A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘দিপা জিরাফের লম্বা…’ সিলেট এমসি কলেজ ২০২৫ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১১তম অধ্যায় — জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন🔢 সৃজনশীল নং ৮৪🏢 প্রতিষ্ঠান সিলেট এমসি কলেজ📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

দিপা জিরাফের লম্বা গলা সম্পর্কে শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে শিক্ষক বিবর্তনের আলোকে তা ব্যাখ্যা করেন। সাথে আরো বললেন যে, এমন একটি প্রাণী ছিল যা দেখতে পাখির মতো হলেও তার মধ্যে সরীসৃপের বৈশিষ্ট্যও বিদ্যমান ছিল।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ১১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জীবের একটি জননকোষের ক্রোমেসোমে বিদ্যমান জিনের সমষ্টিকে জিনোম বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য অনেকগুলো জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হলে তাকে পলিজেনিক জিন বলে। এ পলিজেনিক জিনের বংশানুক্রমিক সঞ্চারণকে পলিজেনিক ইনহেরিট্যান্স বলে। পলিজেনিক ইনহেরিট্যান্স ফিনোটাইপের ক্রমাগত ভিন্নতা প্রদান করে। মানুষের ত্বকের রং, হৃদরোগ, কতিপয় ক্যান্সার, মানসিক অসুস্থতা ইত্যাদি পলিজেনিক জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রথম প্রাণী অর্থাৎ জিরাফ সম্পর্কে যে ব্যাখ্যা প্রদান করেন তা হলো লম্বা গলা যা, ল্যামার্কের তথ্য অনুসারে ব্যাখ্যা করা যায়। নিচে জিরাফের গলা লম্বা হওয়ার কারণ বিবর্তনের আলোকে ব্যাখ্যা করা হলো-

ল্যামার্কের মতে, প্রাচীনকালে জিরাফের গলা বেশ ছোট ছিল। আবাসস্থলে চারণভূমির অভাবে হরিণাকৃতির জিরাফের পূর্ব-পুরুষরা গাছের পাতা খেতে শুরু করে। উঁচু গাছের পাতা খাওয়ার জন্য জিরাফ তার অগ্রপদের উপর ভর দিয়ে গ্রীবা উত্তোলন করতে থাকে। এভাবে ক্রমাগত বংশানুক্রমে গ্রীবা উত্তোলনের ফলে জিরাফের পরবর্তী বংশধরদের গলা আস্তে আস্তে লম্বা হতে হতে বর্তমান জিরাফের ন্যায় হয়েছে। ল্যামার্কের মতে, অর্জিত বৈশিষ্ট্য পরবর্তী বংশধরে বাহিত হয়ে জিরাফের গলা লম্বা হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের ২য় প্রাণীটি হলো Archaeopteryx। নিচে প্রাণীটির বিবর্তনিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো-

জীবাশ্মের বিশ্লেষণে বিজ্ঞানীদের দেওয়া তথ্য প্রমাণাদি থেকে জানা যায় যে Archaeopteryx হলো বিবর্তনিক সংযোগকারী প্রাণী যাতে সরীসৃপ ও পাখির বৈশিষ্ট্যের সমন্বয় ঘটেছে।

Archaeopteryx এ সরীসৃপের বৈশিষ্ট্য:

১. দেহ ও বাহুতে আঁইশের উপস্থিতি।
২. অস্থিগুলো নিরেট প্রকৃতির।
৩. শক্তিশালী চোয়ালের কোটরে বসানো সমআকৃতির দাঁত।
৪. অগ্রপদে তিনটি করে নখরযুক্ত আঙ্গুলের উপস্থিতি।

Archaeopteryx এ পাখির বৈশিষ্ট্য:

১. দেহে উন্নত পালকের উপস্থিতি।
২. অগ্রপদ ডানায় রূপান্তরিত এবং এতে উড্ডয়ন পালক রেমিজেসের উপস্থিতি।
৩. লেজে উড্ডয়ন পালক রেষ্ট্রিসেসের উপস্থিতি।
৪. চোয়াল চক্ষুতে রূপান্তরিত।

বিজ্ঞানীগণ মনে করেন পাখিদের উৎপত্তি ঘটে সরীসৃপ ও পাখীদের মধ্যবর্তী প্রাণী Archaeopteryx থেকে। নিম্নতর সরীসৃপ প্রাণী থেকে উন্নত পাখিদের বিবর্তনের ক্ষেত্রে Archaeopteryx একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। বিজ্ঞানী হাক্সলি যথার্থই বলেছেন পাখিরা হলো মহিমান্বিত সরীসৃপ। পাখিদের বিবর্তনিক পথ হলো:

সরীসৃপ → Archaeopteryx → পাখি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘দিপা জিরাফের লম্বা…’ সিলেট এমসি কলেজ ২০২৫ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”