A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘একাদশ শ্রেণির মানবিক…’ নটরডেম কলেজ ২০২৬ – পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি🔢 সৃজনশীল নং ১০৫🏢 প্রতিষ্ঠান নটরডেম কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

একাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগের ছাত্র সোহেল নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছোট ভাইকে বলল, দেশের উন্নতি করতে হলে আমাদের এমন কিছু নাগরিক গুণাবলি অর্জন করা প্রয়োজন, যা একটি বিশেষ বিষয় অধ্যয়নের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'Civitas' শব্দের অর্থ হলো 'নগররাষ্ট্র'

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

নাগরিক ও নাগরিক জীবনের সাথে জড়িত সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করে বলে পৌরনীতিকে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয়। নাগরিক জীবনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় যেমন- নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জীবনের সাথে জড়িত ঘটনাবলি ও কার্যকলাপ এ শাস্ত্রে আলোচিত হয়। নাগরিক জীবনের ধর্মীয়, নৈতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক তথা সার্বিক দিকের আলোচনা পৌরনীতি ও সুশাসনের বিষয়বস্তু। তাই পৌরনীতিকে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে সোহেল তার ছোট ভাইকে দেশের উন্নতির জন্য সুনাগরিকের গুণাবলি অর্জনের কথা বলছিল। 

সুনাগরিকের প্রধান তিনটি গুণ হলো- বুদ্ধি, বিবেক ও আত্মসংযম। বুদ্ধিমান নাগরিক উপযুক্ত প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে এবং রাষ্ট্রের জটিল সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখে। বিবেক নাগরিককে ন্যায়-অন্যায় ও ভালো-মন্দের পার্থক্য করতে শেখায় এবং সৎ পথে চলতে উদ্বুদ্ধ করে। আত্মসংযম নাগরিককে বৃহত্তর স্বার্থে ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করতে এবং অন্যের মতামতকে শ্রদ্ধা করতে শেখায়।

উদ্দীপকে সোহেল তার ছোট ভাইকে বলেছে যে, দেশের উন্নতি করতে হলে বিশেষ কিছু নাগরিক গুণাবলি অর্জন প্রয়োজন যা পৌরনীতি পাঠের মাধ্যমে জানা যায়। এই গুণাবলিগুলো হলো বুদ্ধি, বিবেক ও আত্মসংযম। একজন নাগরিক যখন এই তিনটি গুণের অধিকারী হয়, তখনই সে সুনাগরিক হিসেবে গণ্য হয়। সোহেলের বর্ণনামতে, এই গুণগুলো অর্জনের মাধ্যমেই নাগরিকরা রাষ্ট্রের প্রতি তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সঠিকভাবে পালন করতে সক্ষম হয়, যা প্রকারান্তরে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জাতীয় উন্নয়নের জন্য সুনাগরিকের গুণাবলি অর্থাৎ বুদ্ধি, বিবেক ও আত্মসংযম অপরিহার্য ও আবশ্যক।

একটি দেশের উন্নয়ন নির্ভর করে সে দেশের নাগরিকদের সচেতনতা ও দেশপ্রেমের ওপর। সুনাগরিকরা তাদের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে রাষ্ট্রের সম্পদ রক্ষা করে, বিবেক দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে এবং আত্মসংযমের মাধ্যমে সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখে। রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রেক্ষাপটে সুনাগরিকের এই গুণগুলোই একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রকে শক্তিশালী করে তোলে।

উদ্দীপকে সোহেল যে গুণাবলির কথা বলেছে, তা জাতীয় উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। কেননা বুদ্ধিমান নাগরিকরা আধুনিক প্রযুক্তি ও জ্ঞানের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে। বিবেকবান নাগরিকরা নিয়মিত কর প্রদান ও আইন মান্য করার মাধ্যমে রাষ্ট্রের ভিত্তি মজবুত করে। আত্মসংযমী নাগরিকরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে দেশে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।

পরিশেষে বলা যায়, সুন্দর ব্যক্তিজীবন ও রাষ্ট্রীয় জীবন গঠনে সুনাগরিকের গুণের গুরুত্ব অপরিসীম। সুনাগরিকরা কেবল নিজেদের অধিকার ভোগ করে না, বরং রাষ্ট্রের প্রতি তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সদা সচেষ্ট থাকে। একটি দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য নাগরিকদের মধ্যে বুদ্ধি, বিবেক ও আত্মসংযমের মতো গুণাবলি থাকা একান্ত প্রয়োজন। তাই জাতীয় উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো সুনাগরিকের গুণাবলি অর্জন করা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘একাদশ শ্রেণির মানবিক…’ নটরডেম কলেজ ২০২৬ – পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”