আন্তঃকণা আকর্ষণ শক্তি এবং কণাগুলোর গতিশক্তি দিয়ে পদার্থের কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থা ব্যাখ্যা করার তত্ত্বকে কণার গতিতত্ত্ব, বলে।
পর্যায় সারণির গ্রুপ-11 এর ১ম 3টি মৌল যেমন: Cu, Ag, Au কে মুদ্রা ধাতু (Coin metals) বলা হয়। কারণ প্রাচীনকালে রাজা-বাদশাগণ Ag ধাতু দ্বারা মুদ্রা তৈরি করতেন এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ও লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে Ag মুদ্রা ব্যবহার করতেন। এজন্য Ag কে মুদ্রা ধাতু বলে।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, A যৌগটি (লরাইল অ্যালকোহল)। নিচে লরাইল অ্যালকোহল থেকে ডিটারজেন্ট প্রস্তুতি সমীকরণসহ বর্ণনা করা হলো-
লরাইল অ্যালকোহল থেকে ডিটারজেন্ট প্রস্তুতি: প্রথমে দীর্ঘ শিকলবিশিষ্ট অ্যালকোহল তথা লরাইল অ্যালকোহল এর সাথে বিক্রিয়া করে লরাইল হাইড্রোজেন সালফেট এবং পানি উৎপন্ন করে। অতঃপর লরাইল হাইড্রোজেন সালফেট এর সাথে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ( NaOH ) বিক্রিয়া করে সোডিয়াম লরাইল সালফেট উৎপন্ন করে, যা ডিটারজেন্ট নামে পরিচিত।
বিক্রিয়া:
উদ্দীপকের তথ্যমতে, B যৌগটি ইথিন । ইথিন থেকে ক্লোরোমিথেন ( ) প্রস্তুতি সম্ভব। নিচে তা রাসায়নিক সমীকরণসহ বিশ্লেষণ করা হলো-
ইথিন থেকে ক্লোরোমিথেন প্রস্তুতি : প্রভাবকের উপস্থিতিতে ইথিন পানির বাম্পের সাথে উচ্চ তাপ এবং উচ্চ চাপে বিক্রিয়া করে ইথানল উৎপন্ন করে।
উৎপন্ন ইথানলকে শক্তিশালী জারক দ্বারা জারিত করলে প্রথমে ইথান্যাল এবং পরবর্তীতে পুনরায় জারিত হয়ে ইথানোয়িক এসিড উৎপন্ন হয়।
বিক্রিয়া:
ইথানোয়িক এসিড প্রথমে NaOH এর সাথে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম ইথানয়েটে পরিণত হয়। পরে তা সোডা লাইম (NaOH + CaO) এর সাথে বিক্রিয়া ঘটিয়ে মিথেন প্রস্তুত করা হয়।
প্রাপ্ত কে মৃদু সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরিনের সাথে বিক্রিয়া করালে ক্লোরোমিথেন পাওয়া যায়। যেমন-
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, ইথিন থেকে ক্লোরোমিথেন প্রস্তুত করা সম্ভব হয়েছে।
