[এখানে, P, Q, R ও ৪ প্রচলিত কোনো মৌলের প্রতীক নয়]
দুটি পরমাণু যখন সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে অণুতে পরিণত হয় তখন অণুর পরমাণুগুলো বন্ধনের ইলেকট্রন দুটিকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে, এই আকর্ষণকে তড়িৎ ঋণাত্মকতা বলে।
দস্তার (Zn) যোজনী ও যোজ্যতা ইলেকট্রন সমান হবে। কারণ Zn এর ইলেকট্রন বিন্যাস-
Zn এর যোজ্যতা স্তরে 2টি ইলেকট্রন আছে। এজন্য Zn এর যোজ্যতা ইলেকট্রন 2। আবার Zn ধাতু হওয়ায় এর যোজ্যতা স্তরের মোট ইলেকট্রনই হচ্ছে এর যোজনী। অর্থাৎ, Zn এর যোজনী 2। এজন্য Zn এর যোজনী ও যোজ্যতা ইলেকট্রন সমান ।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, P ও Q মৌলদ্বয় যথাক্রমে ও এবং এদের দ্বারা গঠিত যৌগ । নিচে যৌগের বন্ধন গঠন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো-
Na ও O এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিয়ে পাই,
Na পরমাণু যোজ্যতা স্তরের একটি ইলেকট্রন বর্জন করে নিষ্ট্রিয় গ্যাস নিয়নের স্থায়ী অষ্টক বিন্যাস্ লাভ করে এবং অক্সিজেন পরমাণু যোজ্যতা স্তরের 2 টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে নিয়নের যোজ্যতা স্তরের স্থায়ী অষ্টক বিন্যাস লাভ করে। এক্ষেত্রে সোডিয়াম পরমাণু আয়নে এবং অক্সিজেন পরমাণু আয়নে পরিণত হবে। যেমন :
ত্যাগ
গ্রহণ
এভাবে সৃষ্ট ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়নসমূহ স্থি্রে বৈদ্যুতিক আকর্ষণ বল দ্বারা সংযুক্ত হয়ে আয়নিক যৌগ গঠন করে ।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, R ও S মৌলদ্বয় যথাক্রমে P ও Cl । P ও Cl মৌলদ্বয় দ্বারা যৌগ গঠনকালে একটি যৌগ অর্থাৎ এর ক্ষেত্রে অষ্টক নিয়ম ভঙ্গ করে। কিন্তু যৌগটির ক্ষেত্রে অষ্টক নিয়ম অনুসৃত হয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
ফসফরাস (P) এর পারমাণবিক সংখ্যা 15। ফসফরাসের ইলেকট্রন বিন্যাস করলে পাই,
উত্তেজিত অবস্থায়,
অন্যদিকে ক্লোরিনের (Cl) ইলেকট্রন রিন্যাস,
P এর যোজ্যতা স্তরে একটি ইলেকট্রন উদ্দীপিত অবস্থায় অরবিটালে উন্নীত হয়। ফলে P এর যোজ্যতা স্তরে 5টি বিজোড় ইলেকট্রন 5টি Cl পরমাণুর সাথে বন্ধন গঠনের মাধ্যমে যৌগ উৎপন্ন করে। ফলে ফসফরাসের বহিঃস্থ স্তরে ইলেকট্রন সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে 10 হয়। অর্থাৎ ফসফরাসের অষ্টক সম্প্রসারণ ঘটে।
সুতরাং, যৌগ গঠনের সময় অষ্টক নিয়ম ভঙ্গ করে ।
