A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২২ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — কোষ বিভাজন🔢 সৃজনশীল নং ২৬🏫 বোর্ড দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল ২০২২⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ইউক্যারিওটিক কোষের নিউক্লিয়াসে বিদ্যমান প্রোটিন ও নিউক্লিক অ্যাসিড দিয়ে গঠিত স্বপ্রজননশীল, সূত্রাকার বস্তু, যা জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ ও বংশধারা রক্ষা করে তাই হলো ক্রোমোসোম।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে কোষ বিভাজনে সৃষ্ট অপত্য কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার সমান থাকে এবং অপত্য ও মাতৃকোষের গুণাগুণ অভিন্ন হয়, তাকে সমীকরণিক বিভাজন বলে। মাইটোসিসকে সমীকরণিক বিভাজন বলে, কারণ এ বিভাজনে অপত্য কোষে এবং মাতৃকোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা সমান থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের চিত্র-P তে প্রদর্শিত ধাপটি হলো হলো মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মেটাফেজ ধাপ। নিচে এ ধাপের বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো উল্লেখ করা হলো-

i. নিউক্লিওপর্দা ও নিউক্লিওলাসের সম্পূর্ণ বিলুপ্ত ঘটে।

ii. স্পিন্ডল যন্ত্রের গঠন সম্পন্ন হয়। স্পিন্ডল যন্ত্রের দু'মেরুর মধ্যবর্তী অংশকে নিরক্ষীয় বা বিষুবীয় অঞ্চল বলে।

iii. ক্রোমোসোমগুলোর সেন্ট্রোমিয়ার নিরক্ষীয় অঞ্চল বরাবর আসে এবং ক্রোমোসোমাল তন্তুর সাথে সংযুক্ত থাকে। প্রতি ক্রোমোসোমের সেন্ট্রোমিয়ার অঞ্চলে বিপরীত মেরু থেকে আগত দুটি ট্র্যাকশন তন্তুর সাথে যুক্ত হয়।

iv. এ পর্যায়ে ক্রোমোসোমগুলো সর্বাধিক কুণ্ডলিত থাকায় বেশি খাটো এবং মোটা দেখায়।

V. শেষ পর্যায়ে সেন্ট্রোমিয়ার 'বিভাজিত হয়ে দুটি অপত্য সেন্ট্রোমিয়ার সৃষ্টি করে। এ পর্যায়ে ক্রোমোসোমগুলো স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্র-Q কোষ বিভাজনের ধাপটি হলো মায়োসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া। নিচে মায়োসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো-

কোষের গঠন, গুণাবলি সংরক্ষণ ও জীবন প্রবাহ অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে মায়োসিস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মায়োসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে ক্রোমোসোম সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায়। যদি মিয়োসিস বিভাজন না হতো তবে প্রতি প্রজন্মে যৌন জননের সময় ক্রোমোসোম সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যেত। ফলে সাইটোপ্লাজম ও ক্রোমোসোমের মধ্যে ভারসাম্য নষ্ট হতো। জীবদেহের আয়তন বৃদ্ধি পেত ও বিপর্যয় ঘটত। মিয়োসিস বিভাজনে দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে দেহখণ্ডের বিনিময়ের মাধ্যমে বংশগতীয় বৈশিষ্ট্যের পুণর্বিন্যাস ঘটে। ফলে প্রকরণ সৃষ্টি হয়। এর মাধ্যমে প্রজাতিতে জৈব বিবর্তনের প্রাথমিক পর্যায়ের সূচনা ঘটে। যৌন জনন ক্ষমতাসম্পন্ন জীবের জীবনচক্রে স্পোরোফাইটিক জনু (2n) ও গ্যামিটোফাইটিক জনু (n) পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়। মায়োসিসের মাধ্যমে ক্রোমোসোম সংখ্যা অর্ধেক হয় বলেই দুটি জনুর পর্যায়ক্রমিক আবর্তন ঘটে। উন্নত উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহ ডিপ্লয়েড (2n)। তাই গ্যামিট সৃষ্টির সময় মায়োসিস কোষবিভাজন অত্যাবশ্যক। নতুবা ডিপ্লয়েড গ্যামিট সৃষ্টি হতো। এর ফলে প্রজাতির বৈশিষ্ট্য নষ্ট হতো এবং জীবের ধারাবাহিকতা বিনষ্ট হতো। এছাড়াও মায়োসিস বিভাজন দ্বারা মেন্ডেলবাদ ও আপাত ব্যতিক্রমগুলো ব্যাখ্যা করা যায়। ক্রসিং ওভারের হার নির্ণয় করে ক্রোমোসোম ম্যাপ তৈরি করা যায়।

তাই বলা যায়, উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্র-Q অর্থাৎ মায়োসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্ব অপরিসীম।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২২ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”