| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘এক বিশেষ ধরনের…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৯ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

এক বিশেষ ধরনের খাদ্য কতিপয় এনজাইম দ্বারা পরিপাক হয়ে
গ্লুকোজে পরিণত হয়। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত দুটি বিপরীত ধর্মী
হরমোন দেহে এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৩
আদর্শ দৈহিক ওজনের ২০℅ বা তারও বেশি পরিমান মেদ দেহে সঞ্চিত থাকলে তাকে স্থূলতা বলে।
যকৃৎ হলো মানবদেহের সবচেয়ে বড় জৈব রসায়নাগার।
যকৃৎ মানব দেহের গুরুত্বপূর্ণ পরিপাক গ্রন্থি। পরিপাকে অংশগ্রহণ ছাড়াও যকৃেত অনেক গুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয় । যকৃৎ থেকে পিত্তরস ক্ষরিত হয়। এছাড়াও পরিপাকের সকল গুরুত্বপূর্ণ বিক্রিয়া যকৃতের সংঘটিত হয়। তাই যকৃতকে জৈব রসায়নাগার বলা হয়।
শর্করা পরিপাক: লালা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালা রসে টায়ালিন ও মল্টেজ নামের শর্করাবিশ্লেষী এনজাইম পাওয়া যায়। এগুলো জটিল শর্করাকে মল্টোজ এবং সামান্য মল্টোজকে গ্লুকোজ এ পরিণত করে। টায়ালিনের ক্রিয়া মুখগহ্বরে শুরু হলেও এর পরিপাক ক্রিয়া সংগঠিত হয় পাকস্থলীতে।
রক্তে উপাদানটির অর্থাৎ গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে দুটি হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে - ১) গ্লুকাগন ও ২) ইন্সুলিন।
ইনসুলিন ও গ্লুকাগন দুটি বিপরীত ধর্মী হরমোন যা অগ্নাশয় থেকে ক্ষরিত হয়। নিম্নে রক্তের গ্লুকোজের উপাদান নিয়ন্ত্রণে হরমোন দুটির-ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হলো -
গ্লুকাগন -
১)দেহের সঞ্চিত গ্লাইকোজেন ভেঙে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
২)পরিপাক রসের নিঃসরণ কমায়। সোমাটোস্ট্যাটিন অন্য অন্য হরমোনের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
ইন্সুলিন-
১) কোষের শর্করা বিপাক হার বৃদ্ধি করে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ হ্রাস করে।
২) যকৃত ও পেশীর গ্লাইকোজেন সংশ্লেষণ হার বৃদ্ধি করে।
৩) ইনসুলিনের অভাবে রক্ত গ্লুকোজ বেড়ে গেলে ডায়াবেটিস হয়।
এভাবে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা ঠিক রাখতে গ্লুকাগন ও ইনসুলিন হরমোন কাজ করে।