A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (1 day ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘একজন স্বাভাবিক মানুষ…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২২ – রেচন প্রক্রিয়া, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📘 ৭ম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নম্বর:🏫 বোর্ড: কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড📅 সাল: ২০২২⭐ গুরুত্ব: ⭐⭐⭐⭐⭐

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

একজন স্বাভাবিক মানুষ প্রতিদিন প্রায় ১৫০০ মিলিলিটার মূত্র ত্যাগ করে। মূত্রের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ অপসারণে একটি অঙ্গ

উত্তর:

রেনাল পেলভিস: ইউরেটারের ফানেল আকৃতির প্রশস্ত অংশকে রেনাল পেলভিস বলে।

উত্তর:

ডায়ালাইসিস মেশিনে একটি বিশেষ ধরনের তরল ব্যবহার করা হয়। একে ডায়ালাইসিস ফ্লুইড বলা হয়। ডায়ালাইসিস ফ্লুইডের গঠন রক্তের প্লাজমার অনুরূপ হয়। এর ফলে ডায়ালাইসিস টিউবের মাধ্যমে ধমনি থেকে আগত রক্ত হতে বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ এই তরলে প্রবেশ করে এবং পরিশোধিত রক্ত শিরার মধ্য দিয়ে দেহে প্রবেশ করে। অর্থাৎ দেহ নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ থেকে মুক্ত হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ কিডনি। কিডনির ইউরিনিফেরাস নালিকার ক্ষরণকারী অংশ ও কার্যকরী একককে নেফ্রন বলে। নিচে নেফ্রনের গঠন বর্ণনা করা হলো:

মানবদেহের প্রতিটি কিডনিতে প্রায় ১০-১২ লক্ষ নেফ্রন থাকে।।
প্রতিটি নেফ্রন দুটি প্রধান অংশে বিভক্ত। যথা- ১. রেনাল করপাসল বা মালপিজিয়ান অঙ্গ এবং ২. কিডনির নালিকা বা রেনাল টিউবাল।

১. রেনাল করপাসল: নেফ্রনের অগ্রপ্রান্তকে রেনাল করপাসল বলে। এটি বৃক্কের কর্টেক্সে অবস্থিত এবং বোম্যান্স ক্যাপসুল ও গ্লোমেরুলাস নিয়ে গঠিত। বোম্যান্স ক্যাপসুল গ্লোমেরুলাসকে বেষ্টন করে থাকে। বোম্যান্স ক্যাপসুল দুইস্তরবিশিষ্ট পেয়ালার মতো প্রসারিত একটি অংশ। গ্লোমেরুলাস একগুচ্ছ কৈশিক জালিকা দিয়ে তৈরি। রেনাল ধমনি থেকে সৃষ্ট অ্যাপারেন্ট ধমনি ক্যাপসুলের ভিতরে ঢুকে প্রায় ৫০টি কৈশিকনালিকা তৈরি করে। এগুলো আবার বিভক্ত হয়ে সূক্ষ্ম রক্তজালিকার সৃষ্টি করে। এসব জালিকার কৈশিকনালিগুলো মিলিত হয়ে ইফারেন্ট ধমনি সৃষ্টি করে এবং ক্যাপসুল থেকে বেরিয়ে আসে।

২. কিডনির নালিকা বা রেনাল টিউব্যুল: বোম্যান্স ক্যাপসুলে অক্ষিয়দেশ থেকে সংগ্রাহী নালী পর্যন্ত বিস্তৃত চওড়া নালিটিকে রেনাল টিউব্যুল বলে। প্রতিটি রেনাল টিউব্যুল ৩টি অংশে বিভক্ত। যথা- গোড়াদেশীয় বা নিকটবর্তী প্যাঁচানো নালিকা, হেনলির লুপ ও প্রান্তীয় প্যাঁচানো নালিকা।

উত্তর:

মানবদেহের রেচন অঙ্গ বৃক্ক বা কিডনি। একজন স্বাভাবিক মানুষ প্রতিদিন 1500 মিলিলিটার মূত্র ত্যাগ করে। মূত্রে ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি নাইট্রোজেন ঘটিত পদার্থ থাকে। এগুলো মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। এসব অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে অপসারণে বৃক্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও বৃক্ক মানবদেহে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্লোরাইড ইত্যাদির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, পানি, অম্ল ও ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করে। তাই কোনো কারণে যদি বৃক্ক বিকল বা অকেজো হয়ে পড়ে, তাহলে নাইট্রোজেনজটিত বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে অপসারিত হতে পারবে না। ফলে নানারকম সমস্যা সৃষ্টি হবে। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো:

১. মূত্রের পরিমাণ কমে যাবে।

২. রক্তে ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি পাবে।

৩. দেহে পানি জমতে থাকবে।

৪. চোখ-মুখসহ সারা শরীর ফুলে যেতে পারে, এমনকি উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টি হতে পারে।

৫. দেহে পানি, অম্ল ও ক্ষারের ভারসাম্য নষ্ট হবে।

2 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘একজন স্বাভাবিক মানুষ…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২২ – রেচন প্রক্রিয়া, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”