| ㅤ | A. Nayan18 Oct 2026 (1 week ago) |
সৃজনশীলঃ ‘দৃশ্যকল্প-১:দৃশ্যকল্প-২ : রবিন…’ রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ২০২৫ – আচরণের জৈবিক ভিত্তি, মনোবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

দৃশ্যকল্প-১:
দৃশ্যকল্প-২ : রবিন একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। তাদের শ্রেণিতে সিফাত নামের একজন ছাত্র আছে যার উচ্চতা ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি। দেহের গড়নের জন্য ক্লাসের সবাই তাকে তালগাছ বলে ডাকে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৩
একটি স্নায়ুকোষের সাথে আরেকটি স্নায়ুকোষের সংযোগস্থলকে সন্নিকর্ষ বলে।
প্রতিবর্তী ক্রিয়া এমন ধরনের প্রতিক্রিয়া যা প্রাণীর ইচ্ছার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। বাহ্যিক কোনো উদ্দীপক প্রাণীর ইন্দ্রিয়কে উত্তেজিত করলে প্রাণী তার প্রতি স্বতঃস্ফূর্তভাবে যে প্রতিক্রিয়া করে তাকে প্রতিবর্তী ক্রিয়া বলে। যেমন- আগুনে হাত লাগলে দ্রুত হাত সরিয়ে নেওয়া, চোখে তীব্র আলো পড়লে চোখ বন্ধ করা ইত্যাদি।
উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্র-১ হলো নিউরন। নিচে নিউরনের গঠন বর্ণনা করা হলো-
১.কোষদেহ: প্লাজমামেমব্রেন, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস সমন্বয়ে গঠিত নিউরনের গোলাকার, তারকাকার, অথবা ডিম্বাকার অংশ কোষদেহ নামে পরিচিত। সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজিবস্তু, লাইসোসোম, চর্বি, গ্লাইকোজেন, রঞ্জক কণাসহ অসংখ্য নিসল দানা থাকে।
২. প্রলম্বিত অংশ: কোষদেহ থেকে সৃষ্ট শাখা-প্রশাখাকেই প্রলম্বিত অংশ বলে। প্রলম্বিত অংশ দুই ধরনের। যথা:
i. ডেনড্রাইট: কোষদেহের চারদিকে শাখাযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রলম্বিত অংশকে ডেনড্রাইট বলে। একটি নিউরনে ডেনড্রাইট সংখ্যা শূন্য থেকে কয়েকটি পর্যন্ত হতে পারে।
ii. অ্যাক্সন: কোষদেহ থেকে উৎপন্ন বেশ লম্বা শাখাহীন তন্তুটির নাম অ্যাক্সন। এর চারদিকে পাতলা আবরণটিকে নিউরিলেমা বলে।
নিউরিলেমা পরিবেষ্টিত অ্যাক্সনকে স্নায়ুতন্ত্র বলে। বহুসংখ্যক অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইট মিলিত হয়ে স্নায়ু গঠন করে। নিউরিলেমা ও অ্যাক্সনের মধ্যবর্তী অঞ্চলে স্নেহ পদার্থের একটি স্তর থাকে।
একে মায়োলিন বলে। এ আবরণীটি অবিচ্ছিন্ন নয়। নির্দিষ্ট দূরত্ব পর পর এটি সাধারণত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকে।
এ বিচ্ছিন্ন অংশে নিউরিলেমার সাথে অ্যাক্সনের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শ ঘটে। এ আবরণীবিহীন অংশটি র্যানভিয়ারের পর্ব নামে পরিচিত। অ্যাক্সনের মূল অক্ষের আবরণীকে অ্যাক্সলেমা বলে।
দৃশ্যকল্প-২ এ সিফাতের ক্ষেত্রে পিটুইটারি গ্রন্থি নিঃসৃত শরীরবর্ধক হরমোনের প্রভাব পড়েছে।
অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি গ্রন্থি হলো পিটুইটারি গ্রন্থি। এই গ্রন্থিকে তার কার্যাবলীর জন্য প্রভুগ্রন্থি বলা হয়। গ্রন্থি থেকে বিভিন্ন ধরনের হরমোন বা রস ক্ষরিত হয় যার মধ্যে একটি হলো শরীরবর্ধক হরমোন যা গ্রোথ হরমোন নামেও পরিচিত। শরীরবর্ধক হরমোন শারীরিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এ হরমোন যদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত ক্ষরিত হয় তাহলে শরীরের অতিরিক্ত বৃদ্ধি ঘটে এবং মানুষ দৈত্যের আকৃতি হয়। এ হরমোনের অতিরিক্ত ক্ষরণের ফলে একটি অল্প বয়স্ক কিশোরকেও ৬ থেকে ৮ ফুট লম্বা একটি দৈত্য বলে মনে হয়। এ ধরনের মানুষকে পিটুইটারি দৈত্য বলে।
আমরা উদ্দীপকে দেখতে পাই রবিন একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। তাদের শ্রেণিতে সিফাত নামের একজন ছাত্র আছে যার উচ্চতা ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি। দেহের গড়নের জন্য ক্লাসের সবাই তাকে তালগাছ বলে ডাকে। সুতরাং সিফাতের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারকারী হরমোনটি হলো শরীরের মধ্যে হরমোন।