A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (1 day ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৪ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📘 ১৩তম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নম্বর:🏫 বোর্ড: ঢাকা শিক্ষা বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ⭐⭐⭐⭐⭐

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

ক্রোমোজোমের যে স্থানে জিন অবস্থান করে তাকে লোকাস বলে।

উত্তর:

সাপ ও ব্যাঙের মধ্যে আন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রাম বিদ্যমান। এই ধরনের জীবসমূহের মধ্যে খাদ্য-খাদক সম্পর্কের যে সংগ্রাম গড়ে ওঠে তাকে আন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রাম বলে। এই সংগ্রামের ফলেই সাপ ব্যাঙদের খায়। এভাবে নিতান্ত জৈবিক কারণেই সাপ ও ব্যাঙের মধ্যে নিষ্ঠুর আন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রাম গড়ে ওঠে।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লিখিত X প্রযুক্তিটি হচ্ছে টিস্যু কালচার। নিচে এর ধাপসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো-
i. মাতৃ উদ্ভিদ নির্বাচন: উন্নত গুণসম্পন্ন স্বাস্থ্যবান এবং রোগমুক্ত উদ্ভিদকে এক্সপ্ল্যান্টের জন্য নির্বাচন করা হয়।
ii. আবাদ মাধ্যম তৈরি: উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি, ভিটামিন, ফাইটোহরমোন, সুক্রোজ এবং প্রায় কঠিন মাধ্যমে তৈরির জন্য জমাট বাঁধার উপাদান যেমন অ্যাগার সঠিক মাত্রায় মিশিয়ে আবাদ মাধ্যম তৈরি করা হয়।

iii . জীবাণুমুক্ত আবাদ প্রতিষ্ঠা: আবাদ মাধ্যমকে কাচের পাত্রে নিয়ে তুলা বা প্লাস্টিকের ঢাকনা দিয়ে মুখ বন্ধ করা হয়। পরবর্তীতে অটোক্লেভ যন্ত্রে ১২১° সে. তাপমাত্রায় ১৫ /b/sq.inch চাপে ২০ মি. রেখে জীবাণুমুক্ত করা হয়। জীবাণুমুক্ত তরল আবাদকে ঠান্ডা ও জমাট বাঁধার পর এক্সপ্ল্যান্টগুলোকে নির্দিষ্ট আলো ও তাপমাত্রা (২৫ + ২° সে.) সম্পন্ন নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বর্ধনের জন্য রাখা হয়। এ পর্যায়ে আবাদে স্থাপিত টিস্যু বারবার বিভাজনের মাধ্যমে সরাসরি অণুচারা তৈরি হয় বা অবয়বহীন টিস্যুমণ্ডে পরিণত হয়। এ টিস্যুমণ্ড হতে পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে একাধিক অণুচারা উৎপন্ন হয়।
iv. মূল উৎপাদক মাধ্যমে স্থানান্তর: এ সমস্ত উৎপাদিত চারাগাছে যদি মূল উৎপন্ন হয় তবে একটি নির্দিষ্ট উচ্চতা লাভের পর বিটপগুলোকে বিচ্ছিন্ন করে নেওয়া হয় এবং তাদেরকে পুনরায় মূল উৎপাদনকারী আবাদ মাধ্যমে স্থাপন করা হয়।
v . প্রাকৃতিক পরিবেশে তথা মাঠপর্যায়ে স্থানান্তর: মূলযুক্ত চারাগুলোকে পানিতে ধুয়ে অ্যাগারমুক্ত অবস্থায় ল্যাবরেটরিতে মাটি ভরা ছোট ছোট পাত্রে স্থানান্তর করা যায়। পাত্রে লাগানো চারাগুলো কক্ষের বাইরে রেখে মাঝে মাঝে বাইরের প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হয়। পূর্ণাঙ্গ চারাগুলো সজীব ও সবল হয়ে উঠলে সেগুলোকে একপর্যায়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে মাটিতে লাগানো হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকের প্রদর্শিত চিত্র-X প্রক্রিয়াটি টিস্যু কালচার আর Y চিত্রটি হলো রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তি দুটির মধ্যে শস্য উন্নয়নে রিকম্বিনেন্ট এ প্রযুক্তি অধিক তাৎপর্যপূর্ণ ও সর্বাধুনিক জীবপ্রযুক্তি। বর্তমানে শস্য উন্নয়নে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো :
রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির সাহায্যে ক্ষতিকর পোকামাকড় প্রতিরোধী ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। যেমন- বিটি ভুট্টা, বিটি তুলা। এসব ফসল লেপিডোপটেরা এবং কলিওপটেরা বর্গের অন্তর্ভুক্ত ক্ষতির কীটপতঙ্গের বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষম। আবার, এর সাহায্যে ভাইরাস প্রতিরোধী ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। যেমন- ভাইরাস, টোবাকো মোজাইক ভাইরাস প্রতিরোধী ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। এছাড়াও জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে আগাছানাশক প্রতিরোধী ভুট্টা, তুলা ইত্যাদি ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে একই উদ্ভিদে একাধিক বৈশিষ্ট্যের জিন অনুপ্রবেশ করিয়ে বাণিজ্যিকভাবে ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ তৈরি করা হয়েছে। জিনগত রূপান্তরের মাধ্যমে উদ্ভিদের পুষ্টিমান উন্নত করা হয়েছে। যেমন-ধানে ভিটামিন-এ তথা বিটা-ক্যারোটিন জিন স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও বর্তমানে লেট ব্লাইট ছত্রাক প্রতিরোধী জিন স্থানান্তরের মাধ্যমে লেট ব্লাইট প্রতিরোধী গোল আলুর জাত উদ্ভাবনের লক্ষ্যে গবেষণা চলছে।
তাই উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, শস্য উন্নয়নে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

2 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৪ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”