| ㅤ | A. Nayan18 Oct 2026 (1 week ago) |
সৃজনশীলঃ ‘দৃশ্যকল্প-১: চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ…’ ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)

দৃশ্যকল্প-১: চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর এক জায়গায় ফুলে ওঠে, আবার অন্য জায়গায় নেমে যায়।
দৃশ্যকল্প-২: চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে এক ধরনের জোয়ারের সৃষ্টি করে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৮
শীতল ও গাঢ় নীল রঙের মেরু স্রোত এবং উষ্ণ ও হালকা সবুজ রঙের ক্রান্তীয় স্রোতের মিলনস্থলকে হিমপ্রাচীর বলা হয়।
দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে প্রবাহিত প্রধান স্রোতগুলো হলো:
দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত: বায়ুপ্রবাহের কারণে পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত হয়।
মাদাগাস্কার স্রোত: মাদাগাস্কার দ্বীপের পূর্ব পাশা দিয়ে প্রবাহিত উষ্ণ স্রোত।
মোজাম্বিক স্রোত: মাদাগাস্কার ও আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত উষ্ণ স্রোত।
আগুলহাস স্রোত : মোজাম্বিক ও মাদাগাস্কার স্রোত মিলিত হয়ে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়।
পশ্চিম বায়ু স্রোত: দক্ষিণ ভারত মহাসাগরের দক্ষিণংশে অবস্থিত শীতল স্রোত)
দৃশ্যকল্প-২ এ বলা হয়েছে, চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। এই বিশেষ অবস্থানে যে জোয়ার হয় তাকে তেজকটাল বলা ভরা কটাল বলে।
অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী সমসূত্রে অবস্থান করে। এ অবস্থায় চন্দ্র ও সূর্যের সম্মিলিত আকর্ষণে যে প্রবল জোয়ার সংঘটিত হয় তাকে ভরাকটাল বা তেজকটাল বলে। ভরাকটাল বা তেজকটালকে তিথির ভিত্তিতে দুই ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা-অমাবস্যার ভরাকটাল এবং পূর্ণিমার ভরাকটাল।
(i) চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী ঘূর্ণনকালে যখন চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই দিকে ১৮০° কোণে অবস্থান করে এবং উভয়ের মিলিত আকর্ষণে যে জোয়ার সংঘটিত হয় তাকে অমাবস্যার ভরাকটাল বলে।
(ii) পূর্ণিমার সময় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর দু'পাশে সমসূত্রে অবস্থান করে পরস্পর বিপরীতমুখী আকর্ষণের ফলে যে জোয়ার সংঘটিত হয় তাকে পূর্ণিমার ভরাকটাল বলে। এ অবস্থায় চন্দ্রের দিকে মুখ্য জোয়ার এবং সূর্যের দিকে গৌণ জোয়ার হয়। পূর্ণিমার ভরাকটালের তীব্রতা ভরাকটালের তুলনায় কম।