[এখানে X, Y, Z প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।
পরমাণুর কেন্দ্রের নাম নিউক্লিয়াস। নিউক্লিয়াসের ভিতরে প্রোটন ও নিউট্রন এবং বাইরে ইলেকট্রন অবস্থান করে। যেহেতু আপেক্ষিকভাবে ইলেকট্রনের ভর শূন্য ধরা হয়, কাজেই নিউক্লিয়াসের ভিতরে অবস্থিত প্রোটন ও নিউট্রনের ভরই পরমাণুর ভর হিসাবে বিবেচনা করা হয়। অর্থাৎ পরমাণুর সমস্ত ভর নিউক্লিয়াসে কেন্দ্রীভূত।”
উদ্দীপকের ১ম মৌলটি । অর্থাৎ X মৌলটি ক্লোরিন (Cl)।
দেওয়া আছে, Cl এর আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর 35.5 ।
জানা আছে,
টি ক্লোরিন পরমাণুর ভর
∴ 1টি ক্লোরিন পরমাণুর ভর
টি ক্লোরিন পরমাণুর ভর
সুতরাং, উদ্দীপকের ১ম মৌলের 50টি পরমাণুর ভর ।
উদ্দীপকের তথ্য মতে, ও মৌলদ্বয় যথাক্রমে পটাসিয়াম (K) ও স্ক্যানডিয়াম (Sc)। Sc(21) এর সর্বশেষ ইলেকট্রন 3d তে প্রবেশ করলেও K(19) এর সর্বশেষ ইলেকট্রন 3d তে প্রবেশ করে না। নিচে ইলেকট্রন বিন্যাসের সাহায্য এর কারণ বিশ্লেষণ করা হলো-
আউফবাউ নীতি অনুসারে, ইলেকট্রন প্রথমে নিম্নশক্তির অরবিটালে এবং পরে উচ্চশক্তির অরবিটালে গমন করে। দুটি অরবিটালের মধ্যে কোনটি নিম্নশক্তির আর কোনটি উচ্চশক্তির তা ( ) এর মানের ওপর নির্ভর করে। যার ( ) এর মান কম সেটি নিম্নশক্তির অরবিটাল। 3d এবং 4 s অরবিটালের জন্য ( ) এর মান নিম্নরূপ :
3d অরবিটালে :
4 s অরবিটালে :
সুতরাং, 3d এর চেয়ে 4s অরবিটালের শক্তি কম (4s < 3d) হওয়ায় পটাসিয়ামের 19 তম ইলেকট্রন 3d অরবিটালে না গিয়ে 4s অরবিটালে স্থান গ্রহণ করে। ফলে K(19) এর ইলেকট্রন বিন্যাস দাঁড়ায়
সুতরাং বলা যায়, 3d অপেক্ষা 4s অরবিটালের শক্তি কম হওয়ায় 19 তম ইলেকট্রনটি 3d তে প্রবেশ না করে 4s-এ প্রবেশ করে।
অপরদিকে Sc(21) এর ক্ষেত্রে সর্বশেষ ইলেকট্রন হলো 21 তম ইলেকট্রন। তাই Sc এর ইলেকট্রন বিন্যাসের ক্ষেত্রে '4s কম শক্তির অরবিটাল ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ করে সর্বশেষ ইলেকট্রন (21 তম ইলেকট্রন) 3d অরবিটালে প্রবেশ করে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, 3d অরবিটালের শক্তি 4s অপেক্ষা বেশি হওয়ায় K এর সর্বশেষ ইলেকট্রন 3d তে না গিয়ে 4s এ যায় এবং Sc এর সর্বশেষ ইলেকট্রন 4s অরবিটাল পূর্ণ করে উচ্চ শক্তির 3d অরবিটালে প্রবেশ করে।
