তড়িচ্চালক বল: পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য বজায় রাখতে একটা ব্যাটারি যে পরিমাণ পটেনশিয়াল তৈরি করে সেটাই তার তড়িচ্চালক বল।
একক দৈর্ঘ্য ও একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট পরিবাহীর রোধ হলো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় এর উপাদানের আপেক্ষিক রোধ। অপরদিকে যে পদার্থ যত বেশি বিদ্যুৎ পরিবাহী তার পরিবাহকত্ব তত বেশি, যেটা আপেক্ষিক রোধ এর ঠিক বিপরীত। অর্থাৎ,
১ম সমান্তরাল সমবায়ে তুল্যরোধ:
এখানে, ও রোধ তিনটি সমান্তরাল সমবায়ে সংযুক্ত। এদের তুল্যরোধ হলে,
এখানে,
রোধ,
রোধ,
রোধ,
২য় সমান্তরাল সমবায়ে তুল্যরোধ:
এখানে, ও রোধ দুটি সমান্তরাল সমবায়ে সংযুক্ত। এদের তুল্যরোধ হলে,
এখানে,
রোধ,
রোধ,
শ্রেণি সমবায়ে তুল্যরোধ:
এখানে, ও শ্রেণি সমবায়ে সংযুক্ত। এদের তুল্যরোধ R হলে,
সুতরাং, বর্তনীটির তুল্যরোধ
বর্তনীর মূল তড়িৎ প্রবাহ,
এখানে,
বর্তনীর বিভব পার্থক্য,
বর্তনীর তুল্যরোধ,
(‘গ’ নং হতে)
রোধের তড়িৎ প্রবাহঃ
‘গ’ নং হতে পাই,
ও এর তুল্যরোধ,
এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য,
এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য,
এর তড়িৎ প্রবাহ,
রোধের তড়িৎ প্রবাহ:
আবার ‘গ’ নং হতে পাই,
ও এর তুল্যরোধ,
এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য,
এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য,
এর তড়িৎ প্রবাহ,
যেহেতু,
সুতরাং, ও রোধের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুতের মান সমান হবে না।
