A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২২ – নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৭ম অধ্যায় — নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ🔢 সৃজনশীল নং ১৫🏫 বোর্ড দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল ২০২২⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৭

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

Pteris উদ্ভিদের স্পোরাঞ্জিয়াম গুচ্ছই হলো সোরাস।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

একই উদ্ভিদে ভিন্ন ধরনের স্পোর উৎপন্ন হওয়ার পদ্ধতিকে অসমরেণুপ্রসূতা বলে। 'টেরিডোফাইটের অধিকাংশ গণ সমরেণুপ্রসু হলেও ৮টি গণ অসমরেণুপ্রসূ। এসব উদ্ভিদের মাইক্রোস্পোর হতে পুংলিঙ্গধর ও মেগাস্পোর হতে স্ত্রীলিঙ্গধর উৎপন্ন হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র-M দ্বারা Cycas -এর মেগাস্পোরোফিল এবং এর প্রতিনিধিত্বকারী উদ্ভিদ Cycas কে নির্দেশ করা হয়েছে। Cycas -এর মূলের গঠন বিশেষ ধরনের কোরালয়েড প্রকৃতির। মূলের এ বিশেষ গঠনের কারণ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

প্রাথমিক পর্যায়ে Cycas-এর প্রধান মূল থাকে। ইহা স্বল্পস্থায়ী কারণ কিছু দিনের মধ্যে প্রধান মূল নষ্ট হয়ে যায়। পরে সেখানে অস্থানিক মূল সৃষ্টি হয়। অস্থানিক মূল কখনো কখনো মাটির ঠিক নিচে বৃদ্ধি পায়। সেখানে ভূমিতুলের উপর অসংখ্য খাটো খাটো দ্ব্যাগ্র শাখার সৃষ্টি করে। ভূমির উপরিতলে দ্ব্যাগ্র শাখাবিশিষ্ট এ সকল মূল এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়। মূলের মধ্যে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধির সাথে সাথে Nostoc, Anabaena নামক সায়ানোব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়। ফলে আক্রান্ত মূলগুলো স্বাভাবিক সরু না হয়ে বিকৃত আকৃতি ধারণ করে, যা সামুদ্রিক কোরালের মতো দেখতে। এমন মূলকে কোরালয়েড মূল বলা হয়। কোরালয়েড মূলের অন্তর্গঠনে মধ্য কর্টেক্সে Anabaena ও Nostoc অবস্থান করে এবং এই অংশকে শৈবাল স্তর বলে। কোরালয়েড মূল রুট টিউবারকল নামেও পরিচিত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে চিত্র-M হলো Cycas উদ্ভিদের মাইক্রোস্পোরোফিল এবং চিত্র-N হলো মেগাস্পোরোফিল। নিচে এদের মধ্যে তুলনা করা হলো-

i. মাইক্রোস্পোরোফিল চ্যাপ্টা ও কাষ্ঠল প্রকৃতির এবং এর শীর্ষপ্রান্ত ত্রিভুজাকার ও বন্ধ্যা। মেগাস্পোরোফিলের শীর্ষভাগ সাপের ফণার মতো এবং নিম্নাংশ বৃত্তাকার।

ii. মাইক্রোস্পোরোফিলের নিম্নতলে অসংখ্য স্পোরাঞ্জিয়া সৃষ্টি হয় এবং ৩-৪টি স্পোরাঞ্জিয়া একত্রে থেকে সোরাস গঠন করে। মেগাস্পোরোফিলে স্পোরাঞ্জিয়া সৃষ্টি না হলেও এর বৃন্তের দু'পার্শ্বে বৃহৎ আকারের কয়েকটি ডিম্বক সৃষ্টি হয়।

iii. মাইক্রোস্পোরোফিল সাধারণত ৩-৫ সে.মি. লম্বা হয়, কিন্তু মেগাস্পোরোফিল ১৫-২০ সে.মি. লম্বা হয়ে থাকে।

iv. মাইক্রোস্পোরোফিলগুলি পুং উদ্ভিদের শীর্ষে ঘন গুচ্ছাকারে সজ্জিত হয়ে মোচাকৃতির পুং স্ট্রোবিলাস গঠন করলেও স্ত্রী উদ্ভিদের মেগাস্পোরোফিলগুলি স্ত্রী স্ট্রোবিলাস গঠন করে না।

v. মাইক্রোস্পোরোফিল শুক্রাণু তৈরির জন্য এবং মেগাস্পোরোফিল ডিম্বাণু তৈরির জন্য দায়ী।

vi. মাইক্রোস্পোরোফিল মাইক্রোস্পোর এবং মেগাস্পোরোফিল মেগাস্পোর তৈরি করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২২ – নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”