A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘এক ধরনের পরজীবী…’ রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ২০২৫ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — অণুজীব🔢 সৃজনশীল নং ৬৫🏢 প্রতিষ্ঠান রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

এক ধরনের পরজীবী মশকীর মাধ্যমে মানবদেহে ম্যালেরিয়া নামক জ্বররোগ হয়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বর্তমানকালের কোনো জীবিত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অতীতকালের কোনো জীবাশ্ম উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলসম্পন্ন হলে তাকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

Cycas এর প্রধান মূল ক্ষণস্থায়ী। প্রধান মূল বিনষ্ট হওয়ার পর সেখান থেকে অস্থানিক মূল উৎপন্ন হয়। এসব অস্থানিক মূল খাড়াভাবে বর্ধিত ছোট ছোট মূল উপরের দিকে উঠে আসে এবং ক্রমাগত দ্ব্যগ্র শাখান্বিত হতে থাকে। মাটির উপরিতলে মূলগুলো ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয় এবং এদের শীর্ষে স্ফীত হয়। এসময় Nostoc, Anabaena নামক নীলাভ সবুজ শৈবাল মূলে প্রবেশ করে। যার ফলে মূলের আকৃতি পরিবর্তিত হয়ে প্রবাল বা কোরালের রূপ ধারণ করে। আকৃতিগত কারণে Cycas এর এ মূলকে কোরালয়েড মূল বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে জীবাণুটি হলো ম্যালেরিয়া পরজীবী বা Plasmodiun এ পরজীবী লোহিত রক্তকণিকাকে আক্রমণ করে এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি সম্পন্ন করে। এ দশাটি চিহ্নিত চিত্রের মাধ্যমে নিচে দেখানো হলো-

নিচে লোহিত রক্তকণিকায় আক্রমণের চক্রটি দেয়া হলো-

১। মাইক্রো-মেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েটগুলো যকৃত কোষ থেকে লোহিত রক্ত কণিকায় প্রবেশ করে এবং খাদ্য গ্রহণ করে স্ফীত ও গোলাকার হয়। এ অবস্থায় জীবাণুর দেহে ক্ষুদ্র একটি কোষ গহ্বর ও ছোট একটি নিউক্লিয়াস দেখা যায়।

২। কোষ গহ্বরটি ধীরে ধীরে বড় হয় ও নিউক্লিয়াসটি একপাশে সরে যায়, ফলে জীবাণুটি একটি আংটি আকৃতি লাভ করে যাকে সিগনেট রিং বলা হয়।  

৩। অ্যামিবয়েড ট্রফোজয়েট দশা ঘটে,,এ সময় লোহিত রক্ত কণিকাটি আকারে স্ফীত হয় এবং এর সাইটোপ্লাজমে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দানা দেখা যায়। এ গুলোকে সাফনার্স দানা বলে,, এ সাফনার্স দানার উপস্থিতি দেখে ম্যালেরিয়া রোগ শনাক্ত করা হয়।  

৪। অ্যামিবয়েড ট্রফোজয়েট দশার কোষস্থ নিউক্লিয়াস বারবার বিভাজনের মাধ্যমে বহু অপত্য নিউক্লিয়াস সৃষ্টি করে, এ অবস্থাকে সাইজন্ট বলা হয়।

৫। সাইজন্ট দশার প্রতিটি নিউক্লিয়াস বিভক্ত হয়ে মেরোজয়েট-এ পরিণত হয়। মেরোজয়েটগুলো গোলাপের পাপড়ির ন্যায় দুই স্তরে সজ্জিত হয়। এ দশাকে রোজেট বলে। 

৬। পরবর্তী অবস্থায় লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙ্গে যায় এবং মেরোজয়েটগুলো প্লাজমায় বের হয়ে আসে। মেরোজয়েট রক্তস্রোতে ঢুকে গেলে রক্তের শ্বেত রক্ত কণিকাগুলো তাকে প্রতিরোধ করতে চেষ্টা করে। এসময় রক্তে প্রচুর পরিমাণে পাইরোজেন নামক রাসায়নিক পদার্থ জমা হয় এবং এর প্রভাবেই দেহে জ্বর আসে।

৭। মুক্ত মেরোজয়েট নতুন লোহিত রক্ত কণিকাকে আক্রমণ করে এবং একইভাবে চক্রটি পুনরাবৃত্তি ঘটায়। 

৮। মেরোজয়েট গ্যামিটোসাইটে পরিণত হয়। গ্যামিটোসাইট দুই প্রকার। পুং গ্যামিটোসাইট বা মাইক্রোগ্যামিটোসাইট এবং স্ত্রী গ্যামিটোসাইট বা ম্যাক্রোগ্যামিটোসাইট। স্ত্রী ও পুং গ্যামিটোসাইটগুলো পোষক দেহের প্রান্তীয় রক্তনালীতে অবস্থান করে।মানুষের রক্তে গ্যামিটোসাইট ৭ দিনের বেশি বাঁচে না। 

 এভাবেই লোহিত রক্তকণিকার আক্রমণ ঘটে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের অণুজীবটি হলো ম্যালেরিয়া পরজীবী বা Plasmodium। ম্যালেরিয়া জীবাণু বা Plasmodium এর জীবনচক্রে সুস্পষ্ট জনুক্রম বিদ্যমান। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- 

কোনো জীবের জীবন চক্রে হ্যাপ্লয়েড ও ডিপ্লয়েড দশার পর্যায়ক্রমিক আবর্তনকে জনুক্রম বলে। ম্যালেরিয়ার জীবন চক্রে জনুক্রম ঘটে। 

হ্যাপ্লয়েড (n) দশা

স্পোরোজয়েট দশা (n): মশকীর দেহে স্পোরোগনির ফলে সৃষ্টি হয় স্পোরোজয়েট দশা। এই স্পোরোজয়েটবাহী মশকী মানুষকে দংশন করার সময় লালা নিঃসরণ করে। এ লালার সাথে জীবাণু মানুষের দেহে প্রবেশ করে। 

মাইক্রো-মেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট (n): স্পোরোজয়েট মানুষের যকৃতকে আক্রমণ করে সেখানে হেপাটিক সাইজোগনি চক্র সম্পন্ন করে। হেপাটিক সাইজোগনির ফলে সৃষ্টি হয় মাইক্রো-মেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট। মাইক্রো-মেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট মানুষের লোহিত রক্ত কণিকাকে আক্রমণ করে এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি চক্র সম্পন্ন করে। এর ফলে সৃষ্টি হয় মাইক্রোগ্যামিটোসাইট ও ম্যাক্রোগ্যামিটোসাইট।

ডিপ্লয়েড (2n) দশা 

জাইগোট দশা (2n): মশকীর দেহে গ্যামিটোগনির ফলে সৃষ্টি হয় স্ত্রী গ্যামিট ও পুং গ্যামিট। স্ত্রী ও পুং গ্যামিটের মিলনের ফলে জাইগোট সৃষ্টি হয়। 

উওকিনেট (2n): জাইগোট রূপান্তরিত হয়ে সৃষ্টি করে উওকিনেট । উওকিনেট উওসিস্ট এ পরিণত হয়। ডিপ্লয়েড উওসিস্ট মায়োসিস পদ্ধতিতে বিভাজিত হয়ে হ্যাপ্লয়েড স্পোরোজয়েট সৃষ্টি করে। এ হ্যাপ্লয়েড স্পোরোজয়েট দশা মশকীর লালার মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে।

উপরোক্ত আলোচনা থেকে দেখা যায় যে, ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবন চক্রে হ্যাপ্লয়েড ও ডিপ্লয়েড দশা পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়। সুতরাং ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবন চক্রে সুস্পষ্ট জনুক্রম বিদ্যমান।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘এক ধরনের পরজীবী…’ রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ২০২৫ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”