A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – ভূমিরুপ পরিবর্তন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — ভূমিরুপ পরিবর্তন🔢 সৃজনশীল নং ১৩🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

প্রবহমান দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বাংলাদেশের অধিকাংশ ভূমিই নদী বাহিত পলি দ্বারা গঠিত। বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি এলাকা এবং প্লাইস্টাসিনকালের সোপান বাদে বেশিরভাগ অঞ্চল সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি দ্বারা গঠিত। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, বহ্মপুত্র প্রভৃতি নদ-নদী এবং এদের শাখা ও উপনদীসমূহ পলিবাহিত পলি দ্বারা গঠিত। এ অঞ্চলের মোট আয়তন ১,২৪,২৬৬ বর্গ কি.মি. যার পুরোটাই পলিবাহিত পলি দ্বারা গঠিত। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের অধিকাংশ ভূমি নদীবাহিত পলি দ্বারা গঠিত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রথম অবস্থাটি হলো নদীর প্রাথমিক, অবস্থা অর্থাৎ পার্বত্য অবস্থা। নিচে এর বর্ণনা দেওয়া হলো-

পর্বতের, উৎপত্তিস্থল হতে সমভূমিতে পৌঁছানো পর্যন্ত অংশকে নদীর পার্বত্য বা প্রাথমিক অবস্থা বলে। এ সময় এর গতিবেগ (২৪-৩২) কিমি পর্যন্ত হয়। পার্বত্য অঞ্চলে বৃষ্টি ও বরফ গলা পানি সরবরাহ খুব বেশি। পার্বত্য অঞ্চল থেকে ছোট ছোট স্রোতধারাগুলো পরস্পর মিলিত হয়ে একটি প্রবল স্রোত ধারার সৃষ্টি করে। ভূমির ঢাল খাড়া হওয়ায় প্রবল স্রোতধারাটি ক্ষয়সাধন করতে করতে অগ্রসর হয়। এ সময় নদী উপত্যকা গভীর হয়। প্রবল স্রোতের বেগ বড় বড় পাথর, নুড়ি প্রভৃতি স্রোতের সাথে বহন করে। এটি নদী সৃষ্টির প্রথম অবস্থা বলে একে প্রাথমিক অবস্থা বলে। এ সময় নদীর উদ্যম বেশি থাকে বলে যান্ত্রিক ও রাসায়নিক উভয় প্রকার ক্ষয় সাধিত হয়। শিলারাশির ঘর্ষণে নদীখাত গভীর হতে হতে গিরিখাত, ক্যানিয়ন প্রভৃতির সৃষ্টি হয়। এ সময় নদী উপত্যকার আকৃতি 'V' অক্ষরের ন্যায় হয়। 'V' আকৃতির উপত্যকার মধ্য দিয়ে নদী অগ্রসর হয়। নদীখাতের কোথাও কোথাও বর্তুলাকার গর্ত দেখা যায়।

তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রথম অবস্থাটি হলো নদীর প্রাথমিক অবস্থা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ২য় ও ৩য় অবস্থাটি হলো যথাক্রমে সমভূমি বা মধ্যগতি এবং বদ্বীপ বা নিম্নগতি পর্যায়। নিচে নদীর এ দুই অবস্থার পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো:

পার্বত্য অঞ্চলের পর নদী যখন সমভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন তার প্রবাহকে সমভূমি অবস্থা বা মধ্যগতি বলে। মধ্যগতিতে নদীর বিস্তার বেশি হয়। নদী অববাহিকা প্রশস্ত হয় ও উপত্যকাগুলোর গভীরতা কমে আসে। এ অংশে নদীর পানির পরিমাণ বেশি হয়। বহু উপনদী এ অংশে এসে মূল নদীর সাথে মিলিত হয়। নদী উপত্যকার গভীরতা হ্রাস পাওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতাও কমে যায়। ফলে বর্ষাকালে নদী স্ফীত হয়ে তার দুই দিকের নিম্নভূমিসমূহকে বন্যায় প্লাবিত করে। নদীবাহিত পলি দ্বারা ঐ নিম্নভূমিসমূহ ধীরে ধীরে উঁচু হয় এবং সমভূমির আকার ধারণ করে। একে প্লাবন সমভূমি বলে। সমভূমি অবস্থায় নদীর ক্ষয় ও পরিবহন কার্য তত প্রবল নয়। এ অবস্থায় নদীর সঞ্চয় কার্য শুরু হয়।

অপরদিকে, নদীর শেষ অংশ বা নদীর নিম্নগতিকে ব-দ্বীপ অবস্থা বলা হয়। এ সময় স্রোতের বেগ খুবই কম থাকে। নদীর নিম্নক্ষয় বন্ধ হয়ে যায় এবং স্বল্প পরিমাণে পার্শ্বক্ষয় হতে থাকে। ফলে নদী উপত্যকা খুব চওড়া ও অগভীর হয়। নদীর এ অংশে স্রোতের বেগ কমে যাওয়ায় নদীবাহিত বালুকা, কর্দম ও পলি নদীগর্ভে ও মোহনায় সঞ্চিত হয়ে নদীর গতিপথে বাধার সৃষ্টি করে। নদীর গতি বাধা পেয়ে তা দুই দিক দিয়ে চলে যায়। কালক্রমে নদীমুখে এ পলি সঞ্চিত ভূভাগ উঁচু হয়ে মাত্রাহীন ডেল্টা '৪' অক্ষরের আকার ধারণ করে ত্রিকোণাকার 'Δ' দ্বীপের সৃষ্টি করে। একে ব-দ্বীপ বলে। ব-দ্বীপ গঠন ব্যতীত এ অংশে নদীর খাত পরিবর্তন, নদীর অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ, প্লাবন সমভূমি প্রভৃতি বিভিন্ন ভূমিরূপ দেখতে পাওয়া যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – ভূমিরুপ পরিবর্তন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”