দৃশ্যকল্প-১: কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তেজস্ক্রিয় Isotope.
দৃশ্যকল্প-২: M একটি মৌল যার নিউক্লিয়াসের ভর
পরমাণুর যে সকল স্থির কক্ষপথে ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে আবর্তন করে তাদেরকে অরবিট বলে।
সাধারণভাবে দেখা যায় যে, সমশক্তিসম্পন্ন অরবিটালসমূহ অর্ধপূর্ণ বা সম্পূর্ণ পূর্ণ হলে সে ইলেকট্রন বিন্যাস অধিকতর সুস্থিতি অর্জন করে। এক্ষেত্রে এবং ইলেকট্রন বিন্যাসবিশিষ্ট মৌল অধিকতর স্থায়ী হয়। কপার ( Cu ) এর ইলেকট্রন বিন্যাসে ( ) সুস্থিতির জন্য এর পরিবর্তে হয়। এজন্য কপারের ইলেকট্রন বিন্যাস সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম হয়।
দৃশ্যকল্প-২ অনুসারে-
ধরি, প্রোটন সংখ্যা
∴ নিউট্রন সংখ্যা
নিউক্লিয়াসের ভর = প্রোটনের ভর + নিউট্রনের ভর
বা,
বা,
বা,
বা,
বা, .
সুতরাং, M মৌলটির প্রোটন সংখ্যা 28 হওয়ায় এটি নিকেল (Ni)।
উদ্দীপকের আইসোটোপগুলো ও । নিচে মানব জীবনে আইসোটোপগুলোর গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো-
আইসোটোপ : আইসোটোপ ব্যবহার করে রোগাক্রান্ত স্থানের ছবি তোলা সম্ভব। ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে আইসোটোপ শরীরের ভিতর প্রবেশ করানো হয়। এই আইসোটোপ শরীরের নির্দিষ্ট স্থানে জমা হয়ে গামা রশ্মি বিকিরণ করে, তখন বাইরে থেকে গামা রশ্মি শনাক্তকরণ ক্যামেরা দিয়ে সেই স্থানের ছবি তোলা হয়।
Co আইসোটোপ : টিউমারের উপস্থিতি. নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজন্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সারের কোষকলাকে ধ্বংস করে।
আইসোটোপ : চিকিৎসাক্ষেত্রে আইসোটোপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় এ আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
আইসোটোপ : সর্বপ্রথম থাইরয়েড ক্যান্সার নিরাময়ে আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। রোগীকে পরিমাণ মত তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ সম্পৃক্ত দ্রবণ পান করানো হয়। এই আইসোটোপ থাইরয়েডে পৌঁছায়। এ আইসোটোপ থেকে বিটা রশ্মি নির্গত হয় এবং থাইরয়েডের ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করে।
