A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (1 day ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – জীবে প্রজনন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📘 ১০ম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নম্বর: ১৪🏫 বোর্ড: ঢাকা শিক্ষা বোর্ড📅 সাল: ২০২৩⭐ গুরুত্ব: ⭐⭐⭐⭐⭐

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

যৌন প্রজননে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলনই হলো নিষেক।

উত্তর:

যৌন প্রজননে দুটি বিপরীতধর্মী জনন কোষের মিলন ঘটে, এদের একটি পুংজনন কোষ ও অপরটি স্ত্রীজনন কোষ। যেসব উদ্ভিদে এ দুই ধরনের জনন কোষ একই দেহে সৃষ্টি হয় তাদের সহবাসী উদ্ভিদ বলে। জবা ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই উপস্থিত এবং এর ফলে জবা উদ্ভিদে পুংজনন ও স্ত্রীজনন এ দুই ধরনের কোষই সৃষ্টি হয়। এজন্য জবাকে সহবাসী উদ্ভিদ বলা হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকের চিত্র-'P' হলো স্ত্রীস্তবক এবং X চিহ্নিত অংশটি হলো ভূণথলি। গর্ভর্যন্ত্র, প্রতিপাদ কোষ এবং গৌণ নিউক্লিয়াসের সমন্বয়ে গঠিত হয় ভূণথলি। নিচে ভূণথলির গঠন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো-ফুলের গর্ভাশয়ের অভ্যন্তরে ডিম্বক থাকে, সেখানে স্ত্রী প্রজনন মাতৃকোষ সৃষ্টি হয়। এই কোষটি মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে ৪টি হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু কোষ সৃষ্টি করে, যার তিনটি নষ্ট হয়ে যায়। জীবিত কোষটির নিউক্লিয়াস তিনটি ধাপে মাইটোসিস বিভাজনের মাধ্যমে ৮টি নিউক্লিয়াস বিশিষ্ট একটি ভূণথলি গঠন করে। এর দু'মেরু হতে একটি করে নিউক্লিয়াস থলির মাঝখানে চলে আসে এবং পরস্পর মিলিত হয়ে সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াস গঠন করে। ডিম্বকরঞ্জের দিকে অবস্থিত মেরুর তিনটি নিউক্লিয়াসকে একত্রে গর্ভর্যন্ত্র বলে। গর্ভর্যন্ত্রের তিনটি নিউক্লিয়াসের মাঝেরটি অপেক্ষাকৃত বড় যা হলো ডিম্বাণু এবং অন্য কোষ দুটিকে সহকারী কোষ বলে। গর্ভর্যন্ত্রের বিপরীত দিকের কোষ তিনটিকে প্রতিপাদ কোষ বলে।

উত্তর:

চিত্রের P চিহ্নিত অংশটি হলো ফুলের গর্ভাশয়। এ অংশটি উদ্ভিদের প্রজাতিকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। নিচে তা ব্যক্ত করা হলো-
অধিকাংশ সপুষ্পক উদ্ভিদ যৌন জননের মাধ্যমে তাদের বংশবৃদ্ধি তথা প্রজাতিকে রক্ষা করে থাকে। উদ্ভিদের যৌন জননের মাধ্যমে বীজ তৈরি হয়ে থাকে। এই বীজ থেকেই সৃষ্টি-হয় নতুন উদ্ভিদ যা তার প্রজাতিকে রক্ষা করে। ফুলের P অংশ অর্থাৎ গর্ভাশয়ের অভ্যন্তরে থাকে ডিম্বাশয় এবং ডিম্বাশয়ের ভেতর থাকে ডিম্বাণু (স্ত্রী গ্যামেট)।
পরাগায়নের পর পরাগনালিকা গর্ভদণ্ড ভেদ কের গর্ভাশয়ে প্রবেশের পথে পরাগনালিকার অগ্রভাগে ২টি পুংগ্যামেট সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে পরাগনালিকা ডিম্বকরন্দ্রের ভেতর প্রবেশ করে এবং এর অগ্রভাগ ফেটে যায়। এরপর পুংগ্যামেট ২টির ১টি ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয়ে জাইগোট (2n) তৈরি করে। অপরটি গৌণ নিউক্লিয়াসের সঙ্গে মিলিত হয়। নিষিক্ত এই গর্ভাশয় ফলে এবং নিষিক্ত ডিম্বাণু বীজে পরিণত হয়। ফল পরিপকের সাথে সাথে বীজও পরিপুষ্ট হয়। পরিপুষ্ট বীজ অনুকূল পরিবেশে অঙ্কুরিত হয়ে নতুন উদ্ভিদের জন্ম দেয়। এভাবেই গর্ভাশয় অর্থাৎ P চিহ্নিত অংশ তার অভ্যন্তরে বীজ তৈরির মাধ্যমে প্রজাতিকে রক্ষা করে থাকে।

2 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – জীবে প্রজনন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”