A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – জলবায়ু অঞ্চল ও জলবায়ু পরিবর্তন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ৬ষ্ঠ অধ্যায় — জলবায়ু অঞ্চল ও জলবায়ু পরিবর্তন🔢 সৃজনশীল নং ৮🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৬

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কোনো স্থানের বায়ুর তাপমাত্রা, চাপ, বৃষ্টিপাত, বায়ুপ্রবাহ ইত্যাদির ৩০ থেকে ৪০ বছরের গড় অবস্থাকে সেই স্থানের জলবায়ু বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

নিরক্ষীয় অঞ্চলে সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেয়। যে অঞ্চলে সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয় সে অঞ্চলে অধিক পরিমাণে জলীয়বাষ্প তৈরি হয়। অধিক পরিমাণে জলীয়বাষ্প এ অঞ্চলে তৈরি হয় যা বৃষ্টিপাত ঘটাতে সাহায্য করে। এছাড়া যে অঞ্চলে সূর্যের আলো বেশি সে অঞ্চলে অধিক গাছপালা বেশি থাকে। যেসব অঞ্চলে গাছপালা বেশি সেসব অঞ্চলেও অধিক বৃষ্টিপাত হয়। তাই বলা যায় যে, নিরক্ষীয় অঞ্চলে অসংখ্য বৃক্ষরাজি থাকায় এ অঞ্চলে অধিক বৃষ্টিপাত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'গ' ঋতু দ্বারা শীত ঋতুকে বোঝানো হয়েছে। নিচে এর বর্ণনা দেওয়া হলো-

সাধারণত নভেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি মাস বাংলা কার্তিক-ফাল্গুন পর্যন্ত সময়কে শীত ঋতু বলে। শীত ঋতুতে তাপমাত্রা সবচেয়ে কম থাকে। এ সময় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১° সেলসিয়াস। জানুয়ারি শীতলতম মাস এবং এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭° সেলসিয়াস হয়। উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আগত শীতল মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারণে শীত ঋতুতে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকে।

তেমনি উদ্দীপকের 'গ' ঋতুতেও বায়ুর আর্দ্রতা কম দেখানো হয়েছে। অর্থাৎ উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যের সাথে উদ্দীপকের গ ঋতু অর্থাৎ শীত কালকে বুঝানো হয়েছে। যেহুতু 'গ' ঋতুর সাথে উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যের মিল রয়েছে তাই বলা যায় যে গ ঋতু শীত ঋতুকে নির্দেশ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'খ' ঋতুটি বর্ষা ঋতু। নিচে বর্ষা ঋতুর বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হলো:

বাংলাদেশে জুন থেকে অক্টোবর মাস (জ্যৈষ্ঠ-কার্তিক) পর্যন্ত বর্ষা ঋতু। অর্থাৎ গ্রীষ্ম ও শীতের মাঝামাঝি বৃষ্টিবহুল সময়কে বর্ষা ঋতু বলে। জুন মাসের প্রথম দিকে মৌসুমি বায়ুর আগমনের সঙ্গে সঙ্গে বর্ষা ঋতু শুরু হয়ে যায়। বর্ষা ঋতুতে সূর্য বাংলাদেশে প্রায় লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু আকাশে মেঘ থাকে এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।

বর্ষা ঋতুতে বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে আসার সময় প্রচুর জলীয়বাষ্প সমৃদ্ধ থাকে। এ জলীয়বাষ্প শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। বছরের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ এ সময়ে হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে 'খ' ঋতু বর্ষা ঋতুর বৈশিষ্ট্যের কথা বলা হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – জলবায়ু অঞ্চল ও জলবায়ু পরিবর্তন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”