A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘”এখন যৌবন যার,…’ জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – যৌবনের গান, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ গদ্য🧩 অধ্যায় ১২তম অধ্যায় — যৌবনের গান🔢 সৃজনশীল নং ১৫🏢 প্রতিষ্ঠান জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

“এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাওয়ার শ্রেষ্ঠ সময় তার।” এই যুদ্ধ মানে কারো উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা নয়, কোনো কিছুর নিয়ন্ত্রণ নেওয়া নয়। এই যুদ্ধ অন্যায়, অসভ্য, অবিচারের বিরুদ্ধে অধিকার আদায়ের, পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তিলাভের সর্বোপরি ইতিবাচক পরিবর্তন। তারুণ্যের শক্তিই এই পরিবর্তনের মূল নিয়ামক। তারুণ্যই একটি সমাজ বা রাষ্ট্রের বড়ো হাতিয়ার। তারুণ্য সব অসম্ভবকে সম্ভব করে তোলে। তারুণ্যের শক্তি, সাহস, প্রত্যয় ও সম্ভাবনা অসীম।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কালাপাহাড় হলেন ব্রাহ্মণ থেকে মুসলমানে ধর্মান্তরিত বিখ্যাত মুসলিম যোদ্ধা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

প্রশ্নোক্ত বাক্যে প্রাবন্ধিক বলতে চেয়েছেন- যেখানে যৌবনের তেজোদীপ্ত শক্তি নেই, সেখানে দুঃখের অন্ধকার বিরাজমান।
'যৌবনের গান' রচনায় লেখক তারুণ্যশক্তির জয়গান গেয়েছেন। কারণ যৌবন হচ্ছে অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার। যৌবন মানুষের জীবনকে গতিশীল ও প্রত্যাশাময় করে তোলে। দেশে তারুণ্যশক্তি বৃদ্ধি পেলে দেশ দ্রুত উন্নতির দিকে ধাবিত হয়। অন্যদিকে, তারুণ্যহীন জীবন নিঃসাড়। তখন জীবন গতিশূন্য হয়ে পড়ে। জীবনের ছন্দপতন ঘটে। ধীরে ধীরে অন্ধকারে ছেয়ে যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকটিতে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের আলোচিত তারুণ্যের জয়গানের বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক দুরন্ত-দুর্বার যৌবনের প্রশান্তি উচ্চারণ করেছেন। দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিসীম ঔদার্য, অফুরন্ত প্রাণচাঞ্চল্য ও অটল সাধনার প্রতীক যৌবন মৃত্যুকে তুচ্ছ করে সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্ন করে সব বাধা পেরিয়ে সমাজ প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্ত জীবনের পথে এগিয়ে যায়। আর বিপন্ন মানবতার পাশে সে দাঁড়ায় সেবাব্রতী ভূমিকা নিয়ে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, যৌবনকালই যুদ্ধে যাওয়ার শ্রেষ্ঠ সময়। এ যুদ্ধ মানে সকল প্রতিকূলতা, নেতিবাচকতার বেড়াজাল ছিন্ন করে ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। সমাজ ও জাতির কল্যাণে, রাষ্ট্রের অগ্রগতিতে তরুণকে সময়োচিত ভূমিকা পালন করা। তারুণ্যের শক্তি, সাহস, প্রত্যয় ও সম্ভাবনা অসীম। বিষয়টি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের তারুণ্যের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ প্রবন্ধে লেখক মনে করেন তারুণ্য তথা যৌবন অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার। দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিসীম ঔদার্য, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনা তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে প্রবন্ধে উল্লিখিত রক্ষণশীলতা, জড়তা, সংস্কারাচ্ছন্নতা তথা বার্ধক্যের দিকটি প্রতিফলিত না হওয়ায় "উদ্দীপকে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের সমগ্র বিষয়ের প্রতিফলন ঘটেনি" মন্তব্যটি সার্থক।
'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক কাজী নজরুল ইসলাম তারুণ্যশক্তির জয়গান গেয়েছেন। তরুণরাই সমাজ ও রাষ্ট্রকে ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। এজন্য দরকার শারীরিক সক্ষমতা ও দৃঢ় মনোবল। তবে তাঁর মতে যারা তরুণ হয়েও সংস্কারাচ্ছন্ন, পশ্চাৎপদ তারা বার্ধক্যের ধারক।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, তরুণরা সংগ্রামী। তারা সংগ্রামী মনোবল দিয়ে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে জীবন-মরণ পরোয়া না করে সোচ্চার হতে পারে। তরুণরাই একটি সমাজ তথা রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড়ো হাতিয়ার। তাদের সম্ভাবনা সীমাহীন। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় অগ্রগতিতে তারুণ্যের ভূমিকার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। তবে প্রবন্ধের বার্ধক্যের নানা দিক, তারুণ্যের মাধ্যমে মুক্তজীবন লাভের প্রত্যাশা ইত্যাদি বিষয় উদ্দীপকে নেই।
'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক নানা বিষয়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন। সেগুলোর মধ্যে একটি হলো তারুণ্যের হার না-মানা মনোবল, যা দ্বারা তারা অসাধ্য সাধন করতে পারে। এটি উদ্দীপকের কেন্দ্রীয় বিষয়। এ বিষয়টি ছাড়াও প্রবন্ধে তরুণদের আত্মসচেতনতা, বার্ধক্যের বৈশিষ্ট্য, তরুণদের মানসিকতা, বৃদ্ধ হয়েও তারুণ্যকে ধারণ করা আবার তরুণ হয়েও বার্ধক্যকে ধারণ করা, তারুণ্যের মাধ্যমে মুক্তজীবন ইত্যাদি নানা বিষয়ে আলোচনা রয়েছে, যেগুলো উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের সমগ্র বিষয়ের প্রতিফলন ঘটেনি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘”এখন যৌবন যার,…’ জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – যৌবনের গান, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”