A. Nayan
A. Nayan
28 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী…’ সিলেট বোর্ড ২০২৪ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ৫ম অধ্যায় : বই পড়া - প্রমথ চৌধুরী🔢 সৃজনশীল নং: ১৫🏫 বোর্ড: সিলেট বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী যোবায়েরের প্রবল ঝোঁক বই পড়ার প্রতি। পাঠ্যবইয়ের বাইরে কবিতা, উপন্যাস, সাইন্স ফিকশন, গোয়েন্দা কাহিনি ইত্যাদি বিষয়ে তার বিস্তর আগ্রহ। তার বাবাও তাকে বই পড়তে ও বই কিনতে উৎসাহিত করেন। পড়ার আগ্রহ দেখে বাবা তাকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরিতে ভর্তি করিয়ে দেন। একদিন সে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের লাইব্রেরির সদস্য হয়।

উত্তর:

শিক্ষার সর্বপ্রধান অঙ্গ হলো সাহিত্যচর্চা।

উত্তর:

মনের হাসপতাল বলতে লেখক লাইব্রেরিকে বুঝিয়েছেন।

'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক মনে করেন বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা বিভিন্ন দিক থেকে আমাদের অনেক ক্ষতি করেছে। স্কুল-কলেজের বর্তমান শিক্ষাপদ্ধতিতে নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রমে শিক্ষার্থীরা সংকীর্ণ পরিসরে মুখস্থবিদ্যা চর্চা করতে করতে শিক্ষার উদ্দেশ্য ও আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকে। অন্যদিকে তারা লাইব্রেরি তথা গ্রন্থাগারে নিজ নিজ রুচি, পছন্দ ও চাহিদা অনুযায়ী গল্প, কবিতা, উপন্যাস, নাটক অনুশীলন করতে পারে। ফলে তাদের মন-প্রাণ সরস, সজীব, সতেজ হয়ে আনন্দ-রসে পূর্ণ হয়ে ওঠে। তাই মনের হাসপাতাল বলতে লাইব্রেরিকেই বোঝানো হয়েছে।

উত্তর:

উদ্দীপকের মূলভাব 'বই পড়া' প্রবন্ধের সাহিত্যচর্চার গুরুত্বের বিষয়টির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক বই পড়ার গুরুত্ব নির্দেশ করতে গিয়ে স্কুল-কলেজের প্রচলিত শিক্ষার ত্রুটি এবং লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। স্কুল-কলেজের পাঠ্যবইয়ে বাইরে বই না পড়লে শিক্ষা অপূর্ণ থেকে যায়। তাই পরিপূর্ণ শিক্ষা অর্জনে এবং প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে চাইলে বই পড়তে হবে। লেখকের মতে. স্বশিক্ষিত লোক মাত্রই সুশিক্ষিত। বই পড়ে একজন ব্যক্তি স্বশিক্ষিত হওয়ার সুযোগ লাভ করেন। মনের দাবি রক্ষা করতে পারেন। লেখকের মতে মনের দাবি রক্ষা না হলে আত্মা বাঁচে না।

উদ্দীপকের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী যোবায়েরের বই পড়ার প্রতি প্রবল ঝোঁক। পাঠ্যবইয়ের বাইরে সে বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে। তার বাবাও তাকে বই পড়তে ও বই কিনতে উৎসাহিত করেন। পড়ার আগ্রহ দেখে বাবা তাকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরিতে ভর্তি করিয়ে দেন। একদিন সে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সদস্য হয়। এখানে যোবায়ের ও তার বাবার মধ্যে সাহিত্যচর্চার প্রতি আগ্রহ লক্ষ করা যায়। 'বই পড়া' প্রবন্ধেও লেখক এই সাহিত্যচর্চার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি মনে করেন সাহিত্যচর্চা হলো শিক্ষার প্রধান অঙ্গ, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আর এই সাহিত্যচর্চা করতে যেতে হবে লাইব্রেরিতে, যা উদ্দীপকের মূলভাবে ফুটে উঠেছে।

উত্তর:

'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক স্কুল-কলেজের শিক্ষার সমালোচনা, লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা, সাহিত্যচর্চার প্রয়োজনীয়তা এবং বই পড়ার যে গুরুত্ব নির্দেশ করেছেন তা পরিপূর্ণভাবে উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি বলে "উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'বই পড়া' প্রবন্ধের অংশবিশেষ বর্ণনা মাত্র" উক্তিটি যথার্থ।
'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের মতে বই পড়া ছাড়া সাহিত্যচর্চার উপায়ান্তর নেই। বই পড়লে মানুষের মনের দারি রক্ষা হয়। আর মনের দাবি রক্ষা না হলে আত্মা বাঁচে না। স্কুল-কলেজে যে শিক্ষা প্রচলিত তাতে আত্মার মৃত্যু ঘটে। এখানে বিদ্যে গেলানোর মাধ্যমে যে শিক্ষা দেওয়া হয় তাতে সাহিত্যচর্চার সুযোগ থেকে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হয়। এই বঞ্চিত হওয়ার অর্থ হচ্ছে জাতির জীবনীশক্তির হ্রাস করা। লেখকের এসব আলোচনা উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি।

উদ্দীপকের জোবায়েরের বই পড়ার প্রতি প্রবল ঝোঁক দেখা যায়। পাঠ্যবইয়ের বাইরে সে কবিতা, উপন্যাস, সাইন্স ফিকশন, গোয়েন্দা কাহিনি ইত্যাদি বিষয়ে জানতে আগ্রহী। তার এই আগ্রহকে তার বাবাও সমর্থন করে তাকে এই ব্যাপারে সহায়তা করেন। 'বই পড়া' প্রবন্ধেও লেখক এই সাহিত্যচর্চার বিষয়টির প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। তবে এটি প্রবন্ধের একটি খণ্ডিত অংশ মাত্র। এই বিষয়টি ছাড়াও প্রবন্ধে আরও অনেক বিষয় প্রতিফলিত হতে দেখা যায়।

'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থাকে সমালোচনা করেছেন। তিনি মনে করেন এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা বিদ্যা অর্জনের পরিবর্তে আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি, অসংগতি, অপূর্ণতা, অতীতের শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষাগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা উল্লেখ করে তিনি বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। আর সেই জন্য তিনি বেশি বেশি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন। পাশাপাশি প্রগতিশীল জগতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য সাহিত্যচর্চার প্রয়োজনীয়তা, জাতির মানসিক বিকাশ ও সমৃদ্ধিতে বই পড়ার গুরুত্বও তুলে ধরেছেন, যা উদ্দীপকে নেই। তাই উল্লিখিত বিষয়গুলোর আলোকে একথা বলা যায়, প্রশ্নে প্রদত্ত উক্তিটি যথার্থ।

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী…’ সিলেট বোর্ড ২০২৪ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”