A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭ – জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১২তম অধ্যায় — জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ🔢 সৃজনশীল নং ৬🏫 বোর্ড দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় একটি উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম হলো- Corypha taliera |

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনীর জন্য লবণাক্ত পানিতে জন্মাতে পারে এমন বৃক্ষ প্রজাতি নির্বাচন করা যায় কেননা উপকূলীয় অঞ্চল জোয়ারের পানিতে নিয়মিত সিক্ত হয় এবং পানি লবণাক্ত থাকে। একটু উচু জায়গায়ও মাঝে মাঝে জোয়ারের পানি ঢুকে যায়। মূলতন্ত্রের মাধ্যমে মাটি ধরে রাখতে পারে এমন বৃক্ষ প্রজাতি নির্বাচন করতে হবে। ঝড়ের ঝাপটায় ভেঙ্গে না যায় বা মূলোৎপাটিত না হয় এমন প্রজাতি নির্বাচন করতে হবে। উদাহরণসরূপ কেওড়া, সুন্দরী, বাইন, রাইজোফোরা, পশুর, নারিকেল, সুপারি, গাব ইত্যাদি বৃক্ষ প্রজাতি নির্বাচন করা যেতে পারে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের Q উদ্ভিদসমূহ হলো লোনামাটির উদ্ভিদ বা হ্যালোফাইট উদ্ভিদ। উদ্ভিদসমূহ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ইন-সিট্যু এবং এক্স-সিট্যু দুটি সংরক্ষণ পদ্ধতি বিদ্যমান। এর মধ্যে লোনামাটির উদ্ভিদ সংরক্ষণে ইন- সিট্যু সংরক্ষণ পদ্ধতি অধিক উপযুক্ত। নিম্নে এর কারণগুলো উল্লেখ করা হলো-

কোনো প্রজাতি সংরক্ষণের সবচেয়ে উত্তম উপায় হলো যে বাসস্থানে প্রজাতিটি জন্মে সেই বাসস্থানকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা। এর ফলে উক্ত প্রজাতির সাথে সম্পর্কযুক্ত প্রাণীকূলও সংরক্ষিত হয়। ইন-সিট্যু সংরক্ষণের মাধ্যমেই লোনামাটির উদ্ভিদকে তার নিজস্ব বাসস্থানে সংরক্ষণ করা যায়। কিন্তু লোনামাটির উদ্ভিদসমূহকে অন্য কোনো বাসস্থানে সংরক্ষণ করা খুবই কঠিন। কারণ সেখানে উদ্ভিদসমূহ বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি, তাপমাত্রা, আলো ইত্যাদি পর্যাপ্ত পরিমাণে নাও থাকতে পারে। এমনকি মাটির লবনাক্ততার পরিমাণ অধিক মাত্রায় কম থাকলে সেখানে লোনা মাটির উদ্ভিদ সংরক্ষণ করা কঠিন। আবার অনেক উদ্ভিদ তাদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও অন্যান্য কারণে তাদের মাইকোরাইজাল ছত্রাকের উপর নির্ভরশীল। ইন-সিট্যু সংরক্ষণের ফলে মাইকোরাইজাল ছত্রাক ও সংরক্ষিত হয় এবং ঐ উদ্ভিদের টিকে থাকা নিশ্চত হয় যা এক্স-সিট্যু সংরক্ষণ পদ্ধতিতে সম্ভব হয় না। একটি উদ্ভিদ বা প্রজাতি কেবলমাত্র একটি ইকোসিস্টেমের অংশই নয়, ইহা বিভিন্নভাবে আশেপাশের অন্যান্য প্রজাতির সাথে ক্রিয়া বিক্রিয়া করে এবং অনেক প্রজাতিকে বেঁচে থাকতে সহায়তা করে। ইন-সিট্যু সংরক্ষণে এ সুবিধা থাকে। অপরদিকে এক্স-সিট্যু সংরক্ষণ পদ্ধতিতে এ সুবিধা থাকে না। কোনো প্রজাতিকে তার বাসস্থানে সংরক্ষণের সবচেয়ে উপকারী দিক হলো এতে বিবর্তনীয় প্রক্রিয়াও চালু থাকে। যে অঞ্চলে এখনো অনেক প্রজাতি অনাবিষ্কৃত রয়েছে সে অঞ্চলেও ইন- সিট্যু সংরক্ষণ পদ্ধতি আবশ্যক। তাই একথা দ্ব্যার্থহীনভাবে বলা যায় যে, লোনামাটির উদ্ভিদ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ইন-সিট্যু সংরক্ষণ পদ্ধতিই উপযুক্ত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত P ও Q উদ্ভিদসমূহ হলো যথাক্রমে মরুজ ও লোনামাটির উদ্ভিদ। এরা ভিন্ন পরিবেশে জন্মালেও এদের মধ্যে কিছু অভিযোজনগত সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়। নিম্নে এদের অভিযোজনগত সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করা হলো-

মরুজ উদ্ভিদ যেমন মাটিতে পানির প্রাপ্যতা অপর্যাপ্ত হলেও জন্মাতে পারে এবং বিস্তার লাভ করতে পারে তেমনি লোনামাটির উদ্ভিদও মাটিতে লবনাক্ততা ও পানিবদ্ধতা সহ্য করে টিকে থাকতে পারে এবং লবনাক্ত পরিবেশে জন্মাতে ও বিস্তার লাভ করতে পারে। উভয় উদ্ভিদসমূহ প্রতিকূল প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে সংগ্রাম করে অভিযোজিত হয়। অনেক মরুজ উদ্ভিদের প্যারেনকাইমা কোষ পানি শোষণ করে ও রসালো হয় তাই পানি ধরে রাখতে পারে। লোনামাটির অনেক উদ্ভিদের অধিক লবণাক্ত পানি শোষণ করতে অসুবিধা হয়, তাই বৃষ্টির সময় লবনাক্ততা কিছুটা কমে আসলে উদ্ভিদ দ্রুত পানি শোষণ করে তাদের প্যারেনকাইমা কোষে সঞ্চয় করে রাখে। এ কারণে তাদের কান্ড, পাতা ও মূলকে কিছুটা রসালো দেখায়। অর্থাৎ, উভয় উদ্ভিদসমূহকেই অভিযোজনের জন্য পানি সঞ্চয় করে রাখতে হয়। আবার লোনা মাটির অনেক উদ্ভিদ মরুজ উদ্ভিদের ন্যায় খর্বাকার হয়। অধিকাংশ লোনামাটির উদ্ভিদের মত মরুজ উদ্ভিদেরও পাতার কিউটিকল পুরু, কান্ড ও পাতায় মোমের আবরণ থাকে, কেবল পাতার নিম্নত্বকে পত্ররন্দ্র থাকে। তাই প্রস্বেদন হ্রাস পায়। লোনামাটির উদ্ভিদ শ্বাসকার্য ঠিকভাবে চালানোর জন্য শ্বাসমূল গঠন করে। মরুজ উদ্ভিদ তার শ্বাসকার্য চালাতে কোনো নতুন অঙ্গ সৃষ্টি না করলেও প্রস্বেদন হার কমানোর জন্য পাতা ঝরিয়ে ফেলে বা কাটায় রূপান্তরিত করে। 

উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, মরুজ এবং লোনামাটির উদ্ভিদ ভিন্ন পরিবেশে জন্মালেও তাদের মধ্যে যথেষ্ট অভিযোজনগত সাদৃশ্য বিদ্যমান।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭ – জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”