| ㅤ | A. Nayan15 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘এ বয়স জেনো…’ সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ – যৌবনের গান, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)

এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয়
পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে
এ বয়সে তাই নেই কোনো সংশয়- এ
দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১২
কালাপাহাড় ১৫৬৮ খ্রিষ্টাব্দে পুরী আক্রমণ করে মন্দির ও দেবদেবীর মূর্তি ধ্বংস করে।
➤ যৌবনের মাতৃরূপ বলতে লেখক যৌবনের সেবাধর্মী কোমল রূপকে বুঝিয়েছেন।
➤ যৌবনের শক্তি ঝড়ের মতো বিধ্বংসী। পৃথিবীর মিথ্যার সমস্ত আগল ভেঙে সত্যের স্বরূপ উন্মোচন এবং সত্যকে প্রতিষ্ঠাই এ শক্তির মূল লক্ষ্য। কিন্তু কখনো কখনো যৌবন কোমল রূপেও আবির্ভূত হয়। সেবাপরায়ণতা, দয়ার্দ্রতা যৌবনের আরেক রূপ। যৌবন ক্ষুধার্তকে অন্ন দান করে, অসহায়কে সাহস জোগায়, দুর্গতদের পাশে দাঁড়ায় সর্বাত্মক সাহায্য নিয়ে। আর্তের পাশে থেকে রাত জেগে সেবা করে। মূলত এই রূপকেই লেখক যৌবনের মাতৃরূপ বলেছেন।
সারকথা: যৌবনের মাতৃরূপ বলতে লেখক যৌবনের সেবাধর্মী কোষল রূপকে বুঝিয়েছেন।
➤ উদ্দীপকের প্রথম দুই চরণে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনের নির্ভীক চেতনার দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।
➤ যৌবনের শক্তি অপরিসীম। কোনো বাধাবিঘ্নই যৌবনকে তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারে না। দেশকে প্রগতির পথে, কুসংস্কার থেকে মূল্যবোধের পথে, উন্নতির পথে নিয়ে যেতে যৌবনের অপরিমেয় শক্তির কোনো বিকল্প নেই।
➤ উদ্দীপকের প্রথম দুটি চরণে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে বর্ণিত যৌবনের প্রকৃত ধর্ম যে নির্ভীকতা সেই দিকটি প্রকাশিত হয়েছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে 'এ বয়স' অর্থাৎ যুবা বয়স বা যৌবন ভীরু বা কাপুরুষ নয়। গত দুর্গম পথই হোক না কেন, সেখানে চলতে গিয়ে যৌবন কখনো ভয়ে থেমে যায় না। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধেও প্রাবন্ধিক তারুণ্যের প্রশস্তি প্রসঙ্গে তার স্বরূপ উপস্থাপন করেছেন। যৌবন হচ্ছে অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার, যা সাধারণ মানুষের জীবনকে করে তোলে গতিশীল। দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিসীম ঔদার্য, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক যৌবন মৃত্যুকে তুচ্ছ করে, সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্নভিন্ন করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। প্রবন্ধের এই দিককে উদ্দীপকের প্রথম চরণ দুটি সমর্থন করে।
সারকথা: উদ্দীপকের প্রথম দুটি চরণে গতিময়তা প্রকাশ পেয়েছে যা যৌবনের নির্ভীক চেতনার দিককে সমর্থন করে।
➤ "উদ্দীপকের শেষ চরণে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য ফুটে উঠেছে।" মন্তব্যটি যথার্থ।
➤ যুগে যুগে তারুণ্যের অফুরন্ত শক্তি এই পৃথিবীকে অনেক ধ্বংসোন্মুখ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করেছে। কারণ যৌবনের অধিকারীরা দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিমেয় ঔদার্য, বিপুল মনোবলের অধিকারী। মৃত্যুকে তুচ্ছ করে প্রগতিশীল ও কল্যাণকর জীবন রচনায় যৌবনের বিকল্প কিছু নেই।
➤ উদ্দীপকের শেষের দুটি চরণে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য ফুটে উঠেছে। কারণ উদ্দীপকে বলা হয়েছে, এ বয়সের অর্থাৎ যৌবনের কোনো সংশয় নেই। এই দেশের বুকে তাই আঠারো বছর বয়সের যৌবনের শক্তিকে কবি কামনা করেছেন সময় প্রতিকূলতা থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য। এই ভাবটি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের মূলভাব।
➤ প্রবন্ধে বলা হয়েছে যৌবন প্রাণশক্তির আধার। মানুষের জীবন গতিশীল ও প্রত্যাশাময় করতে পারে একমাত্র যৌবনই। দুক্ত দুর্বার, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক 'যৌবন' মৃত্যুকে তুচ্ছ করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। তাই এই যৌবন-শক্তিকে প্রাবন্ধিক উদাত্ত কণ্ঠে আহ্বান জানিয়েছেন সমস্ত জীর্ণ, পুরানোকে ধ্বংস করে নতুন জগৎ রচনার সাধনায় অগ্রসর হতে। প্রবন্ধের এই ভাবটি উদ্দীপকের শেষের দুই চরণে ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নের মন্তব্যটি যথার্থ।
সারকথা: 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক যৌবনের জয়গান করেছেন। জিনি যৌবনের ধর্মকে এদেশে প্রত্যাশা করেছেন, যে বিষয়টি উদ্দীপকের শেষ চরণে প্রতীয়মান। তাই বলা যায়, অনুচ্ছেদের শেষ চরণে আলোচ্য প্রবন্ধের মূল বক্তব্য ফুটে উঠেছে।