A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘একাদশ শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২২ – রাজনৈতিক দল, নেতৃত্ব ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ৬ষ্ঠ অধ্যায় — রাজনৈতিক দল, নেতৃত্ব ও সুশাসন🔢 সৃজনশীল নং ৪২🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০২২⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

একাদশ শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ের স্যার একটি আইন সম্পর্কে পড়াতে গিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সরকার জনগণের অধিকার ও সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গিয়ে ২০০৯ সালে জাতীয় সংসদে একটি আইন পাস করেন। উক্ত আইন ও তথ্যপ্রযুক্তির বদৌলতে জনগণ সহজেই সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নীতি ও কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে পারছে। তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আইনটি একটি মাইলফলক”।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৬

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ ১৯৪৮ সালে গৃহীত হয়। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

চাপসৃষ্টিকারি গোষ্ঠী হল এমন একটি গোষ্ঠী যার সদস্যরা নির্দিষ্ট শ্রেণীর দাবী ব্যক্ত করে এবং তা পূরণ করার চেষ্টা করে। এ গোষ্ঠী সমাজ ও রাষ্ট্রের সঠিক স্বার্থের কথা বিবেচনায় না এনে কেবল নির্দিষ্ট শ্রেণীর দাবি ব্যক্ত করে এবং তা পূরণের জন্য চাপসৃষ্টি করে। চাপসৃষ্টির মাধ্যমে দাবি আদায়ের চেষ্টা করে বলে এ গোষ্ঠীকে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলা হয়। শিক্ষক সমিতি, বণিক সংঘ, শ্রমিক ইউনিয়ন, ব্যাংক কর্মচারী ফেডারেশন চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রকৃত উদাহরণ। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে আমার পঠিত তথ্য অধিকার আইনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশের ২০০৯ সালে ৫ এপ্রিল এ বিষয়ক একটি আইন পাশ হয়, যা তথ্য অধিকার আইন হিসেবে পরিচিত। তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে এ আইন প্রণীত হয়। এই আইডি চালু হওয়ার পূর্বে যে সব তথ্য গোপন ছিল, এখন জনগণ তার জেনে নিজেদের অধিকার যেমন ভোগ করতে পারবে, তেমনি সেসব প্রতিষ্ঠানে কাজের উপর নজরদারি স্থাপন করে তাদের কাজকে আরো নিয়মতান্ত্রিক ও সত্যনিষ্ঠ করে তুলতে পারবে।

উদ্দীপকের শ্রেণী শিক্ষক একটি আইনের কথা বলেছেন যেটি বাংলাদেশের সরকার জনগণের অধিকার ও সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গিয়ে ২০০৯ সালে জাতীয় সংসদ কর্তৃক তৈরি করা হয়। উক্ত আইন ও তথ্যপ্রযুক্তির বদৌলতে জনগণ সহজে সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নীতি ও কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে পারবে। তার এরুপ বক্তব্যে ২০০৯ সালে তথ্য অধিকার আইন স্পষ্ট। কারণ এই আইনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ সরকারের যেকোন প্রতিষ্ঠানে তথ্য সম্পর্কে অবহিত হতে পারে। অর্থাৎ এই আইনের মাধ্যমে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত হয়েছে। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বাংলাদেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তথ্য অধিকার আইনটি একটি মাইলফলক- শ্রেণীশিক্ষকের এই উক্তিটি যথার্থ।

বাংলাদেশের ২০০৯ সালে ৫ এপ্রিল তথ্য অধিকার আইন প্রণীত হয়। তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে এই আইন প্রণীত হয়। এ আইনটা চালু হওয়ার পূর্বে যেসব তথ্য গোপন ছিল, এখন জনগণ তার জেনে নিজেদের অধিকার যেমন ভোগ করতে পারবে, তেমনি সেসব প্রতিষ্ঠানে কাজের উপর নজরদারি স্থাপন করে তাদের কাজকে আরো নিয়মতান্ত্রিক ও সত্যনিষ্ঠ করে তুলতে পারবে। তথ্য প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠা লাভ করবে যা দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উদ্দীপকে বর্ণিত তথ্য অধিকার আইনটির গুরুত্ব অত্যধিক। আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জনগণ সব ক্ষমতার উৎস। রাষ্ট্রের সব কার্যক্রম জনগণ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় । আর তাই বাংলাদেশের জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তথ্য অধিকার আইন একটি যুগোপযোগী আইন। এই আইনের আওতায় জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক তার প্রয়োজনীয় তথ্য জানার অধিকার রাখে। ফলে রাষ্ট্রের যে কোন নাগরিক এখন যে কোন প্রতিষ্ঠানে কর্মের তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে । এর ফলে প্রশাসনের দুর্নীতির হ্রাস পাবে। তথ্য অধিকার আইন সরকার ও জনগণের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটিয়ে সমাজের সর্বস্তরের গণতান্ত্রিক চেতনা তৈরি ও গণতান্ত্রিক ক্ষমতা বিকাশের পথ প্রশস্ত করে। তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে নাগরিকের মধ্যে এক ধরনের সচেতনতা সৃষ্টি হয়ে দায়িত্ববোধ জাগ্রত হয়।

উপরিউক্ত আলোচনার শেষে বলা যায়, তথ্য অধিকার আইন জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করে, প্রশাসন ও প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করে। আরে দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং প্রশ্নোত্তর উক্তিটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘একাদশ শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২২ – রাজনৈতিক দল, নেতৃত্ব ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”