A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – কোষ ও এর গঠন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — কোষ ও এর গঠন🔢 সৃজনশীল নং ৩৪🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জিন হলো ক্রোমোসোমের লোকাসে অবস্থিত DNA অণুর সুনির্দিষ্ট অংশ যা জীবের একটি নির্দিষ্ট সংকেত আবদ্ধ করে রাখে এবং প্রোটিন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে কোনো নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের বিকাশ ঘটায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামে প্রস্তুতকৃত দ্রব্যাদি গলজি বস্তু দ্বারা ঝিল্লিবদ্ধ হয়। এরপর কোষের কেন্দ্রীয় অংশ থেকে ঝিল্লিবদ্ধ বস্তু কোষের পরিধির দিকে প্লাজমামেমব্রেন পর্যন্ত নিয়ে যায়। এজন্য কোষের গলজি বস্তুকে প্যাকেজিং কেন্দ্র বলা হয়। এছাড়াও গলজি বস্তু পলিস্যাকারাইড সংশ্লেষণ, পরিবহন ও নিঃসরণ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'খ' চিত্রটি হচ্ছে RNA বা রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড। যে নিউক্লিক অ্যাসিডের পলিনিউক্লিওটাইডের মনোমার এককগুলোতে গাঠনিক উপাদানরূপে রাইবোজ সুগার এবং অন্যতম বেস হিসেবে ইউরাসিল থাকে, তাকে রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বলে। রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিডকে সংক্ষেপে RNA বলা হয়।

RNA এর গঠন এবং কাজ : 

RNA একটি একসূত্রক নিউক্লিক অ্যাসিড। এটি রাইবোজ সুগার, চার ধরনের নাইট্রোজেনযুক্ত বেগ এবং ফসফেট গ্রুপ নিয়ে গঠিত। চার ধরনের নাইট্রোজেনযুক্ত বেসের মধ্যে রয়েছে- দুধরনের পাইরিমিডিন ও দুধরনের পিউজিন। পাইরিমিডন বেস হচ্ছে সাইটোসিন ও ইউরাসিল এবং পিউরিন বেস হলো অ্যাডেনিন ও গুয়ানিন (উল্লেখ্য যে DNA এর মধ্যে উক্ত ৪ ধরনের বেস- এর মধ্যে ইউরাসিলের পরিবর্তে থাইমিন থাকে)। RNA একসূত্রক হলেও মাঝেমধ্যে নানারকম ভাঁজ সৃষ্টি করে দ্বিসূত্রক গড়নের মতো রূপ নেয়। ফাঁক হওয়া জায়গায় বেস-জোড়েরও সৃষ্টি হয়। RNA সূত্রের দৈর্ঘ্য নির্ভর করে নিউক্লিওটাইডের সংখ্যার উপর। ক্ষুদ্রতম RNA সূত্রে ২২টি (মাইক্রো RNA বা miRNA) এবং একটি বড় অনুতে ১০ হাজার নিউক্লিওটাইড (mRNA) থাকতে পারে।

১) RNA প্রধান কাজ প্রোটিন সংশ্লেষ।

২) tRNA অ্যামিনো অ্যাসিড স্থানান্তর করে। 

৩) mRNA DNA হতে বার্তা বহন করে রাইবোসোমে পৌঁছায়। 

৪) rRNA রাইবোনিউক্লিয়োপ্রাটিন গঠন করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র-'ক' দ্বারা নিউক্লিয়াসকে এবং 'M' ও 'N' দ্বারা যথাক্রমে নিউক্লিয়াসের মেমব্রেন এবং নিউক্লিওলাসকে নির্দেশ করা হয়েছে। নিউক্লিয়ার মেমব্রেন এবং নিউক্লিওলাসের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির উপর ভিত্তি করে জীবকোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়, যথা- আদিকোষ এবং প্রকৃতকোষ। নিচে এদের মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো-
১. যেসব কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস অর্থাৎ নিউক্লিয়ার মেমব্রেন, নিউক্লিওপ্লাজম, নিউক্লিওলাস ও নিউক্লিওজালক থাকে না তাদেরকে আদিকোষ বলে। অন্যদিকে, যেসব কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস অর্থাৎ নিউক্লিয়ার মেমব্রেন, নিউক্লিওপ্লাজম, নিউক্লিওলাস ও নিউক্লিওজালক থাকে তাদেরকে প্রকৃতকোষ বলে। 
২. আদিকোষে কোনো আবরণীবেষ্টিত অঙ্গাণু যেমন- মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজি বস্তু, লাইসোজোম ইত্যাদি থাকে না। কিন্তু প্রকৃতকোষে এসব অঙ্গাণু উপস্থিত। 
৩. আদিকোষের নিউক্লিয়াসে শুধু একটিমাত্র ক্রোমাটিন বডি বা বৃত্তাকার এবং প্রান্তহীন DNA থাকে, কোনো ক্রোমোসোম গঠিত হয় না। অন্যদিকে প্রকৃতকোষের ক্রোমোসোম লম্বা, একাধিক ও দুই প্রান্তবিশিষ্ট এবং DNA সূত্রাকার। 
৪. আদিকোষে অ্যামাইটোসিস বা দ্বি-বিভাজন কোষ বিভাজন দেখা যায় । কিন্তু প্রকৃতকোষে মাইটোসিস ও মায়োসিস কোষ বিভাজন দেখা যায় ৷

৫. ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া বা নীলাভ সবুজ শৈবাল, মাইকোপ্লাজমা ইত্যাদি আদিকোষের উদাহরণ । অন্যদিকে উন্নত সব ধরনের উদ্ভিদকোষ ও সকল প্রাণিকোষ প্রকৃতকোষের উদাহরণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – কোষ ও এর গঠন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”