| ㅤ | A. Nayan15 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘এক সময়ের ডাকসাইটে…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২ – সোনার তরী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)

এক সময়ের ডাকসাইটে জমিদার নারায়ণ চৌধুরী প্রজ্ঞা ও প্রতিভায় ছিলেন সবার
শীর্ষে। তাঁর জীবনের অর্জিত সম্পদের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে সন্তানদের মানুষ
করেছেন তিনি। ছেলে-মেয়েরা ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিদেশে ভালো অবস্থানে
রয়েছেন। কিন্তু বৃদ্ধ বাবার খোঁজ-খবর নেওয়ার সময় নেই তাঁদের কারও। বার্ধক্যের
এই সংকটাপন্ন অবস্থায় তিনি বৃদ্ধাশ্রমেও যাননি সন্তানদের সম্মানের কথা ভেবে।
এখন তাঁর সময় কাটে নিজের বাড়িতে একেবারে একা একা।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৭
উদ্দীপকের নারায়ণ চৌধুরীর সাথে 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের ব্যক্তি মানুষটির চিরন্তন অসহায়ত্বের দিকটি মিল রয়েছে।
এ কবিতায় কৃষক শিল্পস্রষ্টা কবির প্রতীক। এখানে কৃষকের উৎপাদিত ফসল মূলত কবির সৃষ্টিকর্ম। কবি জানেন, মহাকাল তাঁর সৃষ্টিকর্মকে গ্রহণ করলেও সেখানে তাঁর ঠাঁই নেই, তেমনটি দেখা যায় এ কবিতার কৃষকের ক্ষেত্রে। কৃষক তাঁর উৎপাদিত ফসলের সবটুকু মাঝির নৌকায় তুলে দেওয়ার পর সেখানে তাঁর নিজের জন্য জায়গা থাকে না। মহাকালের নিয়মের কাছে ব্যক্তি মানুষের এই চিরন্তন অসহায়ত্বের দিকটিই কবি কৃষক চরিত্রের মধ্য দিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন ।
উদ্দীপকের নারায়ণ চৌধুরী একজন ডাকসাইটে জমিদার ছিলেন। তাছাড়া প্রজ্ঞা ও প্রতিভায়ও ছিলেন সবার শীর্ষে। তাঁর জীবনে অর্জিত সকল সম্পদ দিয়ে তিনি তাঁর ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া শিখিয়েছেন । এখন তাঁর ছেলে মেয়েরা বিদেশে স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। অথচ নারায়ণ চৌধুরীর খোঁজখবর নেওয়ার সময়ও তাদের নেই। তাই বলা যায়, নারায়ণ চৌধুরীর জীবনের সকল অর্জন তাঁর সন্তানেরা নিজেদের কাজে লাগালেও পিতার দায়িত্ব তারা কেউ নেয়নি। সুতরাং, নিষ্ঠুর পৃথিবী শুধু মানুষের কর্মফলকেই বহন করে ব্যক্তি মানুষটার খোঁজ কেউ রাখে না। যা আলোচ্য কবিতার কৃষকের ক্ষেত্রেও সত্য।
উদ্দীপকের নারায়ণ চৌধুরীর সাথে 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের ব্যক্তি মানুষটির চিরন্তন অসহায়ত্বের দিকটি মিল রয়েছে।
এ কবিতায় কৃষক শিল্পস্রষ্টা কবির প্রতীক। এখানে কৃষকের উৎপাদিত ফসল মূলত কবির সৃষ্টিকর্ম। কবি জানেন, মহাকাল তাঁর সৃষ্টিকর্মকে গ্রহণ করলেও সেখানে তাঁর ঠাঁই নেই, তেমনটি দেখা যায় এ কবিতার কৃষকের ক্ষেত্রে। কৃষক তাঁর উৎপাদিত ফসলের সবটুকু মাঝির নৌকায় তুলে দেওয়ার পর সেখানে তাঁর নিজের জন্য জায়গা থাকে না। মহাকালের নিয়মের কাছে ব্যক্তি মানুষের এই চিরন্তন অসহায়ত্বের দিকটিই কবি কৃষক চরিত্রের মধ্য দিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন ।
উদ্দীপকের নারায়ণ চৌধুরী একজন ডাকসাইটে জমিদার ছিলেন। তাছাড়া প্রজ্ঞা ও প্রতিভায়ও ছিলেন সবার শীর্ষে। তাঁর জীবনে অর্জিত সকল সম্পদ দিয়ে তিনি তাঁর ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া শিখিয়েছেন । এখন তাঁর ছেলে মেয়েরা বিদেশে স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। অথচ নারায়ণ চৌধুরীর খোঁজখবর নেওয়ার সময়ও তাদের নেই। তাই বলা যায়, নারায়ণ চৌধুরীর জীবনের সকল অর্জন তাঁর সন্তানেরা নিজেদের কাজে লাগালেও পিতার দায়িত্ব তারা কেউ নেয়নি। সুতরাং, নিষ্ঠুর পৃথিবী শুধু মানুষের কর্মফলকেই বহন করে ব্যক্তি মানুষটার খোঁজ কেউ রাখে না। যা আলোচ্য কবিতার কৃষকের ক্ষেত্রেও সত্য।