A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৫ – পৃথিবীর গঠন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — পৃথিবীর গঠন🔢 সৃজনশীল নং ১৭🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ভূপৃষ্ঠের অতি উচ্চ, সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পর্বতের পাদদেশে যে মালভূমির সৃষ্টি হয় তাকে পাদদেশীয় মালভূমি বলে।
বৃষ্টির পানি, নদীর পানি, হিমবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা পর্বতগাত্র হতে নানাপ্রকার পদার্থ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়। এ সঞ্চিত পদার্থসমূহ ধীরে ধীরে উঁচু হয়ে মালভূমির আকৃতি ধারণ করে। পর্বতের পাদদেশে এ মালভূমি গঠিত হয় বলে একে পাদদেশীয় মালভূমি বলে। যেমন: উত্তর আমেরিকার রকি পর্বতের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকের বিশাল কলোরাডো মালভূমি, দক্ষিণ আমেরিকার পাতাগোনিয়া ইত্যাদি পাদদেশীয় মালভূমি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের 'ক' স্তরটি হলো অশ্মমণ্ডল। নিচে অশ্মমণ্ডলের বিবরণ দেওয়া হলো:
পৃথিবীর উপরের কঠিন ও পাতলা শিলাস্তরকে অশ্মমণ্ডল বা ভূত্বক বলে। অশ্ম অর্থ শিলা তাই একে শিলামণ্ডলও বলা হয়। এর গভীরতা সর্বত্র সমান নয়। এর গভীরতা ৩ কিলোমিটার (সমুদ্র তলদেশ) হতে ৪০ কিলোমিটার (পর্বতের তলদেশে)। তবে গড় গভীরতা প্রায় ২০ কিলোমিটার। এই স্তরের আপেক্ষিক গুরুত্ব ২ থেকে ৩ (অর্থাৎ পানির চেয়ে ২/৩ গুণ ভারি)। এ স্তরটি উপরে থাকায় অন্যস্তর দুটির তুলনায় এর তাপমাত্রা খুবই কম। তবে অশ্মমণ্ডলের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। ভূকম্পন তরঙ্গ থেকে জানা যায়, অশ্মমণ্ডল দুটি স্তরে বিভক্ত। উপরের হালকা শিলা স্তরটিকে সিয়াল স্তর এবং নিচের ভারি শিলা স্তরটিকে সিমা স্তর বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের 'খ' ও 'গ' স্তরদ্বয় হলো যথাক্রমে গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডল। নিচে স্তরদ্বয়ের তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো-অশ্মমণ্ডলের নিচের স্তরটিকে গুরুমণ্ডল বলা হয়। অশ্মমণ্ডলের নিচ থেকে কেন্দ্রমণ্ডল পর্যন্ত চারদিকে এর বিস্তৃতি প্রায় ২,৮৮৫ কিলোমিটার। এই স্তরের আপেক্ষিক গুরুত্ব ৪ থেকে ৫ এবং ঘনত্ব প্রতি ঘনমিটারে প্রায় ৩,৫০০ কিলোগ্রাম থেকে ৮,০০০ কিলোগ্রাম। গুরুমণ্ডলের ১০০ কিলোমিটার গভীরতায় তাপমাত্রা ১,১০০০ ১,২০০° সেলসিয়াস। তবে এ মণ্ডলের নিম্নাংশের তাপমাত্রা প্রায় ৩,০০০° সেলসিয়াসের বেশি। এটি পৃথিবীর মোট আয়তনের প্রায় ৮২.২৫ শতাংশ দখল করে আছে এবং এর ওজন পৃথিবীর মোট ওজনের প্রায় ৬৮ ভাগ। গুরুমণ্ডল প্রধানত ক্রোমিয়াম, লোহা, সিলিকন, ম্যাগনেসিয়াম ও নিকেল দ্বারা গঠিত। গঠন উপাদানের ওপর ভিত্তি করে গুরুমণ্ডলকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: বহিঃগুরুমণ্ডল ও অন্তঃগুরুমণ্ডল।
অন্যদিকে, পৃথিবীর কেন্দ্রের চারদিকে প্রায় ৩,৪৮৬ কিলোমিটার ব‍্যাসার্ধবিশিষ্ট গোলকটিকে কেন্দ্রমণ্ডল বলা হয়। গুরুমণ্ডলের নিম্নাংশ থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র পর্যন্ত এটি বিস্তৃত। এ মণ্ডলের আপেক্ষিক গুরুত্ব ১০ হতে ১৩.৬। কেন্দ্রমন্ডলের চাপ ভূপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডলের চাপের চেয়ে ৩০ ৪০ গুণ বেশি এবং তাপমাত্রা স্থানভেদে ৩,০০০০ হতে ৫,০০০° সেলসিয়াস বা তারও বেশি। কেন্দ্রমণ্ডল, লোহা, নিকেল, পারদ, সীসা প্রভৃতি দিয়ে গঠিত হলেও এ স্তরে নিকেল (Ni) ও লোহার (Fe) পরিমাণ বেশি থাকায় একে নাইফ (Ni + Fe → NiFe) বলা হয়। এ স্তরের আপেক্ষিক গুরুত্ব ১০ থেকে ১২ এবং পৃথিবীর অন্যান্য অংশ অপেক্ষা দ্বিগুণের অধিক ঘন। এ মন্ডলটি পৃথিবীর মোট আয়তনের শতকরা প্রায় ১৬.২ ভাগ স্থান দখল করলেও এর ওজন পৃথিবীর মোট ওজনের শতকরা ৩১.৫ ভাগ। ভূকম্পন তরঙ্গের মাধ্যমে বোঝা যায় এই স্তরটি দুটি অংশে বিভক্ত। যথা: বহিঃকেন্দ্রমণ্ডল ও অন্তঃকেন্দ্রমণ্ডল। বহিঃকেন্দ্রমণ্ডলের বিস্তৃতি প্রায় ২,২৭০ কিলোমিটার এবং অন্তঃকেন্দ্রমন্ডল পৃথিবীর কেন্দ্র হতে প্রায় ১,২১৬ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে কঠিন অবস্থায় রয়েছে।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায় যে, গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডলের বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতা রয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৫ – পৃথিবীর গঠন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”