A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১১তম অধ্যায় — জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন🔢 সৃজনশীল নং ১৪🏫 বোর্ড দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল ২০১৯⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ১১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বৈশিষ্ট্য নির্ধারণকারী জিনকে যখন অন্য একটি নন-আ্যলিলিক জিন অবদমন করে তখন বৈশিষ্ট্য নির্ধানকারী জিনটি তার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করতে পারে না। এ ঘটনায় হলো এ্যাপস্ট্যাসিস।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সেক্স ক্রোমোজোমের মাধ্যমে সেক্স লিংকড বংশপরম্পরা সঞ্চারিত হওয়াকে সেক্স লিংক ইনহেরিটেন্স বলে।

সেক্স লিংকড ইনহেরিটেন্স এর বৈশিষ্ট্য : সেক্স লিংকড ডিসঅর্ডার বংশগতির কতগুলো নিয়ম মেনে চলে যেমন -

১.অধিকাংশে এরা X ক্রোমোজোম দিয়ে বাহিত হয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে Y ক্রোমোজোম দ্বারা বাহিত হয়।২. এসব রোগের জিন অধিকাংশই প্রচ্ছন্ন প্রকৃতির ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের মতবাদ দুটি হল ল্যামার্কিজম এবং ডারউইনিজম। নিচে মতবাদ দুটির মধ্যে তুলনা করা হলো: 

ল্যামার্ক ও ডারউইন উভয়ের বিবর্তনের মাধ্যমে প্রজাতির সৃষ্টির কথা স্বীকার করলেও তাদের মতবাদের বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। নিচে এ দুটি মতবাদের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা করা হলো। 

১. ল্যামার্কের মতবাদ অনুযায়ী পরিবেশের প্রভাবে এবং জীবের নিজের প্রচেষ্টায় জীবদেহে পরিবর্তন ঘটে। অপরদিকে ডরউইনের মতামত অনুযায়ী স্বতঃস্ফূর্তভাবে যেভাবে পরিবর্তন সূচিত হয় এবং এসব পরিবর্তনের জন্য জীবন কোন প্রচেষ্টা নেই। 

২. ল্যামার্কের মতে অর্জিত সকল বৈশিষ্ট্যই বংশানুসরণযোগ্য। কিন্তু ডারউইনের মতে কেবল ধারাবাহিক প্রকরণ গুলো বংশানুসরণযোগ্য। 

৩. প্রাকৃতিক পরিবৃত্তি ল্যামার্কবাদ স্বীকৃত নয়। অপরদিকে ডারউইন বাদে প্রকৃতিক পরিবৃত্তি স্বীকৃত। 

৪. ল্যামার্কবাদ অনুযায়ী জীবের নিজস্ব প্রয়োজনে নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি হয়। অপরদিকে ডারউইনবাদ অনুযায়ী প্রকৃতির নিজস্ব খেয়ালে জীবদেহের গঠন সম্পন্ন হয়। 

৫. ল্যামার্কবাদ অনুসারে প্রকৃতির সাথে খাপ খাইয়ে প্রতিটি জীব বেঁচে থাকে। কিন্তু ডারউইনবাদ অনুসারে কেবল জীবন সংগ্রামে জয়ী হওয়া জীব বেঁচে থাকে আর অন্যরা বিলুপ্ত হয়। 

৬. ল্যামার্কবাদ বিজ্ঞানী মহলে অনাদৃত ও পরিত্যক্ত। অপরদিকে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া ডারউইনবাদ বিজ্ঞানী মহলের সমাদৃত ও গ্রহণযোগ্য।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে ‘খ’ হল বিবর্তনের প্রমাণাদি। বিবর্তনের প্রমাণ প্রমাণাদি অঙ্গ সংস্থানিক প্রমাণ অন্যতম। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো:

তুলনামূলক শারীরস্থান: বিভিন্ন মেরুদন্ডী প্রাণীর হৃদপিন্ডের গঠন তুলনামূলক আলোচনা করলে দেখা যায় যে, মাছের হৃদপিণ্ড দুই প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট , ব্যাঙের হৃদপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট, সরীসৃপের হৃদপিণ্ড আংশিক যার প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট এবং পাখি ও স্তন্যপায়ী প্রাণীদের হৃদপিণ্ড সম্পূর্ণভাবে চার প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট। এখানে লক্ষ্যণীয় যে, সরল অবস্থা হতে ধাপে ক্রমশ সাধিত হয় এবং জটিল অবস্থার দিকে ধাপিত হয়। একইভাবে বিভিন্ন মেরুদন্ডী প্রাণীর মস্তিষ্কে গঠন পর্যালোচনা করলে বিবর্তনের সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়। 

১.সমসংস্থ অঙ্গ ও সমাবৃত্তি অঙ্গ: বিভিন্ন প্রাণীর দেহের মধ্যে বিরাজমান অঙ্গের গঠন প্রণালী একই রূপ কিন্তু কাজ আলাদা হলে তাদের সমসংস্থ অঙ্গ বলে। যেমন পাখির ও বাদুড়ের ডানা ও মানুষের হাত বা কুকুরের অগ্রপথ, চিতার, ঘোড়ার সামনের পা, তিমির স্লিপার এরা গঠনগতভাবে এক হলেও কাজের দিক থেকে এক রূপ নয়। 

বিভিন্ন প্রাণীর দেহে বিরাজমান অঙ্গের গঠন এক না হলেও তার কাজ একই রূপ হয় তবে সেসব অঙ্গগুলোকে সমাবৃত্তি অঙ্গ বলে। যেমন- কুকুরের ডানা ও প্রজাপতি ডানা। 

২. নিষ্ক্রিয় বা লুপ্তপ্রায় অঙ্গ: যেসব অঙ্গ কোন প্রাণীর ক্ষেত্রে পূর্ণ বিকাসিত ও সক্রিয় কিন্তু কোন কোন প্রাণীর ক্ষেত্রে বিলুপ্ত ও নিষ্ক্রিয় তাদের লুপ্তপ্রায় অঙ্গ বলে। যেমন -কর্ণ সঞ্চালন পেশ, উপ পল্লব, আক্কেল দাঁত, দেহের লোম, পুরুষের স্তন, ককিক্স, অ্যাপেন্ডিক্স।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”