A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘এই পবিত্র বাংলাদেশবাঙালির…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৪ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — সিরাজউদ্দৌলা🔢 সৃজনশীল নং ৫৭🏫 বোর্ড ময়মনসিংহ বোর্ড📅 সাল ২০২৪⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

এই পবিত্র বাংলাদেশ

বাঙালির আমাদের

দিয়া প্রহারেণ ধনঞ্জয়

তাড়াব আমরা, করি না ভয়

যত পরদেশি দস্যু ডাকাত

রামাদের গামাদের

বাংলা বাঙালির হোক; বাংলার জয় হোক

বাঙালির জয় হোক।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মিরজাফরের মনোবাসনা ছিল বাংলার মসনদে বসা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ইংরেজরা ডাচ ও ফরাসিদের কাছে সাহায্য চেয়েছিল নবাবের আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে বাণিজ্যের নাম করে সুচতুর ইংরেজরা কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে গোপনে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করতে থাকে। নবাব সিরাজউদ্দৌলা সেই খবর পেয়ে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণ করেন। সেই আক্রমণের খবর পেয়ে ইংরেজরা নিজেদের স্বল্প সেনা ও অস্ত্রের কথা চিন্তা করে ডাচ ও ফরাসিদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে। তারা ভেবেছিল ডাচ ও ফরাসিদের কাছ থেকে সাহায্য পেলে সহজেই নবাব সিরাজের সেনাদের প্রতিহত করতে পারবে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের পরদেশি দস্যু ডাকাত 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজদের অত্যাচার ও শোষণের দিকটি উন্মোচন করে।
নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের দিকে ঔপনিবেশিক শাসকরা সবচেয়ে বেশি সচেষ্ট থেকেছে। সাম্রাজ্য বিস্তারের দিকে তাদের অনেক বেশি আগ্রহ ছিল। দুর্বলকে শোষণ করাই এদের টিকে থাকার ও অস্তিত্ব রক্ষার একমাত্র অবলম্বন।
উদ্দীপকে এই পবিত্র বাংলাদেশ থেকে অত্যাচারী শাসক-শোষক, পরদেশি দস্যু-ডাকাতদেরকে তাড়িয়ে দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। কেননা অন্যায়ভাবে এ দেশ দখল করে এ দেশের মানুষকে জিম্মি করে তাদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলে। অন্যদিকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজদের কর্মকাণ্ডেও একই দিকটি লক্ষ করা যায়। এ দেশে বাণিজ্য করতে এসে তারা এ দেশের মানুষকে শোষণ করে। অল্প টাকায় লবণ কিনে তারা অধিক মূল্যে বিক্রি করে জনগণকে শোষণ করতে থাকে। প্রজাদের ওপর তারা এভাবে সীমাহীন অত্যাচার ও নিপীড়ন চালায়। এ কারণে উদ্দীপকের দস্যু- ডাকাত 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজ বণিকদের উন্মোচন করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"উদ্দীপকে বর্ণিত বাংলার জয় সম্ভব হয়নি মূলত 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজের বিচক্ষণতার অভাবে।"- মন্তব্যটি যথার্থ।
যিনি একটি জাতির নেতৃত্ব দেবেন তাকে হতে হয় অত্যন্ত, বিচক্ষণ এবং দূরদর্শী। কেননা তার চারপাশে ষড়যন্ত্রকারীরা ওত পেতে থাকে। তার একটি ভুলু সিদ্ধান্তে পুরো জাতির স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হতে পারে। 

উদ্দীপকে পবিত্র বাংলাদেশ থেকে অত্যাচারী, নিপীড়নকারী দস্যু- ডাকাতদের তাড়িয়ে দিয়ে এ দেশের জয় ছিনিয়ে আনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে উদ্দীপকে বর্ণিত বাংলার জয় সম্ভব হয়নি। এর কারণ হিসেবে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিচক্ষণতার অভাবকে অনেকাংশেই দায়ী করা যায়। নাটকে নবাব সিরাজ বারবার অদূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে বারবার ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করার পরও তিনি মিরজাফর, জগৎশেঠ, রায়দুর্লভদের প্রতি আস্থা রেখেছেন। তাদের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে তিনি পলাশির যুদ্ধে নির্মমভাবে পরাজিত হয়েছেন।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সিরাজউদ্দৌলা পলাশির যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার সময় প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব দেন বিশ্বাসঘাতক মিরজাফরকে। আবার জগৎশেঠ, রায়দুর্লভদেরকেও তিনি বিশ্বাস করেছেন। এর ফলস্বরূপ মিরজাফর পলাশির যুদ্ধে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি। ফলে অল্প সেনা নিয়ে ইংরেজ বণিকরা যুদ্ধে জয়লাভ করে এ দেশের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়। এ দিক বিচারে বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘এই পবিত্র বাংলাদেশবাঙালির…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৪ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”