A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — পরিপাক ও শোষণ🔢 সৃজনশীল নং ৪৩🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

লালাগ্রন্থি নিঃসৃত শর্করা পরিপাককারী এনজাইমকে টায়ালিন বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মানুষের দন্ত সংকেত = 

 I2C1P2M3  I2C1P2M3 =8x28x2=16+16=32

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

শর্করা বিপাকে উদ্দীপকের 'A' অংশের অর্থাৎ যকৃতের ভূমিকাই মূখ্য। যকৃতের শর্করা বিপাকে নিচে বর্ণনা করা হলো:

গ্লাইকোজেনেসিস (Glycogenesis) : শর্করা বিপাকে যকৃতই দেহে গ্লুকোজ প্রতি ১০০ ঘন সেন্টিমিটারে ৯০ মিলিগ্রাম গ্লুকোজ হিসাবে নিয়ন্ত্রণ করে। গ্যালাকটোজ, ফ্রুকটোজসহ সমস্ত হেক্সোজ চিনিকে লিভার গ্লুকোজে পরিবর্তিত করে গ্লাইকোজেন (glycogen) নামক অদ্রবণীয় পলিস্যাকারাইড হিসাবে জমা রাখে। গ্লুকোজ থেকে গ্লাইকোজেন রূপান্তর প্রক্রিয়াটিকে গ্লাইকোজেনেসিস বলে। প্রক্রিয়াটি ইনসুলিন এর উপস্থিতিতে উদ্দীপ্ত হয়। 

গ্লুকোনিওজেনেসিস (Glucuneogenesis) : নন কার্বোহাইড্রেট উৎস যেমন অ্যামিনো এসিড ও গ্লিসারল প্রভৃতি থেকে গ্লুকোজ সংশ্লেষণের প্রক্রিয়াকে গ্লুকোনিওজেনেসিস বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের "B" চিহ্নিত অংশটি হল ক্ষুদ্রান্ত। ক্ষুদ্রান্তে সকল খাদ্যের চূড়ান্ত পরিপাক ঘটে। 

ক্ষুদ্রান্ত হতে শর্করা, লিপিড, প্রোটিনজাতীয় খাদ্য পরিপাকের এনজাইম ক্ষরিত হয়।  শর্করা পরিপাক করার জন্য প্রধান এনজাইমগুলো হলো - সুক্রেজ, ল্যাকটোজ, মল্টেজ, অ্যামাইলেস  ইত্যাদি। স্টার্চ  বা গ্লাইকোজেন এমাইলেজ এনজাইমের প্রভাবে ডাইসেকারাইড ও তা পরবর্তীতে অ্যামাইলাইটিক এঞ্জাইমের প্রভাবে মনোস্যাকারাইড  অর্থাৎ গ্লুকোজে পরিণত হয়। এছাড়াও মল্টোজ, সুক্রোজ, ল্যাকটোজ যথাক্রমে মল্টেজ,সুক্রেজ,ল্যাকটেজ এনজাইমের প্রভাবে বিশ্লেষিত হয়ে মনোস্যাকারাইড এ রূপান্তরিত হয়ক্ষুদ্রান্তে আমিষ পরিপাককারী এনজাইম ট্রিপ্সিন, কাইমোট্রিপসিন,পেপটাইডেজ, কার্বোক্সিপেপটাইডেজ, কোলাজিনেজ ইত্যাদি এনজাইম বিদ্যমান। এরা পরবর্তীতে বিশ্লেষিত হয়ে শোষণক্ষ্ম এমিনো এসিডে পরিনত হয়। ক্ষুদ্রান্তেত অগ্ন্যাশয় রসে পরিপাককারী এনজাইম লাইপেজ, ফস্ফোলাইপেজ, কোলেস্টেরল এস্টারেজ বিদ্যমান। এরা চর্বিকে ফ্যাটে এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে। উপরোক্ত আলোচনা হতে বোঝা যায় যে ক্ষুদ্রান্তে সকল খাদ্যের চূড়ান্ত পরিপাক ঘটে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”