A. Nayan
A. Nayan
19 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘দিনমজুর ওসমানের বড়ো…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩ – বহিপীর, নাটক, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: ময়মনসিংহ বোর্ড📅 সাল: ২০২৩⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

দিনমজুর ওসমানের বড়ো মেয়ে রাহেলা দশম শ্রণিতে পড়ছে। দেখতে বেশ সুন্দরী হওয়ায় গ্রামের মাতব্বর হাসমত মোল্লার দুবাই প্রবাসী মাঝবয়সি ছেলে আজমতের সাথে তার বিয়ের প্রস্তাব আসে। রাহেলার মতের বিরুদ্ধে তার বাবা বিয়ের কথা পাকাপাকি করে ফেলেন। নিরুপায় হয়ে রাহেলা তার স্কুলের প্রধান শিক্ষকের শরণাপন্ন হয়। প্রধান শিক্ষক তৎক্ষণাৎ প্রশাসনের সহায়তায় এই বিয়ে বন্ধের ব্যবস্থা করেন।

উত্তর:

নাটকের প্রাণ হচ্ছে সংলাপ।

উত্তর:

ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ বলেই হাতেম আলি আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য তাহেরাকে পির সাহেবের হাতে তুলে দিতে চাননি। জমিদারি রক্ষার জন্য হাতেম আলি তাহেরাকে পিরের হাতে সমর্পণ করতে হবে। কিন্তু কোনো হীন কাজ করে জমিদারি রক্ষা করার মতো নীচ ব্যক্তি তিনি নন। তাই শুধু নিজের স্বার্থের জন্য হাতেম আলি তাহেরাকে বহিপীরের হাতে তুলে দিতে রাজি হননি।

উত্তর:

উদ্দীপকের প্রধান শিক্ষক ‘বহিপীর’ নাটকের হাশেম আলির প্রতিনিধিত্ব করেন।

‘বহিপীর’ নাটকের একটি আত্মসচেতনমূলক চরিত্র হলো হাশেম আলি। তার মধ্যে সচেতনতা ও রুচিবোধের পরিচয় পাওয়া যায়। তার মনে প্রতিবাদী চেতনা রয়েছে। কারণ পুরো বজরার মানুষ যখন তাহেরার বিপক্ষে চলে যায় তখন হাশেম আলি তাহেরার পক্ষ নেয়। বৃদ্ধ পির তাহেরাকে অধিকার করতে চাইলে হাশেমই তাহেরাকে নিয়ে নতুন জীবনের সন্ধানে বের হয়। প্রতিবাদী চেতনার অধিকারী হওয়ায় হাশেম আলি তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজে বৃদ্ধ পিরের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করার দুঃসাহস দেখাতে সক্ষম হয়।

উদ্দীপকের প্রধান শিক্ষক প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করেছেন। কারণ তার ছাত্রী রাহেলাকে তিনি বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা করেন। রাহেলার বাবা জোরপূর্বক দুবাই প্রবাসী মাঝবয়সী লোকের সাথে রাহেলার বিয়ে দিতে চেয়েছিল। নিরুপায় হয়ে রাহেলা প্রধান শিক্ষকের শরণাপন্ন হয়। প্রধান শিক্ষক রাহেলার অসম বিয়ে বন্ধ করতে সক্ষম হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের প্রধান শিক্ষক ‘বহিপীর’ নাটকের হাশেম আলির প্রতিনিধিত্ব করেন।

উত্তর:

উদ্দীপকের রাহেলা যেন 'বহিপীর' নাটকের তাহেরা চরিত্রেরই প্রতিচ্ছবি'- মন্তব্যটি যথার্থ।

বাংলা সাহিত্যে আধুনিক মননের অধিকারী নাট্যকার সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ জনপ্রিয় একটি নাটক 'বহিপীর'। এ নাটকে বর্ণিত হয়েছে যে, বহিপীরকে বিয়ে করতে চায় না বলে তাহেরা ঘর থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনাক্রমে একই বজরায় বহিপীরের অবস্থান জানতে পারলে বহিপীরকে বিয়ে না করার মরণপণ প্রতিজ্ঞার কথা জানায়। নাটকের শেষ পর্যায়ে বহিপীরের কবল থেকে মুক্তি দিতে তাহেরাকে নিয়ে পালিয়ে যায় জমিদারপুত্র হাশেম আলি।

উদ্দীপকের দশম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী রাহেলা বিয়ে না করে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে চায়। এ কথা প্রধান শিক্ষককে জানালে তিনি প্রশাসনের সহায়তায় তার বিয়ে বন্ধ করে পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেন। ফলে রাহেলা অসম বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পায়। উদ্দীপকের রাহেলা বিয়ে বন্ধ করতে উপযুক্ত কৌশল অবলম্বন করে।

'বহিপীর' নাটকে বহিপীরকে বিয়ে না করতে চাচাতো ভাইকে নিয়ে ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায় তাহেরা। কিন্তু ঘটনাক্রমে একই বজরায় তাহেরা ও বহিপীর আশ্রয় নেয়। নাটকের শেষে হাশেম আলি তাকে পালিয়ে নিয়ে গিয়ে বহিপীরের হাত থেকে মুক্তি দেয়। তাহেরা ও উদ্দীপকের রাহেলা উভয়েই প্রতিবাদী চেতনার কারণে অসম বিয়ে বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে। সুতরাং উদ্দীপকের রাহেলা যেন 'বহিপীর' নাটকের তাহেরা চরিত্রেরই প্রতিচ্ছবি।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘দিনমজুর ওসমানের বড়ো…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩ – বহিপীর, নাটক, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”