A. Nayan
A. Nayan
25 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘ধারাটি লক্ষ করো…’ যশোর বোর্ড ২০২২ – জীবন পাঠ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: যশোর বোর্ড📅 সাল: ২০২২⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

ধারাটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও-

উত্তর:

যৌন জননক্ষম উদ্ভিদের স্ত্রীজননাঙ্গকে বলা হয় আর্কিগোনিয়াম বা আর্কিগোনিয়া।

উত্তর:

প্রোটিস্টা রাজ্যের জীবগুলোকে ইউক্যারিওট (প্রকৃতকোষ) বলা হয়। কারণ প্রোটিস্টা রাজ্যের জীবগুলো এককোষী বা বহুকোষী হয়। এরা এককভাবে অথবা কলোনি আকারে দলবদ্ধভাবে বসবাস করে। এরা প্রকৃতকোষী অর্থাৎ নিউক্লিয়াস সুগঠিত। কোষে ক্রোমাটিন বস্তু নিউক্লিয়ার পর্দা দ্বারা পরিবৃত্ত থাকে। ক্রোমাটিন বস্তুতে DNA, RNA এবং প্রোটিন থাকে। কোষে সকল ধরনের অঙ্গাণু থাকে। মাইটোসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় অযৌন জনন ঘটে থাকে। এসব বৈশিষ্ট্যের কারণেই প্রোটিস্টা রাজ্যের জীবগুলোকে ইউক্যারিওট বলা হয়।

উত্তর:

জাই উদ্দীপকের 'P' ও 'Q' দ্বারা যথাক্রমে রাজ্য ফানজাই এবং রাজ্য অ্যানিমেলিয়াকে বুঝানো হয়েছে। ফানজাই এবং অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের জীবগুলো ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
ফানজাই রাজ্যের বৈশিষ্ট্য:

ফানজাই রাজ্যের বৈশিষ্ট্য:

১. এদের অধিকাংশই স্থলজ, মৃতজীবী বা পরজীবী।

২. দেহ এককোষী অথবা মাইসেলিয়াম দিয়ে গঠিত।

৩. এদের নিউক্লিয়াস সুগঠিত।

৪. কোষপ্রাচীর কাইটিন বস্তু দিয়ে গঠিত।

৫. খাদ্যগ্রহণ শোষণ পদ্ধতিতে ঘটে।

৬. ক্লোরোপ্লাস্ট অনুপস্থিত।

৭. হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবৃদ্ধি ঘটে।

অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের বৈশিষ্ট্য:

১. এরা নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট ও বহুকোষী প্রাণী।

২. এদের কোষে কোনো জড় কোষপ্রাচীর, প্লাস্টিড ও কোষগহ্বর নেই।

৩. প্লাস্টিড না থাকায় এরা হেটারোট্রোফিক অর্থাৎ পরভোজী এবং খাদ্য গলাধঃকরণ করে।

৪. দেহে জটিল টিস্যুতন্ত্র বিদ্যমান।

৫. এরা প্রধানত যৌন জননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে।

৬. পরিণত ডিপ্লয়েড পুরুষ ও স্ত্রী প্রাণীর জননাঙ্গ থেকে হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট উৎপন্ন হয়।

৭. ভ্রূণের বিকাশকালীন সময়ে ভ্রূণীয় স্তর সৃষ্টি হয়।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, ফানজাই ও অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের জীব ভিন্ন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন।

উত্তর:

উদ্দীপকে প্রদত্ত জীবজগতের পাঁচটি রাজ্য হলো যথাক্রমে ১. মনেরা, ২. প্রোটিস্টা, ৩. ফানজাই, ৪. প্লানটি, ৫. অ্যানিমেলিয়া।
উক্ত রাজ্যের জীবগুলোর বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, রাজ্য-১ এর জীবগুলো সরল এককোষী, প্রাককেন্দ্রিক এবং আণুবীক্ষণিক। কিন্তু পরবর্তী রাজ্যগুলোতে ক্রমান্বয়ে জীবগুলো জটিল থেকে জটিলতর আকার ধারণ করেছে। কোষের বৈশিষ্ট্য ও সংখ্যা, দেহের বৈশিষ্ট্য, খাদ্যাভ্যাসের প্রকৃতি, চলন ইত্যাদির ভিত্তিতে একটি রাজ্য থেকে তার পরবর্তী রাজ্যে অধিকতর সুগঠিত ও উন্নত জীব রয়েছে। যেমন-রাজ্য-১ এর জীবগুলোর নিউক্লিয়াস সুগঠিত নয়। রাজ্য-১ ও রাজ্য-২ এ এককোষী জীবের অবস্থান হলেও পরবর্তী রাজ্যগুলোতে বহুকোষী জীব রয়েছে। রাজ্য-২ ও রাজ্য-৩ এর জীবগুলাতে সুগঠিত টিস্যুতন্ত্র না থাকলেও রাজ্য-৪ ও রাজ্য-৫ এর জীবগুলোতে সুগঠিত টিস্যুতন্ত্র বিদ্যমান। রাজ্য-১ থেকে রাজ্য-৪ পর্যন্ত জীবগুলো খাদ্য গলাধঃকরণ করতে না পারলেও রাজ্য-৫ এর জীব তথা প্রাণীগুলো খাদ্য গলাধঃকরণ করতে পারে। এছাড়া রাজ্য-৫ এর অধিকাংশ জীব চলাফেরা করতে পারে, কিন্তু এর পূর্বের কোনো রাজ্যের জীব সাধারণত চলাফেরা করতে পারে না।
সুতরাং এ সকল যৌক্তিক কারণেই উক্ত রাজ্যসমূহের জীবগুলোকে সরল থেকে জটিল গঠনের ক্রমবিকাশে সাজানো হয়েছে।

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘ধারাটি লক্ষ করো…’ যশোর বোর্ড ২০২২ – জীবন পাঠ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”