত হয়ে চারটি করে নিউক্লিয়াস গঠন করে। প্রতিটি নিউক্লিয়াস অল্প সাইটোপ্লাজম এবং হালকা প্রাচীর দিয়ে আবৃত থাকে । ইতোমধ্যে স্ত্রীরেণুকোষটি একটি দুইমেরুযুক্ত থলির ন্যায় অঙ্গে পরিণত হয় এবং এর প্রতি মেরুতে ৪টি করে মোট ৮টি নিউক্লিয়াস থাকে। এ অবস্থায় প্রতি মেরু হতে একটি করে নিউক্লিয়াস থলির মাঝখানে চলে আসে এবং পরস্পর মিলিত হয়, যাকে ফিউশন নিউক্লিয়াস বা সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াস বলা হয়।ভ্রূণথলির যে মেরু ডিম্বকরক্রের দিকে থাকে সে মেরুর তিনটি নিউক্লিয়াসকে একত্রে এগ অ্যাপারেটাস বা ডিম্বাণু যন্ত্র বা গর্ভযন্ত্র বলে। ডিম্বাণু যন্ত্রের মাঝখানের নিউক্লিয়াসটি বড় থাকে, একে এগ, ওভাম, ডিম্বাণু বা স্ত্রীগ্যামিট বলা হয়।
এভাবেই কর্মক্ষম স্ত্রীরেণু থেকে ডিম্বাণু তৈরি হয় ।
উদ্দীপকের B হলো ডিম্বাণু। ডিম্বাণু ছাড়াও উদ্ভিদের প্রজনন সম্ভব। যে প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ এক বা একাধিক উদ্ভিদ তৈরি করে, তাকে উদ্ভিদ প্রজনন বলে।তিনটি উপায়ে উদ্ভিদের প্রজনন ঘটে, যথা-যৌন জনন, অযৌন জনন ও অঙ্গজ জনন।শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলনে যে বংশবৃদ্ধি হয় সেটি যৌন জনন।শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন ছাড়া অন্য সব ধরনের বংশবৃদ্ধি প্রক্রিয়া হলো অযৌন জনন প্রক্রিয়া।কোনো ধরনের অযৌন রেণু বা জনন কোষ সৃষ্টি না করে দেহের অংশ খণ্ডিত হয়ে বা কোনো অঙ্গ রূপান্তরিত হয়ে যে জনন ঘটে তাকে অঙ্গজ জনন বলে। ডিম্বাণু ও শুক্রাণু ছাড়াও প্রজনন ঘটতে পারে অ্যাপোগ্যামির মাধ্যমে।
ডিম্বাণু ছাড়া ভ্রূণথলির অন্য যেকোনো কোষ যেমন- সহকারি কোষ, প্রতিপাদকোষ ইত্যাদি থেকে ভ্রণ সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে অ্যাপোগ্যামি বলে। এক্ষেত্রে নিষেক ছাড়াই ভ্রূণ সৃষ্টি হয়। অ্যাপোগ্যামিতে, গ্যামেটোফাইট নিষিক্তকরণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে বাইপাস করে এবং সরাসরি একটি স্পোরোফাইটে বিকশিত হয়। এটি বিভিন্ন কারণের কারণে ঘটতে পারে, যেমন নিষিক্তকরণের ব্যর্থতা বা গ্যামেটোফাইটের নির্দিষ্ট কোষের সক্রিয়করণ যা নিষিক্তকরণ ছাড়াই স্পোরোফাইটে বিকাশ করতে সক্ষম। কিছু ফার্ণ, শ্যাওলা, Allium ইত্যাদিতে অ্যাপোগ্যামি দেখা যায়।সুতরাং বলা যায়, ডিম্বাণু ছাড়াও প্রজনন ঘটতে পারে।