A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২২ – উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৯ম অধ্যায় — উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব🔢 সৃজনশীল নং ৪৬🏫 বোর্ড দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল ২০২২⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৯

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অবাত শ্বসনে যে প্রক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্য ভেঙে আ্যালকোহল সৃষ্টি করে তাকে গাজন বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

একটি শারীরবিজ্ঞানিক প্রক্রিয়া যদি একাধিক ফ্যাক্টর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তবে সবচেয়ে ধীর গতিসম্পন্ন যে ফ্যাক্টর দ্বারা প্রক্রিয়ার হার নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে লিমিটিং ফ্যাক্টর বলে।

ব্ল্যাকম্যান ল অব মিনিমাম এর উপর ভিত্তি করে ল অব লিমিটিং ফ্যাক্টর সূত্র প্রস্তাব করেন।সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় তাপমাত্রা, আলোর তীব্রতা এবং CO2 এর ঘনত্ব এই তিনটি লিমিটিং ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত S হলো পত্ররন্ধ্র।

পাতার উর্ধ্ব ও নিম্ন তলের বহিঃত্বকে অবস্থিত দুটি রক্ষীকোষ দিয়ে পরিবেষ্টিত সূক্ষ্ম বন্ধকে পত্ররন্ধ্র বলে।

Imamura ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে রক্ষীকোষে পটাসিয়াম আয়ন প্রবেশ প্রমাণ করেন। পরবর্তী বহু গবেষণায় রক্ষীকোষে পটাসিয়াম আয়নের প্রবেশকে রক্ষীকোষের স্ফীতির মূল কারণ হিসেবে প্রমাণিত হয়। প্রক্রিয়াটি নিম্নরূপে ব্যাখ্যা করা যায়।

পত্ররন্ধ্র খোলা (আলোতে):আলোক বর্ণালীর নীল অংশ রক্ষীকোষের রিসেপ্টর উদ্দীপ্ত করে, যার ফলে সক্রিয়ভাবে পটাসিয়াম আয়ন (K") রক্ষীকোষে প্রবেশ করে। K প্রবেশের কারণে কোষস্থ দ্রবণে দ্রব্যের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায় এবং পার্শ্ববর্তী কোষ হতে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানি রক্ষীকোষে প্রবেশ করে। রক্ষীকোষে পানি প্রবেশের ফলে রক্ষীকোষ স্ফীত হয় এবং পত্ররন্ধ্র খুলে যায়। নীল আলো পত্ররন্ধ্র খোলা ত্বরান্বিত করে।কোষে CO2 এর পরিমাণ কমে গেলে রক্ষীকোষে K প্রবেশ বৃদ্ধি পায়, ফলে পার্শ্ববর্তী কোষ থেকে পানি রক্ষীকোষে প্রবেশ করে এবং রক্ষীকোষ স্ফীত হয়ে পত্ররন্ধ্র খুলে যায়।

পত্ররন্ধ্র বন্ধ হওয়া (অন্ধকারে):আলোর অভাবে বা অন্য কোনো কারণে রক্ষীকোষ থেকে K' বের হয়ে যায়, সাথে সাথে পানিও বের হয়ে যায়। ফলে রক্ষীকোষ স্ফীতি হারিয়ে শিথিল হয়ে পড়ে এবং পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।মেসোফিল কোষে পানির অভাব দেখা দিলে সেখানে অ্যাবসিসিক অ্যাসিড তৈরি হয়। যার ফলে রক্ষীকোষ থেকে K' বের হয়ে যায়। K' বের হয়ে গেলে পানিও বের হয়ে যায়, ফলে রক্ষীকোষ স্ফীতি হারায় এবং পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত S হলো পত্ররন্ধ্র এবং R হলো পানি পত্ররন্ধ্র। পাতার উর্ধ্ব ও নিম্ন তলের বহিঃত্বকে অবস্থিত দুটি রক্ষীকোষ দিয়ে পরিবেষ্টিত সূক্ষ্ম বন্ধকে পত্ররন্ধ্র বলে।পত্ররন্ধ্র পাতা খোলা বা বন্ধ নিয়ন্ত্রণ করে।সপুষ্পক উদ্ভিদের বহিঃত্বকে ছিদ্র থাকে যার মাধ্যমে পাতার কিনারা থেকে তরল পানি নির্গত হয় তাকে পানি পত্ররন্ধ্র বলে।

নিচে পত্ররন্ধ্র ও পানি পত্ররন্ধ্রের মধ্যে তুলনা করা হলো –

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২২ – উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”