A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘দৃশ্যকল্প-১:দৃশ্যকল্প-২: রহমান সাহেবের…’ ক্যান্টনমেন্ট কলেজ ২০২৬ – আচরণের জৈবিক ভিত্তি, মনোবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ optional📚 বই মনোবিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ মনোবিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — আচরণের জৈবিক ভিত্তি🔢 সৃজনশীল নং ৪০🏢 প্রতিষ্ঠান ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, কুমিল্লা সেনানিবাস📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

দৃশ্যকল্প-১:

দৃশ্যকল্প-২: রহমান সাহেবের সম্প্রতি ডায়াবেটিস ধরা পড়েছে। অপরদিকে তার খালাতো বোন জ্যোতির সন্তান প্রসবকালে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। ডাক্তার বলেছেন একটি বিশেষ হরমোনের অভাবে এমনটি হয়েছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

একটি স্নায়ুকোষের সাথে আরেকটি স্নায়ুকোষের সংযোগ স্থলকে সন্নিকর্ষ বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

থ্যালামাসকে রিলে স্টেশন বা সংবাদ প্রেরক যন্ত্র বলা হয়।
থ্যালামাস মস্তিষ্কের উপরে অবস্থিত দুই অংশ বিশিষ্ট স্ফীত সম্মুখ মস্তিষ্কের একটি অংশ। তৃতীয় গহ্বরের পাশে অবস্থিত। এটি একটি সংযোগ স্থাপনকারী কেন্দ্র। থ্যালামাস বিভিন্ন ইন্দ্রিয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে সংবেদন গ্রহণ করে এবং ঊর্ধ্বতন কেন্দ্রসমূহে তা প্রেরণ করে। তাই থ্যালামাসকে সংবাদ প্রেরক যন্ত্র বা Relay Station বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে প্রদর্শিত দৃশ্যকল্প-১ হলো নিউরন। নিচে নিউরনের গঠন বর্ণনা করা হলো—

১.কোষদেহ : প্লাজমামেমব্রেন, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস সমন্বয়ে গঠিত নিউরনের গোলাকার, তারকাকার, অথবা ডিম্বাকার অংশ কোষদেহ নামে পরিচিত। সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজিবস্তু, লাইসোসোম, চর্বি, গ্লাইকোজেন, রঞ্জক কণাসহ অসংখ্য নিসল দানা থাকে ।

২. প্রলম্বিত অংশ : কোষদেহ থেকে সৃষ্ট শাখা-প্রশাখাকেই প্রলম্বিত অংশ বলে । প্রলম্বিত অংশ দুই ধরনের। যথা :

i. ডেনড্রাইট : কোষদেহের চারদিকে শাখাযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রলম্বিত অংশকে ডেনড্রাইট বলে। একটি নিউরনে ডেনড্রাইট সংখ্যা শূন্য থেকে কয়েকটি পর্যন্ত হতে পারে ।

ii. অ্যাক্সন : কোষদেহ থেকে উৎপন্ন বেশ লম্বা শাখাহীন তন্তুটির নাম অ্যাক্সন । এর চারদিকে পাতলা আবরণটিকে নিউরিলেমা বলে।

নিউরিলেমা পরিবেষ্টিত অ্যাক্সনকে স্নায়ুতন্ত্র বলে। বহুসংখ্যক অ্যাক্সন ডেনড্রাইট মিলিত হয়ে স্নায়ু গঠন করে। নিউরিলেমা ও অ্যাক্সনের মধ্যবর্তী অঞ্চলে স্নেহ পদার্থের একটি স্তর থাকে। একে মায়োলিন বলে। এ আবরণীটি  অবিচ্ছিন্ন নয়। নির্দিষ্ট দূরত্ব পর পর এটি সাধারণত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকে। এ বিচ্ছিন্ন অংশে নিউরিলেমার সাথে অ্যাক্সনের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শ ঘটে। এ আবরণীবিহীন অংশটি র‍্যানভিয়ারের পর্ব নামে পরিচিত। অ্যাক্সনের মূল অক্ষের আবরণীকে অ্যাক্সলেমা বলে ।

 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

দৃশ্যকল্প-২ এ রহমান সাহেব এবং জ্যোতির সমস্যার জন্য একই গ্রন্থি দায়ী- উক্তিটি সত্য নয়।
রহমান সাহেবের ডায়াবেটিকস হওয়ার মূল কারণ হলো ইনসুলিন হরমোনের অভাব। ইনসুলিন হরমোন মানবদেহের অগ্ন্যাশয় নামক গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। অগ্ন্যাশয় গ্রন্থি পাকস্থলির নিচে অবস্থান করে। এটি একটি ভিন্ন আকৃতির গ্রন্থি সেটিতে সনালি ও অনালি- উভয় গ্রন্থিই রয়েছে। এটি মানুষের রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে অগ্ন্যাশয় গ্রন্থি হতে নিঃসৃত হরমোন ইনসুলিন হরমোন বহুমূত্র (Diabetes) রোগের নিরাময়ে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। অগ্ন্যাশয় গ্রন্থি ঠিকমতো ইনসুলিন তৈরি করতে না পারলে রক্তের শর্করা মূত্রের সাথে বের হয়ে যায়, ফলে রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে। এটি ডায়াবেটিসক্স নামে পরিচিত বহুমূত্র রোগ উপশমের জন্য ইনসুলিন ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়।
প্রদত্ত উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ এ জ্যোতির শারীরিক অবস্থার জন্য দায়ী হরমোন হলো অক্সিটোনিন হরমোন। অক্সিটোনিন হরমোন পিটুইটারি গ্রন্থির পশ্চাৎ অংশ থেকে নিঃসৃত হয়। এই হরমোনের ঘাটতি হলে গর্ভবর্তী নারীদের সন্তান প্রসবে বিগ্ন ঘটে। এই হরমোন জরায়ুর সংকোচন ও প্রশরণ ঘটায়।
পিটুইটারী গ্রন্থির পশ্চৎ অংশ থেকে যে রস ক্ষরিত হয় তা অন্যান্য গ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে, অন্ত্র, মূত্রাশয় প্রভৃতিকে সক্রিয় করে তোলে: প্রসবকালে জরায়ুর পেশিকে সংকুচিত করে সন্তান প্রসবে সহায়তা করে। তাই জ্যোতির শারীরিক অবস্থার জন্য পিটুইটারী গ্রন্থি। দায়ী তা সহজেই বলা যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘দৃশ্যকল্প-১:দৃশ্যকল্প-২: রহমান সাহেবের…’ ক্যান্টনমেন্ট কলেজ ২০২৬ – আচরণের জৈবিক ভিত্তি, মনোবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”